Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই বিনিয়োগের ‘নিরাপদ আশ্রয়’ এশিয়া

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১৬: ১৭
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই বিনিয়োগের ‘নিরাপদ আশ্রয়’ এশিয়া

ক্রমেই খণ্ডিত হয়ে ওঠা বৈশ্বিক ব্যবস্থায় নিজেদের কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাকারী হিসেবে নয়, বরং সক্রিয় অংশীদার হিসেবে তুলে ধরছেন এশিয়ার নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক নেতারা। তাদের লক্ষ্য, পরিবর্তিত বাস্তবতায় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত রয়টার্স নেক্সট এশিয়া অনুষ্ঠানে আলোচনায় এই বার্তাই বারবার উঠে আসে। সরকার, সার্বভৌম সম্পদ তহবিল (সোভরেইন ওয়েলথ ফান্ড) এবং প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আর সাময়িক সংকট নয়; এটি এখন বৈশ্বিক বাস্তবতার স্থায়ী অংশ। তাই স্বল্পমেয়াদি প্রতিক্রিয়ার বদলে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণই সময়ের দাবি।

থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো—বিদেশনীতি ও বিনিয়োগে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া এবং কোনো একক শক্তির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত না করে জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে বাস্তববাদী সহযোগিতা গড়ে তোলা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

থাইল্যান্ডের উপ-অর্থমন্ত্রী সানতিতার্ন সাথিরাথাই বলেন, “এই বিভক্ত বিশ্বে আমরা একটি নির্ভরযোগ্য সংযোগকারী হতে চাই।”

তিনি বলেন, থাইল্যান্ডের অগ্রাধিকার শুধু বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ নয়; বরং বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত করা। কোনো প্রকল্পের মূল্যায়নে সেটি কোন দেশ থেকে এসেছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—সেটি প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহব্যবস্থাকে কতটা শক্তিশালী করছে।

তিনি আরও বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু অংশীদারের সঙ্গে কাজ করাই বেশি যৌক্তিক হবে।”

স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার ওপর জোর

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।

হংকং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী ক্লারা চ্যান বলেন, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা শুধু ঝুঁকি নয়, দীর্ঘমেয়াদি ধৈর্যশীল বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগও তৈরি করছে।

তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে যখন অনিশ্চয়তা ও নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়, তখন আমাদের মতো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সেগুলো ভালো সুযোগও তৈরি করতে পারে।”

চার বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হংকং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন (এইচকেআইসি) ইতিমধ্যে ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে। হংকংয়ের মূল ভূখণ্ড চীনের প্রবেশদ্বার এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আরও সম্প্রসারণ করছে বলে জানান চ্যান।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাছে ভূরাজনৈতিক শিরোনামের চেয়ে নীতিগত স্বচ্ছতা, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের ২+২ কূটনীতির লক্ষ্য ভারত নয়, যুক্তরাষ্ট্রimtiaz ahmed

সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান টেমাসেক-এর প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা রোহিত সিপাহিমালানি বলেন, বিনিয়োগকারীদের মেনে নিতে হবে যে তারা এখন এমন এক বিশ্বের অংশ, যেখানে ভূরাজনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জলবায়ু পরিবর্তন এবং মূল্যস্ফীতি অনিশ্চয়তাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। প্রতিটি ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গেলে বারবার ধাক্কা খেতে হবে।

তিনি বলেন, এর পরিবর্তে বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, স্বয়ংসম্পূর্ণ সরবরাহব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর ভিত্তি করে এমন বিনিয়োগ পোর্টফোলিও গড়ে তুলতে হবে, যা ভূরাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যেও টিকে থাকতে পারে।

রোহিতের ভাষায়, “সব ধরনের অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। আবার প্রতিটি ঘটনার প্রতিক্রিয়াও দেওয়া যায় না।”

সুযোগের কেন্দ্র হিসেবে এশিয়া

প্রাইভেট ইকুইটি খাতের বিনিয়োগকারীরাও একই মূল্যায়ন তুলে ধরেন। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বিস্তৃত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এখন নতুন বিনিয়োগ বাস্তবতার অংশ হলেও, এতে এশিয়ার আকর্ষণ কমেনি; বরং আরও বেড়েছে।

গোল্ডম্যান স্যাকসের এশিয়া প্রাইভেট ইকুইটি বিভাগের প্রধান স্টেফানি হুই বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর দুই-তৃতীয়াংশই এশিয়ায় থাকবে এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্রায় ৬০ শতাংশ আসবে এই অঞ্চল থেকে। তাই বিনিয়োগকারীরা ক্রমেই এশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন।”

প্রিমাভেরা ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রেড হু বলেন, বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেক, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের প্রায় ৪০ শতাংশই এশিয়ার অংশ। পাশাপাশি এশিয়া এখনো বিশ্বের অপরিহার্য উৎপাদনকেন্দ্র। ফলে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই অঞ্চল কার্যত একটি “নিরাপদ আশ্রয়”।

তিনি বলেন, “আমেরিকায় যুদ্ধ হয়েছে, ইউরোপে যুদ্ধ হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু এশিয়া তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল।”

বেইন ক্যাপিটালের সাতোশি উয়েয়ামা বলেন, এশিয়ার বৈচিত্র্যই এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি। জাপানের করপোরেট সংস্কার, ভারতের জনমিতিক সুবিধা ও অবকাঠামোনির্ভর প্রবৃদ্ধি, চীনের ধারাবাহিক উদ্ভাবন এবং সরবরাহব্যবস্থার বৈচিত্র্য আনতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূমিকা—সব মিলিয়ে এশিয়া বিনিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার অঞ্চল হিসেবে রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, “এশিয়া এখনো অসাধারণ বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে চলেছে।”

বিষয়: অর্থনীতিসিঙ্গাপুরবিনিয়োগভূরাজনীতিহংকংথাইল্যান্ডযুক্তরাষ্ট্রচীনএশিয়া
সর্বশেষ
  • ১

    ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: আইরিন খান

  • ২

    ঢামেকে হাজতির মৃত্যু

  • ৩

    শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজে মিলল ৯ কেজির বেশি স্বর্ণ

  • ৪

    সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, নিজেদের বাংলাদেশি ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    কলেজে অনুপস্থিত, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ

সম্পর্কিত
  • বাংলাদেশ কি মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেবে?

    বাংলাদেশ কি মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেবে?

    আগস্টের শুরুতে কার্যকর হওয়া ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্টের’ লক্ষ্য হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

  • সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি, অর্থনীতিতে বাড়তি চাপের শঙ্কা

    সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি, অর্থনীতিতে বাড়তি চাপের শঙ্কা

    সরকার বলছে, দীর্ঘদিন পর বেতন কাঠামো সমন্বয়ের ফলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। তারা আরও ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। ঘুষ-দুর্নীতি কমবে। তবে, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দ্বন্দ্ব: পুরোনো ভাঙছে, নতুন গড়ছে ধীরে

    যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দ্বন্দ্ব: পুরোনো ভাঙছে, নতুন গড়ছে ধীরে

    বিশ্ব রাজনীতি এখন এমন এক উত্তরণপর্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে পুরোনো শক্তির কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি, আবার নতুন কোনো ব্যবস্থা স্থায়ী রূপও পায়নি। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সাম্প্রতিক সময়ে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কোঅপারেশন

  • মার্কিন সেনাবাহিনীতে বড় বড় পদত্যাগ কেন ঘটছে?

    মার্কিন সেনাবাহিনীতে বড় বড় পদত্যাগ কেন ঘটছে?

    মার্কিন সেনাবাহিনী সচিব ড্যান ড্রিসকল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী একাধিক সূত্র বিষয়টি তাদের নিশ্চিত করেছে।