Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি সমঝোতা হচ্ছে?

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ১২: ০০
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি সমঝোতা হচ্ছে?

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এখন পর্যন্ত প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলেছে, তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় এককভাবে নির্বাচন করবে। তবে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে প্রার্থী দেবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন আওয়ামী লীগের সময়ের মতো দলীয় প্রতীকে হবে না। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি ও অবস্থান ইতোমধ্যে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। দলীয় প্রতীকে ভোট না হলেও দলগুলোর প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

ক্ষমতাসীন বিএনপি এখনো তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে জামায়াতের জোটসঙ্গী এনসিপি ঢাকার দুটিসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে এই আলোচনায় আরও ঘি ঢেলেছে।

এনসিপি সূত্র বলছে, তারা জোটের মুরুব্বি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে প্রার্থী দেবে। এর পেছনে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গড়ে ওঠা ‘নির্বাচনী ঐক্য’। সেই সময় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আরও ১০টি দলকে নিয়ে মোট ১১ দলের একটি জোট গঠিত হয়েছিল, যেখানে এনসিপির সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সমন্বয় তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, সিটি নির্বাচনেও কি এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা থাকবে, নাকি দলগুলো আলাদা পথ বেছে নেবে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement
কেমন বাংলাদেশ গড়তে চায় জামায়াত?shafiqur rahman 3

এনসিপির একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। তারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হওয়ার পরই এ ধরনের সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, বর্তমান পর্যায়ে বিষয়টি সম্ভাবনার মধ্যে থাকলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও আপাতত ভিন্ন সুর শোনা যাচ্ছে। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের চরচাকে সম্প্রতি বলেন, ‘‘আমাদের (১১ দল) প্রাথমিক সিদ্ধান্তটা এমন যে, এই নির্বাচনটা আমরা আলাদা আলাদাভাবেই করব। স্ব স্ব দল থেকে সিটি করপোরেশনগুলোতে আমাদের প্রার্থী দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত এমনই সিদ্ধান্ত।” তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, অন্তত প্রাথমিকভাবে দলটি এককভাবেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত ২৯ মার্চ এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনেও খুব শিগগিরই প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। একই সময়ে জামায়াতে ইসলামীও তাদের বিভিন্ন সাংগঠনিক সমাবেশ থেকে চারটি সিটিতে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে, যা দুই দলের পৃথক নির্বাচনী প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়।

মূল লক্ষ্য ‘সংগঠন’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে এনসিপি কেবল একটি ভোটযুদ্ধ হিসেবে দেখছে না; বরং এটি তাদের জন্য একটি সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর বড় সুযোগ। দলটির কৌশলগত পরিকল্পনায় রয়েছে–সারা দেশে ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায় পর্যন্ত শক্তিশালী প্রার্থী তৈরি করা এবং মাঠপর্যায়ে দলীয় উপস্থিতি জোরদার করা।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ১০ মে এনসিপি দেশের ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করে। প্রার্থী ঘোষণার সময় দলের নেতারা জানান, এটি কেবল প্রথম ধাপ; দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে, যা ঈদের আগেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ওই সংবাদ সম্মেলনে সমঝোতার প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেখানে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “…আমরা স্থানীয় নির্বাচনের ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছি। জোটগতভাবে নির্বাচন হবে নাকি এককভাবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের আগে হবে। কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে যে দল ২০৩৬ সালের মধ্যে সংসদে সরকারি দল হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখে, সেই দল জোটের আশায় বা জোট হবে কি না–এই দ্বিধা নিয়ে বসে থাকতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমরা এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করছি।”

সারজিস আলমের বক্তব্যে স্পষ্ট যে, দলটি আপাতত নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ এবং রংপুর সিটি করপোরেশন ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে সমঝোতার আলোচনা হয়েছিল। তবে ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির প্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিষয়ে আপত্তি থাকায় সেই আলোচনা আর এগোয়নি।

নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন নিয়ে এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থী এবং দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, ‘‘আমারা একভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছি। সমঝোতার বিষয়টি হয়তো তফসিলের পর হতে পারে। আমরা উভয় প্রস্তুতিই নিয়ে রাখছি।’’

তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, দলটি একই সঙ্গে একক নির্বাচন এবং সম্ভাব্য জোট–দুই ধরনের পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ফাইল ছবি
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ফাইল ছবি

এনসিপি ইতোমধ্যে যে পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তারা হলেন–ঢাকা দক্ষিণে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, ঢাকা উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, কুমিল্লায় জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, রাজশাহীতে মহানগর আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী এবং সিলেটে মহানগর আহ্বায়ক আবদুর রহমান আফজাল।

হেফাজতে জামায়াত জোটের প্রভাব বাড়ছে?Hefajote isolami

ভোটের পরিবেশ নিয়ে ঐক্য

যদিও প্রার্থী নির্ধারণ বা সমঝোতা প্রশ্নে জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে এখনো সুস্পষ্ট ঐক্য দেখা যাচ্ছে না, তবে ভোটের পরিবেশ নিয়ে দুই দলের অবস্থান অনেকটাই এক। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা নিয়ে উভয় দলই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং প্রয়োজনে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার সব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও দলীয়করণের চেষ্টা করছে এবং সেটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে। তার এই বক্তব্যে স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

একইভাবে দলের আরেক শীর্ষ নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতা হলে রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত থাকতে চায়।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, ‘‘জামায়াতের সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক জোট। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হলে আমরা তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।’’

বিষয়: নির্বাচনসরকারঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনজামায়াতে ইসলামীভোটরাজনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    বিদেশে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন যত সম্মানের, দেশে ফেরা ততই মর্যাদার

  • ২

    রাজশাহীতে সারের দাবিতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ

  • ৩

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

  • ৪

    ইতালিতে প্রতিবছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ আছে: শাহে আলম

  • ৫

    আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ প্রাণহানি, আহত ৬৬৪

সম্পর্কিত
  • বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

    বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

    একসময় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাত হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প এখন গভীর সংকটে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খাতকে গতিশীল করতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। তবে চিংড়ি রপ্তানিকারক ও প্রক্রিয়াকারকরা আশঙ্কা করছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, উচ্চ সুদের হার এবং কঠোর শর্তের কারণে এই উদ্য

  • ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    নেদারল্যান্ডস এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় থাকা তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ থেকে কয়েক শ কোটি ডলার মূল্যের স্বর্ণ সরিয়ে নিয়েছে। নেদারল্যান্ডসের এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ডাচরা এমন সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে? সামনের দিনগুলোতে কি কোনো বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা আসবে?

  • নারীর উপার্জন কি পরিবারে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    নারীর উপার্জন কি পরিবারে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    এক দশক আগেও সৌদি আরবে নারীদের কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজ ছাড়া অন্য কোনো চাকরি করার অনুমতি ছিল না। এরপর সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বেশিরভাগ বিধিনিষেধের অবসান ঘটান, তিনি সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতিও দেন।

  • নীতিমালা করে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হবে?

    নীতিমালা করে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হবে?

    রাজধানীর সড়কে এখন অন্যতম ‘সংকট’ ব্যাটারিচালিতঅটোরিকশা। রিকশাচালক, পথচারী ও গাড়ির চালকদের বচসা থেকে হাতাহাতি নিত্য চিত্র। এ চিত্র ঢাকার বাইরেও দেখা যায় প্রতিনিয়ত। আর দুর্ঘটনা তো লেগেই আছে। অটোরিকশা চালু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সরকার বিভিন্ন সময়ে এর নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, লাইসেন্সের আওতায় আনতে