দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এ নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার সেই বৈঠকের অন্যতম আলোচিত ফলাফল হলো– চীন শিগগিরই আটলান্টার চিড়িয়াখানায় দুটি বিশাল পান্ডা পাঠাবে!
এর আগে মে মাসে সি-র সঙ্গে প্রথম দফা বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। ওই বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে ‘অচলাবস্থার সম্মেলন’ নামে পরিচিত পেয়েছিল।
আর ট্রাম্প ও সি-র সর্বশেষ বৈঠকটি নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলেছে, এই বৈঠকে কূটনীতির চেয়ে ‘দূতাবাসনির্ভর বিনোদন’ বা লোক দেখানো ভাবই বেশি ছিল। বাস্তব অগ্রগতির চেয়ে বৈঠকে জাঁকজমক ছিল বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই বৈঠকে এআই-এর নিয়ন্ত্রণ, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি, ইরান যুদ্ধের পরিণতি…মহাগুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ই অ্যাজেন্ডায় থাকার কথা ছিল। কিন্তু হলো কী? চীনের দিক থেকে দুটি পান্ডা উপহার দেওয়ার বাইরে এই বৈঠকের সবচেয়ে ‘বড়’ সিদ্ধান্ত–দুই দেশের বাণিজ্যযুদ্ধে ‘শান্তিচুক্তি’র মেয়াদ মাত্র দুই মাসের জন্য বেড়েছে!
বুধবার সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালে ট্রাম্প তাকে বেশ জাঁকজমকের সঙ্গে স্বাগত জানান। কয়েক দশকের রীতি ভেঙে চীনা নেতাকে যৌথ সামরিক ঘাঁটি অ্যান্ড্রুজে গিয়ে নিজেই স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট। এরপর শুরু হয় সি চিনপিংয়ের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর।
এই সফরে ট্রাম্পের নতুন হেলিপ্যাড ও ‘মেরিন ওয়ান’ হেলিকপ্টার ঘুরিয়ে দেখানো হয় তাকে। এরপর দুই নেতা ৯০ মিনিট বৈঠক করেন। ট্রাম্প বৈঠকটিকে ‘দারুণ’ বলে বর্ণনা করেন। এ-ও জানান, সি চিনপিংয়ের গ্রানাইটের প্রতি ‘বেশ আগ্রহ’ রয়েছে। বাইডেন প্রশাসনের সময় চীনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করা জুলিয়ান গেওয়ার্টজ দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ট্রাম্পকে সি চিনপিংয়ের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে সম্মান দেখাতে দেখা গেছে।”
তবে বৈঠকে বাস্তবে কী অর্জন হলো?
এই বৈঠকের আগে থেকেই বড় কোনো অগ্রগতির তেমন আশা ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে ফলাফল এসেছে, প্রত্যাশা এতটাও কম ছিল না!
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বিষয়গুলোর একটি হলো বাণিজ্য। গত বছর ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর একের পর এক শুল্কারোপ করেন। তখন হোয়াইট হাউস চীনের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি ছিল, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে এবং বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন তখন বলেছিল, চীনা পণ্যের আমদানি কমানো এবং চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই ছিল এসব শুল্কের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশ্লেষকদের ধারণা, কিছুটা হলেও এতে কাজ হয়েছে। গত বছর চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমে ২০০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। ২০২৪ সালে এই ঘাটতি ছিল প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার।
তবে এই ঘাটতির একটি অংশ আসলে অন্য দেশের মাধ্যমে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর কারণে হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। গত বছর চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়–এতে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতির সম্মিলিত আকারই বিশ্বের মোট অর্থনীতির ৪৩ শতাংশ। তাই দুই দেশের বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতেই পড়ে। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে দুই দেশ যখন সাময়িকভাবে বাণিজ্যযুদ্ধ থামাতে রাজি হয়, তখন এতে শুধু চীন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তারাও স্বস্তি পেয়েছিল।
এই সাময়িক সমঝোতার মেয়াদ আগামী নভেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা। রপ্তানিনির্ভর চীন চেয়েছিল, এই সমঝোতার মেয়াদ বাড়িয়ে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত করা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার জানা যায়, এক দশকেরও বেশি সময় পর সি চিনপিংয়ের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরে এই সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে মাত্র দুই মাসের জন্য।
দ্য গার্ডিয়ানকে এশিয়া সোসাইটির জ্যেষ্ঠ গবেষক নিল থমাস বলেন, “এই সম্মেলনের জাঁকজমক ও আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া তেমন কোনো প্রস্তুতি ছিল না। এ সিদ্ধান্তে সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।”
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং বলেন, “এই সম্মেলনে বাস্তব বিষয়ের চেয়ে প্রতীকী বিষয় ও আনুষ্ঠানিকতাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। বিষয়টি খুবই স্পষ্ট।” তিনি বলেন, সমঝোতার মেয়াদ মাত্র দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, ট্রাম্পের শুল্কের বিরুদ্ধে চীনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল–বিরল খনিজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া। এসব খনিজ যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে চীনের ওপর চাপ তৈরিতে ট্রাম্পের কৌশল অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
জুলিয়ান গেওয়ার্টজ বলেন, “চীনের পাল্টা পদক্ষেপ ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। চীনের বিরুদ্ধে ঝুঁকি নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ কমে গেছে বলে মনে হচ্ছে।”
বাণিজ্য নিয়ে সমঝোতা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কোনো বিষয়েই সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এসব বিষয়ের মধ্যে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান, ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং মানবাধিকার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ানকে চীন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখে। বৈঠকে সি চিনপিং ট্রাম্পের ওপর চাপ দেন, যেন যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন কমায়। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বিরোধের বিষয়।
কূটনৈতিক সাফল্যে কে এগিয়ে?
