বরিশাল প্রতিনিধি

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ আবারও বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন বিআরটিসি বাস ডিপোর সামনে থেকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বরিশাল বোর্ডের সামনে আসেন।
এ সময় পরীক্ষার্থী আদনান হোসেন বলেন, “আমাদের এভাবে কোনো কটুক্তি করার অধিকার শিক্ষামন্ত্রী রাখে না। তিনি প্রকাশ্যে আমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করুক। তা না হলে আন্দোলন আরো বৃহৎ আকার ধারণ করবে।”
আরেক পরীক্ষার্থী তন্ময় অভিযোগ করে বলেন, “এমন প্রশ্নপত্র করছে যা বইতেই খুঁজে পাই না। আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলে আমাদের আবার ফার্মের মুরগী বলছে।”
এইচএসসি পরীক্ষার্থী হুমায়রা বলেন, “ঢাকায় আমাদের আন্দোলনকারীদের উপর কেন লাঠিচার্জ করা হলো? এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমাদের সাথে বোর্ড চেয়ারম্যানের কথা হয়েছে। তিনি আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন এবারে আমাদের সাথে যা হয়েছে ২৭ সালের ব্যাচের সাথে এমনটা হবে না।”
আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা প্রসঙ্গে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে কেন্দ্রে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। আমি তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট ভাবে জানতে চেয়েছি। তারা আমার কাছে জানতে চেয়েছে পরীক্ষায় যেমন কড়াকড়ি হয়েছে উত্তরপত্র মূল্যায়নেও এমন কড়াকড়ি হবে কিনা। তখন আমি বলেছি শিক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে কড়াকড়ি থাকে না।”
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বরিশাল বোর্ড এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা রয়েছে যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ আবারও বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন বিআরটিসি বাস ডিপোর সামনে থেকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বরিশাল বোর্ডের সামনে আসেন।
এ সময় পরীক্ষার্থী আদনান হোসেন বলেন, “আমাদের এভাবে কোনো কটুক্তি করার অধিকার শিক্ষামন্ত্রী রাখে না। তিনি প্রকাশ্যে আমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে পদত্যাগ করুক। তা না হলে আন্দোলন আরো বৃহৎ আকার ধারণ করবে।”
আরেক পরীক্ষার্থী তন্ময় অভিযোগ করে বলেন, “এমন প্রশ্নপত্র করছে যা বইতেই খুঁজে পাই না। আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলে আমাদের আবার ফার্মের মুরগী বলছে।”
এইচএসসি পরীক্ষার্থী হুমায়রা বলেন, “ঢাকায় আমাদের আন্দোলনকারীদের উপর কেন লাঠিচার্জ করা হলো? এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমাদের সাথে বোর্ড চেয়ারম্যানের কথা হয়েছে। তিনি আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন এবারে আমাদের সাথে যা হয়েছে ২৭ সালের ব্যাচের সাথে এমনটা হবে না।”
আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা প্রসঙ্গে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে কেন্দ্রে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। আমি তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট ভাবে জানতে চেয়েছি। তারা আমার কাছে জানতে চেয়েছে পরীক্ষায় যেমন কড়াকড়ি হয়েছে উত্তরপত্র মূল্যায়নেও এমন কড়াকড়ি হবে কিনা। তখন আমি বলেছি শিক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে কড়াকড়ি থাকে না।”
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বরিশাল বোর্ড এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা রয়েছে যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে।