
দ্বিতীয় দিন শেষেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ঘুরে দাঁড়াতে দরকার ছিল ব্যাটসম্যানদের বিশেষ কিছু করার। তবে প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ টপ অর্ডার। তিন দিনেই তাই ইনিংস পরাজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মাত্র ১৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে ৩৫০ করে লিড নিয়েছে ২১০ রানের।
দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় (৩ রান) ও অমিত হাসানও (৪ রান) পারেননি চাপ সামাল দিতে। দুই প্রান্ত থেকে জিম্বাবুয়ে পেসারদের অসাধারণ বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রান তুলতেই শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি সাদমান ইসলাম। তার জায়গায় খেলা তানজিদ হাসান খুব একটা খারাপ করেননি। তবে ওপেনিং নিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংকট আবার ফিরে আসল হারারে টেস্টের প্রথম দিনে। শুরুতেই সাজঘরে ফিরেছেন একাদশে ফেরা সাদমান ও মাহমুদুল হাসান।

টেস্টে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানো দল। সম্প্রতি তারা পাকিস্তানকে ঘরে-বাইরে টানা চার টেস্টে হারানোর কীর্তি গড়েছে । তাই ইংল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের সেরা প্রস্তুতির জন্য নাজমুল-লিটনদের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী হয়েছে।

এই যখন বাস্তবতা, তখন আগামীতে কে চাইবে শুধু টেস্ট খেলতে? তামিম ইকবালের বোর্ডকে দিতে হবে এই প্রশ্নের উত্তর আর সরকারকে নিতে হবে কার্যকরী পদক্ষেপ। কেবল তাহলেই তরুণরা টেস্ট ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে চাইবেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে চলাকালীন টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহীদ হৃদয়।

ক্রিকেটে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো দিনের বেলার টেস্টেও প্রচলিত লাল বলের বদলে গোলাপি বল ব্যবহারের অনুমোদন।

নাহিদ রানার গতি এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আলোচনায় এনেছে। ক্রিকেট দুনিয়া মুগ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই গতি তারকার বোলিংয়ে। কিন্তু ইতিহাস বলে, ফাস্ট বোলাররা চোটপ্রবণ। অতীতে অনেক গতিময় ফাস্ট বোলাররাই চোটের কারণে নিজেদের গতি কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছেন কিংবা চোটের কারণে সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে তাদের ক্যারিয়ার

২০০৩ সালের মুলতান টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরুর আগেই বাংলাদেশে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ক্রিজে ইনজামাম-উল-হকের মতো ব্যাটসম্যান থাকলেও পাকিস্তান যে ম্যাচটা জিতে যেতে পারে, সেই বাস্তবতা যেন সবাই ভুলেই গিয়েছিল।

শেষ দিনে তিন উইকেট হাতে রেখে পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১২১ রান। ঢাকার মতো সিলেটে কি জয় তুলে নেবে বাংলাদেশ, নাকি তবে অপেক্ষা করছে রোমাঞ্চকর এক সমাপ্তি।

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন চা-বিরতির আগে টপাটপ তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে এখন পাকিস্তান। ৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ২০৮ রান। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ২২৯ রান।

চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে ২৪ ওভার খেলা হয়েছে। পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০২। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৩৩৬ রান।

শতক পূর্ণ হতেই সেই খ্যাপাটে উদযাপন। এক হাতে ব্যাট ঘুরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে কী যেন বললেন। এরপর ‘কাম অন’ চিৎকারে পাকিস্তানের অসহায় বোলারদের যেন আরও কুঁকড়ে দিতে চাইলেন।

শতক পূর্ণ হতেই সেই খ্যাপাটে উদযাপন। এক হাতে ব্যাট ঘুরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে কী যেন বললেন। এরপর ‘কাম অন’ চিৎকারে পাকিস্তানের অসহায় বোলারদের যেন আরও কুঁকড়ে দিতে চাইলেন।