
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কতটা এগিয়ে বিবিসি?
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর বড় করপোরেট মালিকদের মতো বিবিসি নিউজ অর্থ ও ক্ষমতার এমন সংকীর্ণ সমীকরণে ততটা বন্দী নয়।

ছেচল্লিশ বছর আগে ১৯৮০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে চালু হয়েছিল গ্রাম সরকার। উদ্দেশ্য ছিল গ্রামের মানুষকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা, স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা এবং গ্রামীণ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখা। কিন্তু চালু করার দুই বছরের মাথায়, ১৯৮২ সালে এরশাদ সরকারের আমলে ব্যবস্থাটি বিলুপ্ত হয়। চার দশকের বেশি সময় পর সেই গ্রাম সরকার আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার।
প্রস্তাবিত ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’ কার্যকর হলে দেশের ৪১ হাজার ১১২টি ওয়ার্ডে গঠিত হবে ১৭ সদস্যের গ্রাম সরকার। সব মিলিয়ে এই কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন প্রায় সাত লাখ মানুষ। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষে নতুন ব্যবস্থাটি চালু করা হতে পারে।
তবে এই উদ্যোগকে কেবল গ্রামীণ উন্নয়ন বা প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কারণ, গ্রাম সরকারের মাধ্যমে একদিকে যেমন স্থানীয় পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব ও জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।
বিএনপির নেতাদের বক্তব্যেও এই রাজনৈতিক দিকটি উঠে এসেছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান চরচাকে বলেন, “স্থানীয় পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদেরও গ্রাম সরকারে মূল্যায়ন করা হবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা এবং হামলা-মামলার শিকার নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।”
কী থাকছে নতুন কাঠামোয়
স্থানীয় সরকার বিভাগের তৈরি খসড়া অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা এবং ১৫ জন সাধারণ সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হবেন প্রধান এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হবেন উপদেষ্টা।
সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থাকবেন- সমাজসেবক, কৃষক, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, যুব প্রতিনিধি, পল্লী চিকিৎসক, সমবায় সমিতির প্রতিনিধি এবং নিকাহ রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কোনো শ্রেণির প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে সমাজসেবক বা গণ্যমান্য ব্যক্তির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। এটি ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। গ্রামের রাস্তা, কালভার্ট ও অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা, সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা, কৃষি উপকরণের সংকট চিহ্নিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার দায়িত্ব থাকবে এর।
এছাড়া, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা, টিকাদান, পরিবার পরিকল্পনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমেও যুক্ত থাকবে এই প্রতিষ্ঠান।
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণেও গ্রাম সরকারকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ, গ্রামের মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সেবার যোগাযোগের একটি নতুন মাধ্যম হিসেবে একে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল চরচাকে বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে যারা গ্রাম সরকারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তাদের মধ্যে খুবই অল্পসংখ্যক মানুষ জীবিত আছেন। এবারও তাদেরকে নিয়ে গ্রাম সরকার গঠন করা হবে। এছাড়া তাদেরকে দিয়ে গ্রাম সরকারের নির্বাচিতদের ওরিয়েন্টেশন (পরিচিত সভা) করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে তারা কীভাবে কাজ করেছেন তা তুলে ধরা হবে। এ জন্য বিভিন্ন কাজ চলমান রয়েছে।”

