টেস্ট ক্রিকেট

‘পাসপোর্ট না থাকা’ পাকিস্তান তরুণের ইংলিশ রুপকথা
নাম রাজাউল্লাহ, ডানহাতি পেস বোলার, জন্ম পেশায়োরের মারদান গ্রামে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টের আগে দেওয়ার মতো এতটুকু পরিচয়ই ছিল পাকিস্তানের এই তরুণ পেসারের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন, এক সপ্তাহ আগেও বিষয়টি ছিল তার কল্পনার বাইরে। সেই রাজাউল্লাহকে তার গ্রাম থেকে তুলে এনে সোজা ইংল্যান্ড

তাওহীদ হৃদয় ৩৫০*, দ.আফ্রিকায় ইতিহাস
তাওহীদের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, একদম শুরু থেকেই ইনিংসটা আবার নতুন করে সাজাচ্ছেন। অন্যপ্রান্তে দুই উইকেট পড়ে গেলেও তাওহীদের আশা টিকিয়ে রাখেন দশে নামা রেজাউর রহমান রাজা। একপ্রান্ত আগলে মাটি কামড়ে ব্যাট করে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

‘আমরা জানিনা সাফল্যকে কীভাবে উদযাপন করতে হয়’
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে যেন আকাশে উড়ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কিন্তু পরের টেস্টেই রীতিমতো নাকানিচুবানি খেয়ে হার। দুই ইনিংসের একটিতেও ১০০ ছোঁয়া সম্ভব হয়নি। এটাই কি টেস্ট ক্রিকেটের সত্যিকারের বাংলাদেশ? আমরা কি সাফল্য সহ্য করতে পারি না? সার্বিকভাবে দেশের ক্রিকেট কেমন চলছে?

স্পিনে সমস্যা, পেসে নয়? পিচ রেটিং নিয়ে আইসিসির দ্বিচারিতা
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত অ্যাশেজের দুটি টেস্টের মতো ম্যাকাই টেস্টের উইকেটও আলোচিত হয়েছে। মাত্র দুই দিনেই টেস্টটি শেষ হলেও ম্যাচ রেফারি এটিকে ‘খুব ভালো’ রেটিং দিয়েছেন। পুরোনো প্রশ্নটা তাই আবারও চলেই আসছে, আইসিসি কি পিচ রেটিংয়ে সবার জন্য একই নীতি মানছে?

২৬ বছরে এবারই প্রথম, বাংলাদেশকে এমন দিন কেন দেখতে হলো?
টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৬ বছরেও বাংলাদেশ কেন সমীহজাগানিয়া দল হতে পারল না? উত্তর একটাই, অধারাবাহিকতা। ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে যা দরকার সবচেয়ে বেশি, সূচনালগ্ন থেকেই সেটা অনুপস্থিত। দারুণ একটা জয়ের পর সেটা উদযাপনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ সেটা ধরে রাখা, বা অন্তত মোমেন্টামটা ধরে রাখা। কিন্তু অতীতের মত

‘হুকস তত্ত্ব’ মেনে দেড় দিনেই বাংলাদেশের হার
২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম সফরের আগে সাবেক ক্রিকেটার ডেভিড হুকস বলেছিলেন, কীভাবে মাত্র একদিনেই প্রতিপক্ষকে হারাতে পারে অজিরা। সেবার তেমন কিছু হয়নি। তবে ম্যাকাই টেস্টে টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় দুই দিনেই হেরে গেল নাজমুল হোসেনের দল।

৩৩ বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যে কীর্তিতে প্রথম শরীফুল
প্রথম দিনে ছয় উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে নামিয়েছিলেন ধস। শরীফুল ইসলাম দ্বিতীয় দিনেও আলো ছড়িয়েছেন। ইনিংস শেষ করেছেন নামের পাশে সাত উইকেট নিয়ে। আর সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একজন বিদেশী বোলার এই কীর্তি গড়েছিলেন সেই ১৯৯৩ সালে! ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগারে তাই ইতিহাসের পাতায়ও জায়গা করে নি

জেলাপ্রতি ১ রান – বাংলাদেশের এই ধসের কারণ কী?
ডারউইন টেস্টের প্রথম সকালটা ছিল স্বপ্নের। দ্বিতীয় টেস্টের আগের দিন রাতে তাই এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমিয়েছেন, ভোরে উঠে বাংলাদেশের টেস্টটা দেখবেন বলে। তবে যারা একটু দেরিতে উঠেছেন, তাদের জন্য যেন সেটা এক দুঃস্বপ্নই ছিল। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামতে বাধ্য হওয়ার পর ১২ রানে ৫ উইকেট গেল বা

