
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দ্রুত ও সহজে প্রাপকের কাছে পৌঁছে দিতে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তিতে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির আওতায় প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি নগদ গ্রাহকদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। ফলে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) বা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে সুবিধাভোগীরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মিডল্যান্ড ব্যাংক রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে প্রবাসী ও তাদের পরিবার আরও দ্রুত এবং সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।
নগদের মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দ্রুত প্রাপকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। উপকারভোগীরা চাইলে যেকোনো সময় এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের উপ–ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান উপস্থিত ছিলেন।
নগদের পক্ষ থেকে চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মো. শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ এবং রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।