আলাল বলেন, “গ্রাম পর্যায়ে দলের নতুন নেতৃত্বে যারা আছেন তাদেরকে এই সরকারের অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। বিশেষ করে যারা দেশের জন্য কাজ করতে চান, ধ্যান-ধারণা ভালো, সৎভাবে কাজ করে আসছেন তাদেরকে নিয়ে গ্রাম সরকার গঠন করা হতে পারে।”
৭ লাখ মানুষের কাঠামো, প্রশ্ন রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে
প্রস্তাবিত কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে এর ব্যাপকতা। দেশে চার হাজার ৫৬৮টি ইউনিয়নের ৪১ হাজার ১১২টি ওয়ার্ডে ১৭ সদস্য করে গ্রাম সরকার গঠিত হলে মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ছয় লাখ ৯৯ হাজার। অর্থাৎ, প্রায় সাত লাখ মানুষকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে একটি নতুন প্রশাসনিক-সামাজিক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে।
কিন্তু এই বিপুলসংখ্যক মানুষ কীভাবে নির্বাচিত হবেন?
খসড়ায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হলেও সদস্যরা সরাসরি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আবার খসড়ায় সদস্য নির্বাচনের বিধানে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কমপক্ষে ১০ শতাংশ ভোটারের ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের কথাও উল্লেখ রয়েছে।
এই দুই ধরনের প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ১০ শতাংশ ভোটারের অংশগ্রহণে ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে কাউকে অনুমোদন দেওয়া আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা এক বিষয় নয়। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় ভোটের প্রক্রিয়া, প্রার্থীর মনোনয়ন এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা আইনে স্পষ্ট করা জরুরি।
রাজনৈতিকভাবে এর তাৎপর্যও কম নয়। বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থন না পাওয়া যোগ্য নেতাদেরও গ্রাম সরকারে যুক্ত করার সুযোগ থাকতে পারে। ফলে নির্বাচনে দলীয় পদ বা জনপ্রতিনিধিত্ব না পাওয়া নেতাকর্মীদের জন্য নতুন একটি অবস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
আগের অভিজ্ঞতা কেন গুরুত্বপূর্ণ
দলের নীতিনির্ধারকদের অনেকে মনে করেন, গ্রাম সরকার ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতা সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৮০ সালে স্বনির্ভর গ্রাম সরকার চালু হয়েছিল। তবে তার মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে ব্যবস্থাটি বিলুপ্ত হয়।
পরবর্তী সময়ে ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গ্রাম পরিষদ আইন করে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ২০০৩ সালে নতুন করে গ্রাম সরকার আইন প্রণয়ন করে খালেদা জিয়ার সরকার। ওই আইনে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা এবং ১৩ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের বিধান ছিল। কিন্তু সদস্যদের মনোনয়নের ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৫ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট আইনটিকে অসাংবিধানিক ও অকার্যকর ঘোষণা করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারব্যবস্থার গণতান্ত্রিক চরিত্রের সঙ্গে মনোনয়ননির্ভর কাঠামোর অসামঞ্জস্যের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পরে ২০০৯ সালে সংসদে আইনটি রহিত করা হয়।
এই অতীতের কারণে নতুন আইনটির সাংবিধানিক ভিত্তি এবং সদস্য নির্বাচনের পদ্ধতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক এককগুলোতে নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে। ৬০ অনুচ্ছেদে এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা ও আর্থিক কার্যক্রমের ভিত্তি নির্ধারণের কথা রয়েছে। ফলে গ্রাম সরকার ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হলেও এর সদস্য নির্বাচনের পদ্ধতি, ক্ষমতার সীমা এবং নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক কী হবে, তা সাংবিধানিক প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত।
বিকেন্দ্রীকরণ, নাকি ক্ষমতার নতুন বলয়?
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে গ্রাম সরকার পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। দলটির যুক্তি, গ্রামের সমস্যা গ্রামের মানুষের অংশগ্রহণেই সমাধান করা সম্ভব। স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা, সরকারি সেবার জবাবদিহি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার জন্য শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সুস্পষ্ট দায়িত্ব, আর্থিক ক্ষমতা, প্রশাসনিক স্বাধীনতা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি।
গ্রাম সরকারের নিজস্ব বাজেট থাকবে কি না, উন্নয়ন প্রকল্পে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কতটুকু হবে, ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হলে তার সমাধান কীভাবে হবে- এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
তারা মনে করেন, একই ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যের পাশাপাশি নতুন একটি কাঠামো কাজ করলে দায়িত্বের পুনরাবৃত্তি কিংবা ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে স্থানীয় সরকারকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। সেখানে গ্রাম সরকারকে কার্যকর করে তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও ছিল।
এখন সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাত লাখ মানুষের এই নতুন কাঠামো শেষ পর্যন্ত গ্রামের মানুষের ক্ষমতায়ন করবে, নাকি ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূল সংগঠনকে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেবে- তার উত্তর নির্ভর করবে সদস্য নির্বাচনের স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, সাংবিধানিক বৈধতা এবং বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটির ক্ষমতা প্রয়োগের ওপর।
গ্রাম সরকার ফিরছে কি না, এখন সেটিই একমাত্র প্রশ্ন নয়। বরং প্রশ্ন হলো, ফিরলে সেটি কার সরকার হবে- গ্রামের মানুষের, নাকি ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তারের আরেকটি ক্ষেত্র?

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কতটা এগিয়ে বিবিসি?
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর বড় করপোরেট মালিকদের মতো বিবিসি নিউজ অর্থ ও ক্ষমতার এমন সংকীর্ণ সমীকরণে ততটা বন্দী নয়।

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর ভয়াবহ বিস্তার, যুক্তরাষ্ট্রেই বছরে ৫০ হাজারের বেশি মৃত্যু
অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য জীবাণুনাশক ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনকারী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক বিশ্বজনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই হুমকির ভয়াবহ চিত্র।

সৌদি–ইরান–তুরস্ক–পাকিস্তান বৈঠক কীসের ইঙ্গিত?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে ব্যাপক চাপের মুখেও ইরান তার আঞ্চলিক প্রভাব ধরে রেখেছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ-সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় সৌদি আরব ও তার অংশীদারদের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে।

ইসরায়েলের নির্বাচনে আরবদের উত্থান উপেক্ষার সুযোগ নেই
শেষ পর্যন্ত আরব দলগুলোকে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে, নাকি তাদের ভোটের ওপর নির্ভর করেও রাজনৈতিকভাবে দূরে রাখা হবে—সেই সিদ্ধান্তই ইসরায়েলের গণতন্ত্র, নাগরিক সমতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।