রয়টার্স বলছে, বৈঠকের পর ট্রাম্প দুই দেশের মধ্যে থাকা মতপার্থক্যগুলো প্রকাশ্যে তুলে ধরতে তেমন আগ্রহ দেখাননি। ট্রাম্পের এই তুলনামূলক শান্ত অবস্থান তার আগের কঠোর নীতির সঙ্গে একেবারেই আলাদা।
যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বলছে, তারা তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না। কিন্তু চীন চাইছে, যুক্তরাষ্ট্র আরও এক ধাপ এগিয়ে স্পষ্টভাবে বলুক–তারা তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে। যুক্তরাষ্ট্র যদি এমন কথা বলে, তাহলে সেটি চীনের জন্য বড় কূটনৈতিক সুবিধা হবে। তবে ট্রাম্প এখনো প্রকাশ্যে বলেননি যে তিনি চীনের এই অবস্থানে সম্মত হয়েছেন কি না।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে। ট্রাম্প এখনো এই অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেননি। চীন চাইছে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাইওয়ানকে এই অস্ত্র না দেয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্প কাজের চেয়ে জাঁকজমক ও আনুষ্ঠানিকতাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়গুলোতে ট্রাম্প কোনো বড় চুক্তি করতে পারেননি।
আবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ঝুঁকি বা সতর্কতার কথা উঠলেও ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে নতুন কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে চাননি। তিনি বলেছেন, বর্তমান অবস্থাই তিনি বজায় রাখতে চান। তার দাবি, চীনের অবস্থানও একই।
অন্যদিকে, চীনের জন্য এই বৈঠকে বড় কোনো চুক্তি বা ঘোষণা না হওয়াটাও খারাপ ফল নয়। কারণ এতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় কোনো চাপ বা শর্ত মেনে নিতে হয়নি। একই সঙ্গে সি চিনপিং যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মান পেয়েছেন। তার মানে, চীন বড় কোনো ছাড় না দিয়েই এই সফর থেকে কূটনৈতিকভাবে কিছু সুবিধা পেয়েছে।
নিল থমাস দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, চীনের দিক থেকে সম্মেলনটি খুব ভালো হয়েছে। তার মতে, সি চিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে অনেক সম্মান পেয়েছেন, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেয়েছেন এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রেসিডেন্টকে বিশ্বমঞ্চে সমান মর্যাদায় একসঙ্গে দেখা গেছে। অথচ এর বিনিময়ে চীনকে বড় কোনো ছাড় বা সমঝোতা করতে হয়নি।
ট্রাম্পের গলার জোর কূটনীতিতে দেখা যাচ্ছে না?
জাতিসংঘে কড়া ভাষণ, ইরানকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি, ভেনেজুয়েলার তেলকে ‘গণিমতের মাল’ হিসেবে দেখানো…সব মিলিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সপ্তাহে বিশ্বমঞ্চে নিজের শক্তি দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক মাসে সার্বিক পরিস্থিতি এবং সর্বশেষ সি চিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠকের পর রয়টার্সের বিশ্লেষণ, ট্রাম্পের ‘গলার জোর’টা বাস্তব কূটনীতিতে আর দেখা যাচ্ছে না। বরং মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউক্রেন—বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্প এখন বিশ্বনেতাদের পাল্টা প্রতিরোধের মুখে পড়ছেন।
জাতিসংঘে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমেরিকা ফিরে এসেছে, আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে।” কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, সাত মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ক্রমেই জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন ট্রাম্প। ইউরোপ ও এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের সহায়তার আহ্বানে এগিয়ে আসেনি।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকেও ট্রাম্পের দুর্বলতাই ফুটে উঠেছে। বৈঠকটাতে কেবল জাঁকজমকই দেখা গেছে। এআই, বাণিজ্য, তাইওয়ান, ইউক্রেন ও ইরান নিয়ে বড় কোনো সমঝোতা হয়নি। স্পষ্টভাবে যা বোঝা গেছে, তা হলো, বিরল খনিজের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণের সামনে ট্রাম্পের কঠোর শুল্কনীতি মিইয়ে গেছে।
ওবামা প্রশাসনের সময় পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রেট ব্রুয়েন রয়টার্সকে বলেন, ট্রাম্প এমন একটি বিশ্বব্যবস্থা চান, যেখানে শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের সিদ্ধান্ত অন্যদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। তবে সি চিনপিং ও চীনের বাড়তে থাকা শক্তির সামনে ট্রাম্পের অবস্থান অনেকটাই নরম হয়ে যায়।
শুধু চীনই নয়, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধেও ট্রাম্পের কূটনীতি কাজে আসেনি। এমনকি দেশ দুটিকে সীমিত পরিসরে শুধু জ্বালানি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোকে যুদ্ধের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাবেও রাজি করাতে পারেননি ট্রাম্প। গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন এক সময়, শেষ পর্যন্ত গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর চুক্তি করেই ক্ষান্ত হলেন–কিংবা, ক্ষান্ত হতে হলো তাকে। ফ্রান্সের মতো অনেক দেশ ট্রাম্পের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে বক্তব্য নিয়মিতই দিচ্ছে। মধ্যম শক্তির অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিজেদের জোট গড়ার দিকে যাচ্ছে।
ইউরেশিয়া গ্রুপের প্রধান ইয়ান ব্রেমার লিখেছেন, “এক বছর আগে খুব কম দেশই ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস করত। আর এখন…অন্যরাও তাঁকে না বলতেই বেশি আগ্রহী।”
ট্রাম্প নিজেই জাতিসংঘে বলেছেন, “দেখা যাক, আমার কোনো ক্ষমতা আছে কি না। হয়তো আছে, হয়তো নেই।”