Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতিতে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কীভাবে আরও স্পষ্ট হচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪: ৫৫
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতিতে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কীভাবে আরও স্পষ্ট হচ্ছে?
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ। রিয়াদ, সৌদি আরব। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ইয়েমেন অভিযানে অংশ না নেওয়ার পক্ষে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ভোট হওয়ার ১১ বছর পর এবার পার্লামেন্টের ভোট ছাড়াই সৌদি আরবে দ্রুত আরও সেনা মোতায়েনে সম্মত হয়েছে ইসলামাবাদ। এতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

Advertisement

গত সোমবার সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে আগস্টে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রথমবারের মতো কার্যকর করা হয়। ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনের হুতিদের হামলা ক্রমশ বাড়তে থাকায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরব।

গত বছর সংবিধানে আনা সংশোধনীর মাধ্যমে ২০৩০ সাল পর্যন্ত তিন বাহিনীরই প্রধান হিসেবে মুনিরের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে তাকে আজীবনের জন্য ফিল্ড মার্শাল পদমর্যাদা এবং ফৌজদারি মামলায় বিচার থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনের এ সিদ্ধান্ত দেশের অভ্যন্তরে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান ক্ষমতারও ইঙ্গিত দেয়। কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল বর্তমানে ইসলামাবাদ অভিমুখে মিছিল করছে। দলটির অভিযোগ, সেনাবাহিনী রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করছে। তবে সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক আবাসিক জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, “অতীতে এমন সময় ছিল, যখন পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সেনা না পাঠানোর পক্ষে ভোট দিত এবং সামরিক বাহিনী সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলত। কিন্তু এখন সময়টা ভিন্ন।”

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এই জোট গঠনের ক্ষেত্রে “সরকারের প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে”। তবে এ প্রক্রিয়ায় মন্ত্রিসভা বা পার্লামেন্টের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা জানায়নি মন্ত্রণালয়। সেনা মোতায়েনের বিস্তারিত তথ্যকে “সামরিক কার্যক্রমসংক্রান্ত গোপনীয়তার বিষয়” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সক্রিয় মক্কা চুক্তি, সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্কmecca pact

ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাকিস্তানি সেনারা অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইরানবিরোধী যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান তেহরানের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ রাখছে। তবে ইসলামাবাদ সরাসরি হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে।

জুলাইয়ে সৌদি জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে হুতিরা। এরপর থেকে তারা তেলবাহী ট্যাংকার ও তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। গত সপ্তাহে ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট অভিযোগ করে, হুতিরা মদিনার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে, যেখান থেকে মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে হুতিরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে আসিম মুনির সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অংশ নেন। বৈঠক শেষে তিন দেশ মক্কা ও মদিনায় হামলার চেষ্টার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে তারা জানায়, নিজ নিজ দেশের ‘জাতীয় আইনকানুন’ অনুসরণ করে ‘সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সরবরাহ এবং দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করা হবে’।

তবে কতজন সেনা মোতায়েন করা হবে, তাদের দায়িত্ব কী হবে, কমান্ড কাঠামো কেমন হবে, ব্যয় কত হবে কিংবা কত দিন তারা সেখানে থাকবেন—এসব বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

২০১৫ সালে ইয়েমেন অভিযানের জন্য সৌদি আরব পাকিস্তানের কাছে সেনা, যুদ্ধবিমান ও নৌযান চেয়েছিল। তখন পাকিস্তানের সরকার বিষয়টি পার্লামেন্টে উত্থাপন করে। পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও পবিত্র স্থানগুলো রক্ষার অঙ্গীকারও করা হয়েছিল।

ক্ষমতা বাড়ার চক্র

বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৫ সালের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক। তখনো দেশটির সংবিধান সশস্ত্র বাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণ ও কমান্ডের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে দিয়েছিল, এখনো তা-ই রয়েছে।

বাংলাদেশ কি মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেবে? mecca pact

তবে পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীই প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে এসেছে। মুনিরকে তার পূর্বসূরিদের যেকোনো ব্যক্তির তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে অধিক ক্ষমতাধর বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হয়।

ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং তাদের মিত্র পাকিস্তান পিপলস পার্টি এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) মুখপাত্র জুলফি বুখারি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তে দলটির সমর্থন আছে কি না, তা জানাননি। তবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়া এবং ‘রাজনৈতিক বিচক্ষণতার সঙ্গে’ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করা হয়নি। এ চুক্তি ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ধারাবাহিকতা। ওই চুক্তির আওতায় চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে পাকিস্তান সৌদি আরবে প্রায় আট হাজার সেনা পাঠিয়েছিল বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারই সংবিধানের সংশোধনীগুলো পাস করেছিল। তার মুখপাত্র মোশাররফ জায়েদি কূটনৈতিক সাফল্যের পেছনে ‘ফিল্ড মার্শাল ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আস্থা ও পারস্পরিক সমন্বয়কে’ কৃতিত্ব দিয়েছেন।

লন্ডনের কিংস কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ বলেন, এখানে একটি “পরস্পরকে শক্তিশালী করার চক্র” কাজ করছে। বিদেশি অংশীদারেরা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে অপরিহার্য শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে, যা দেশের অভ্যন্তরে সামরিক বাহিনীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে।

তিনি বলেন, বিদেশি অংশীদারেরা “পাকিস্তানের বেসামরিক-সামরিক ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে না, তবে তারা সেই ব্যবস্থাকে পুরস্কৃত করতে পারে।”

তবে তার মতে, পাল্টা ভারসাম্য রক্ষার ব্যবস্থা দুর্বল হলে কোনো সিদ্ধান্ত বা অঙ্গীকারে পৌঁছানো সহজ হয়, কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার ব্যয় ও জটিলতা দেখা দিলে তা সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিষয়: সৌদি আরবপাকিস্তানমদিনাসেনাপ্রধানপার্লামেন্টইয়েমেনহুতিসেনাবাহিনীইরানপররাষ্ট্র
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

  • ২

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

  • ৩

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

  • ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

  • ৫

    ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

সম্পর্কিত
  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

  • নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্টের স্কোয়াড যখন ঘোষিত হয়, তখন থেকেই আলোচনা ছিল মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এরকম একটা অগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন মুশফিকুরকে দলে রাখা হলো, সেটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল। কেননা মুশফিকুরের স্কোয়াডে থাকা মানেই একাদশে থাকাটাও ন

  • নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তনটি সরাসরি ডেমোক্র্যাটদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বা রিপাবলিকান ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং এর কেন্দ্রে রয়েছে ক্লান্তি