সমাজ

সুকুমার রায়ের লেখা সবই কি ‘ননসেন্স?
সুকুমার রায় শুধু আবোল-তাবোলের স্রষ্টা নন, তিনি ছিলেন সাহিত্য, বিজ্ঞান, চিত্রকলা ও মুদ্রণপ্রযুক্তিতে অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। ননসেন্স ছড়া ও উদ্ভট চরিত্রের আড়ালে তিনি তুলে ধরেছেন সমাজ, মানুষ ও মানুষের আচরণের তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যতের সমাজ
যেখানে উন্নয়ন থাকবে, কিন্তু মানবতা হারাবে না। যেখানে প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু বিবেক পরাজিত হবে না। যেখানে স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু দায়িত্ব ভুলে যাওয়া হবে না।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যতের সমাজ
টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য অপরিহার্য। প্রকৃতি রক্ষা শুধু পরিবেশের বিষয় নয়; এটি মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ রক্ষার বিষয়।

কালচারাল ফ্যাসিস্ট চেনে কেমনে?
বাংলাদেশে কিছুদিন আগেও ‘ফ্যাসিবাদ’ বা ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দই বেশি আলোচিত ছিল। সেই জায়গা এখন ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে ‘কালচারাল ফ্যাসিজম’ বা ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’। এমন বাস্তবতায় প্রশ্ন ওঠে যে, এই কালচারাল ফ্যাসিস্ট আসলে চেনা যায় কীভাবে? বর্তমান দুনিয়ায় ফ্যাসিবাদের লক্ষণ বহুবিধ, বৈচিত্র্যময়। ইতালি, জ

বিচ্ছিন্নতার এই যুগে সমাজের মানবিক রূপান্তরের পথ কী?
“যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের—মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা।”–জীবনানন্দ দাশ পঙ্ক্তিটি অনায়াসেই আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয় এক গভীর ও নিগূঢ় সত্তাতাত্ত্বিক সত্যের মুখোমুখি।

‘ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে, অনেকগুলোই সাইনবোর্ডসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান’
আহমদ ছফার লেখা ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ বইটি প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৭২ সালে। এর ২৫ বছর পর ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’, যা ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’-এর পরিবর্ধিত সংস্করণ। এই সংস্করণে আহমদ ছফা দীর্ঘ একটি ভূমিকা লেখেন।

‘ওনারা সুযোগ মিস করলেন’
জুলাই আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ কেমন আছে? অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের কাঙ্ক্ষিত রূপান্তর হলো কি? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের বড় মেয়ে শারমিন আহমদ

লেডিস ফার্স্ট তো অনেক হলো, এবার জেন্টলম্যান ফার্স্ট হোক!
পরিকল্পনাটা ছিল মহাকাব্যিক। সমাজ যখন তাদের প্রেম মেনে নেবে না, তখন তারা সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যমুনার বুকে একসঙ্গে ঝাঁপ দেবেন। ইতিহাসে লেখা থাকবে, “দুই প্রেমিক-প্রেমিকা একসঙ্গে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন।”

ভয়
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কোনো বর্বরতাই চিরস্থায়ী হতে পারেনি। তাই প্রশ্ন হলো আমরা কোন পাশে গিয়ে দাঁড়াব? উত্তরাধিকারের পক্ষে, নাকি ক্রমবিবর্তনের পক্ষে?

একা ঘরে মায়ের মৃত্যু: সভ্য সমাজের জন্য এক নির্মম লজ্জা
আজ আমরা সন্তানদের ডাক্তার, প্রকৌশলী, আমলা, শিক্ষক বা বড় কর্মকর্তা বানানোর জন্য সর্বস্ব ব্যয় করছি। ভালো স্কুল, কোচিং, বিশ্ববিদ্যালয়—সবকিছুর পেছনে ছুটছি। কিন্তু আমরা কি সমান গুরুত্ব দিয়ে তাদের মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছি?

