Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

হরমুজ অবরোধ: ট্রাম্পের নতুন টোটকা বিশ্ব অর্থনীতির নতুন আপদ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ২৩
হরমুজ অবরোধ: ট্রাম্পের নতুন টোটকা বিশ্ব অর্থনীতির নতুন আপদ

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে যে বিকল্পগুলো রয়েছে, সেগুলোর কোনোটিই তাকে দ্রুত ও নিষ্পত্তিমূলক বিজয় এনে দেবে না। এমনটাই লিখেছেন সিএনএনের বিশ্লেষক স্টিফেন কলিনসন। তার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদের ম্যারাথন আলোচনা থেকে উভয় পক্ষই একে অপরকে ‘অনমনীয়’ বলে অভিযুক্ত করে চলে গেছে। এই অচলাবস্থা ট্রাম্পের একটি মূল বিশ্বাসকেই চ্যালেঞ্জ করছে, যে বিশ্বাস হলো–মার্কিন সামরিক শক্তি যেকোনো প্রতিপক্ষকে নতি স্বীকার করাতে পারবে। ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে রাজি নয় এবং যুদ্ধে নিজের পরাজয়ের মার্কিন দাবিও মানছে না।

Advertisement

হোয়াইট হাউস রোববার মার্কিন দাবির তালিকা প্রকাশ করেছে, যা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, সব ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং গত বছর মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়া। পারমাণবিক কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন রোধে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা ৪০০ কেজিরও বেশি উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার নিশ্চিত করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। এ ছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানকে হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতিদের অর্থায়ন বন্ধ এবং টোলমুক্ত নৌচলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কলিনসনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মার্কিন দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো যুক্তিসংগত কৌশলগত দাবি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ এই দাবিগুলো পূরণে ট্রাম্পের সক্ষমতা আসলে কতটা বাড়িয়েছে।

হরমুজ অবরোধের ঘোষণা ও তার যুক্তি

রোববার সন্ধ্যায় ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন। লক্ষ্য দুটি–ইরানের তেল রাজস্বের শ্বাসরুদ্ধ করা এবং ইরানের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি তেল ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ যাত্রার জন্য শুল্ক আদায় করে রাজস্ব বাড়ানোর তেহরানের পরিকল্পনাও নস্যাৎ করা। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই অবরোধকে বর্ণনা করেছেন–সব ভেতরে, সব বাইরে। পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া শত শত তেল ট্যাংকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এটি বন্ধুত্বপূর্ণ বা মিত্র দেশের ক্ষেত্রেও কোনো ব্যতিক্রম নয়– সব অথবা কিছুই নয়। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে প্রবেশ ও বাহির হওয়া সব যানবাহনের ক্ষেত্রে এই অবরোধ প্রযোজ্য হবে। তবে ইরানি বন্দরে যায় না এমন জাহাজের চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও মার্কিন অর্থনীতিতে চাপ

কলিনসনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অবরোধের ঘোষণার সাথে সাথে তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলারে পৌঁছেছে। এই মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্পের সংকল্পের পরীক্ষা নেবে। আমেরিকানরা ইতিমধ্যে খাদ্য ও আবাসনের উচ্চমূল্যে বিরক্ত এবং এখন গ্যালনপ্রতি গড়ে ৪ ডলারের বেশি দিয়ে পেট্রল কিনছেন। তেলের মূল্যবৃদ্ধি মার্চে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ২.৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩.৩ শতাংশে নিয়ে গেছে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময় পেট্রলের দাম একই থাকতে পারে বা সামান্য বাড়তে পারে।

হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ সমর্থন করবে না যুক্তরাজ্য: স্টারমারkier starmar

অবরোধের ঝুঁকি ও কূটনৈতিক জটিলতা

কলিনসন তার বিশ্লেষণে অবরোধের একাধিক ঝুঁকি চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত, ইরান যদি টোল দিতে রাজি হয়–এমন জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে মার্কিন বাহিনী সচেষ্ট হয়, তাহলে চীনের মতো বৃহৎ শক্তির সাথে কূটনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হবে। আগামী মাসে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে শীর্ষ বৈঠক করার কথা। যা ইতিমধ্যে এই যুদ্ধের কারণে একবার পিছিয়ে গেছে। সেই বৈঠকে ট্রাম্প উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। দ্বিতীয়ত, ইরানের শর্তে চলাচলকারী সব জাহাজ অবরোধ করা হলে জাপান ও ইউরোপের মতো মিত্রদেশগুলো, যারা উপসাগরীয় তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং যাদের ট্রাম্প এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিমুখ করেছেন– ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তৃতীয়ত, এই অবরোধ মার্কিন জাহাজগুলোকে ইরানি হামলার সামনে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে কীভাবে ইরানকে সেটি খুলতে বাধ্য করা যাবে–তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তবে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি ভিন্নমত পোষণ করে বলেছেন, ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি খোলার চেষ্টা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তার যুক্তি হলো, যদি কিছুই না করা হয়, তাহলে ইরানের কাছে আরও বেশি অর্থ আসবে যা প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে ব্যালিস্টিক মিসাইল ও পারমাণবিক উৎপাদনে ঢালা হবে।

ছবি: এআই দিয়ে বানানো
ছবি: এআই দিয়ে বানানো

ট্রাম্পের সামনে থাকা বিকল্পগুলো এবং তাদের সীমাবদ্ধতা

কলিনসনের বিশ্লেষণে ট্রাম্পের সামনে থাকা বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রথম বিকল্প হলো, মার্কিন ও ইসরায়েলি বোমা হামলা পুনরায় জোরদার করা। কিন্তু ইতিমধ্যে ইরানের সামরিক ও শিল্প কমপ্লেক্স ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এরপরও আরও হামলা ইরানের নেতাদের নতি স্বীকার করাতে পারবে কি না–তা অনিশ্চিত। বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুমকি কার্যকর করলে সাধারণ নাগরিকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকি বাড়বে। দ্বিতীয় বিকল্প হলো, সামরিক লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে ঘোষণা করে আঞ্চলিক প্রত্যাহার। কিন্তু এই বিকল্প দুটি কারণে অকার্যকর– হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কব্জা বহাল থাকবে এবং ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতও অক্ষত থাকবে।

এই বাস্তবতায় হরমুজ অবরোধকে কলিনসন দেখছেন উপকূলীয় মিসাইল স্থাপনায় স্থল সেনা নামানোর উচ্চঝুঁকির পদক্ষেপ ছাড়াই ইরানের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করার একটি উপায় হিসেবে। তবে এই পদক্ষেপও মার্কিন জাহাজকে আরও ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

যুদ্ধের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ইরানের অবস্থান

কলিনসন স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ট্রাম্প যে দ্রুত ও নিষ্পত্তিমূলক যুদ্ধের আশা করেছিলেন–তা দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং শেষের কোনো আলামত নেই। অর্থনৈতিক ক্ষতি বিশাল ও ক্রমবর্ধমান–যা ট্রাম্পের ক্ষয়িষ্ণু অনুমোদন রেটিংয়ের জন্য দুঃসংবাদ। ইউরোপীয় মিত্ররা আগাম না জেনে ও না চাওয়া এই যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকার করায় ন্যাটোতে নতুন ফাটল দেখা দিয়েছে। ইরানের রাজনীতিতে এই যুদ্ধ কতটা পরিবর্তন আনবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সময় এখনো আসেনি।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও আলোচক মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেছেন, এখন আমেরিকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা– তারা ইরানের আস্থা অর্জন করতে পারবে কি না। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, যুদ্ধ একটি নিঃশর্ত সাফল্য এবং হাজার হাজার মিসাইল ও বিমান হামলায় ইরানের নৌ ও বিমান প্রতিরক্ষা ধ্বংস হয়েছে, সামরিক বাহিনী চরম মূল্য দিয়েছে এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের একাধিক স্তর নির্মূল হয়েছে। কিন্তু ইরানের ক্রমাগত প্রতিরোধ এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করছে।

ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে কী আছে, যুক্তরাষ্ট্রে কি মানবে?iran-america-flag-update

সহজ শুরু, কঠিন শেষ

স্টিফেন কলিনসনের বিশ্লেষণ একটি পরিচিত প্রবাদকে সামনে আনে–বিদেশে যুদ্ধ শুরু করা প্রেসিডেন্টদের জন্য সহজ, থামানো কঠিন। হরমুজ অবরোধ সেই প্রবাদটিকে মিথ্যা প্রমাণ করার ট্রাম্পের সর্বশেষ প্রচেষ্টা। কিন্তু এই পদক্ষেপ সফল হলেও তার মূল্য ভারিই হবে। আর মার্কিন অনুমোদিত যুদ্ধের দীর্ঘায়িত চরিত্র, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মিত্রজোটে ফাটল এবং ইরানের হরমুজ কর্তৃত্বের বাস্তবতা–এই সবকিছু মিলিয়ে বিশ্বের সামনে একটি কঠিন প্রশ্ন দাঁড়িয়ে আছে: এই যুদ্ধের পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আর কত মূল্য দিতে হবে?

বিষয়: আমেরিকাইরানহরমুজ প্রণালিমধ্যপ্রাচ্যপ্রেসিডেন্টটোলযুক্তরাষ্ট্রচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    শত্রু হামলা চালালে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ‘মৃত্যুফাঁদ’, তেহরানের হুঁশিয়ারি

  • ২

    বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সেবা চালু

  • ৩

    বরিশালে পরিত্যক্ত স্থান থেকে ৯টি ককটেল উদ্ধার

  • ৪

    রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে সুশাসনের ঘাটতি: টিআইবি

  • ৫

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু: সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