‘ওয়ায়াং উইমেন’ আসলে কারা? তারা কেন ভূত খুঁজছে?
জাকার্তা ও জাভার নারী পুতুলনাচ শিল্পীদের প্রথা ভাঙার লড়াইকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে বহুজাতিক দল ‘ওয়ায়াং উইমেন’। তাদের কাছে এই পুতুলনাচ কেবল বিনোদন নয়, বরং সমাজের চিরাচরিত কুসংস্কার ও লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে এক শৈল্পিক প্রতিবাদ।

সমাজ ও রাষ্ট্রের লজ্জা আদতেই কি আছে?
মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রের নৈতিক কাঠামো একবার পুরোপুরি ভেঙে পড়লে শুধু আইন দিয়ে তা আর মেরামত করা যায় না। আসলে এই দেশের, সমাজের ভেতরে অসুখ হয়েছে। বহুকাল ধরেই, এখানে মৃত্যু শুধু দেহের শেষ নয়;

সামাজিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী
দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

চলমান জীবনের গান গেয়েছেন যে আলোকচিত্রী
রঘু রাই যেভাবে ভারতীয়দের আবেগ-অনুভূতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতিকে ছবির ভাষায় বুঝতে চেয়েছিলেন—তা বিস্ময়কর। ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতির এতটাই বর্ণাঢ্য ও বিস্তৃত যে, পশ্চিমাদের বারবার এই অঞ্চলে ছুটে আসতে হয়েছে। রঘু রাই গোড়াতেই বুঝতে পেরেছিলেন, তার বাড়ির কাছেই আরশিনগর।

আমরা কি সমালোচনার সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি?
কার্ল ইয়ুং-এর ভাষায়, “অন্যের যে আচরণ আমাদের বিরক্ত করে, তা অনেক সময় আমাদের নিজের অচেনা দিককে বুঝতে সাহায্য করে।”অর্থাৎ, অন্যের দোষ খোঁজার প্রবণতা প্রায়ই নিজের ভেতরের অসমাধানকৃত দ্বন্দ্বের প্রতিফলন।

হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করা হয়নি কেন?
বাংলাদেশের নাটক এখন কি সত্যিই খারাপ হচ্ছে? হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কেন কাজ করা হলো না নাদের চৌধুরীর? সমাজ ও রাষ্ট্র কি ইচ্ছা করেই দুস্থ শিল্পী তৈরি করে? চরচার ঈদ বিশেষ আয়োজনে এসব নানা দিক নিয়ে আলাপ করেছেন অভিনেতা নাদের চৌধুরী...

‘সমাজশক্তি ভুলে সব ক্ষেত্রেই আমরা অনেক বেশি রাষ্ট্রনির্ভর হয়ে গেছি’
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের যাত্রা কীভাবে হলো? মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের স্মারক সংগ্রহ হয়েছিল কীভাবে? সমাজ ও রাষ্ট্রকে কি আমরা গুলিয়ে ফেলছি? মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কী ধরনের বাধার মুখোমুখি হয়েছে? মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ৩০ বছর পূর্তি হয়েছে গত ২২ মার্চ।

‘আমি দুস্থ শিল্পী হতে চাই না’
বাংলাদেশের নাটক এখন কি সত্যিই খারাপ হচ্ছে? হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কেন কাজ করা হলো না নাদের চৌধুরীর? সমাজ ও রাষ্ট্র কি ইচ্ছা করেই দুস্থ শিল্পী তৈরি করে? চরচার ঈদ বিশেষ আয়োজনে এসব নানা দিক নিয়ে আলাপ করেছেন অভিনেতা নাদের চৌধুরী

তরুণদের আত্মহত্যা: উন্নয়নের আড়ালে অদৃশ্য সংকট
প্রশ্ন জাগে—কেন এমন হচ্ছে? কেন এত সম্ভাবনাময় তরুণরা জীবনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে?

‘ধর্ষণের খবর নিয়ে খারাপ লাগা কাজ করে ১ মিনিট মাত্র’
ধর্ষণের প্রতিবাদ করতে একাই নেমেছেন তিনি। একা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিদিন রাস্তায় দাঁড়ান। ১০ দিন পর তার সঙ্গে দাঁড়ানোর জন্য সাড়া পান। কিন্তু এভাবে কি বিচার মিলবে? ছেলেমেয়ে একসঙ্গে শিক্ষা কমে যাওয়াটা কি সমাজে নারীর প্রতি বিরুফ দৃষ্টিভঙ্গি বাড়ার কারণ? পরিবারের শিক্ষা এ ক্ষেত্রে কী করতে পারে?