ব্যাটিং ব্যর্থতার পরও বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন শরীফুল
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বপ্নময় টেস্ট অভিষেক তো এমনই হওয়া উচিত। পেস বোলারদের আদর্শ উইকেটে বাংলাদেশকে একশর আগেই গুটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চোখ যখন বড় লিডের দিকে, তখনই ডানা মেললেন শরীফুল ইসলাম। সুইং, ওবল-সিম আর বাউন্সের মিশেলে দম ফেলতে দিলেন না প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদেরও। নাটকীয় প্রথম দিনে তাই দারুণভাবে

ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশকে বাস্তবতা দেখাল অস্ট্রেলিয়া
৩০তম ওভারের শেষ বল, জস হ্যাজেলউডকে চার মারলেন তাইজুল ইসলাম। আর তাতে হাঁফ ছেড়েই যেন বাঁচলেন বাংলাদেশের সমর্থকরা। টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোর যে পার করতে পেরেছে নাজমুল হোসেনের দল। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে মাত্র ৬৪ রানে। টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম স্কোর ৪

এক স্পেলেই বাংলাদেশকে মাটিতে নামালেন স্টার্ক
প্রথম টেস্টের আগে যা নিয়ে ছিল সবার শঙ্কা, দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ঘণ্টায় সেটাই হল ম্যাকাইতে। অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের, বিশেষ করে মিচেল স্টার্কের সামনে রীতিমত খাবি খেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। গতি, বাউন্স আর নিখুঁত লাইন-লেন্থের এক প্রদর্শনীতে প্রথম সেশনেই নাজমুল হোসেনের দলকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়ে

ম্যাকগ্রা জানালেন অস্ট্রেলিয়া কেন বাংলাদেশকে ডাকত না
বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের আত্মপর্যালোচনা নিয়ে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তিন ফাস্ট বোলার ডেমিয়েন ফ্লেমিং, গ্লেন ম্যাকগ্রা ও জেসন গিলেস্পি তাদের পডকাস্ট শো ‘দ্য ফাস্ট বোলিং কার্টেল’-এ বাংলাদেশের অসাধারণ পারফরম্যান্স আর টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান দলের ভুলভ্রান্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

৭ বছরে যেভাবে বদলে গেল টেস্টের বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টির এই যুগে ক্রিকেটারদের টেস্টের প্রতি আকর্ষণ বজায় রাখতে এটি ছিল মাস্টারস্ট্রোক। এই কারণেই বাংলাদেশের টেস্ট দলের অংশ হতে চান সবাই। টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করার পূর্বশর্ত একটা টেস্ট সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

ডারউইন জয়ে যা দেখছেন মাইকেল আথারটন
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট জয়কে টেস্ট ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ও মহাকাব্যিক অধ্যায় বলছেন সাবেক ইংলিশ টেস্ট অধিনায়ক মাইকেল আথারটন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’ পত্রিকায় লেখা এক কলামে বলেছেন, এই জয়ে বাংলাদেশ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সব দর্প, অহম ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।

‘ভয় নিয়ে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া’, ক্ষুব্ধ মার্ক ওয়াহ-গিলক্রিস্টরা
নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া সবসময়ই বিধ্বংসী দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে সবাই ধরেই নিয়েছিল, অনায়াস জয় পাবে প্যাট কামিন্সরা। তবে প্রথম টেস্টে স্রেফ উড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশাল হারের পর চটেছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। মার্ক ওয়াহ তো বলেই দিয়েছেন, ভয় নিয়ে খেলেই হেরেছে তাদের উত্তরসূরিরা। টস

ভারত-পাকিস্তান যা পারেনি, অস্ট্রেলিয়ায় তাই করল বাংলাদেশ
২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দুটি টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। হেরেছিল দুটিতেই। এরপর দেশটিতে সফর করলেও লাল বলের ক্রিকেট খেলা হয়নি। দীর্ঘ খরা কাটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ম্যাচেই জিতে গেছে বাংলাদেশ, আর গড়েছে ইতিহাসও। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্

বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা জয়ের আনন্দ নাজমুলের
টেস্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা অধিনায়ক হয়েছেন আগেই। নেতৃত্ব দিয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে। এর আগে সাক্ষী হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়েরও। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুলের কাছে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয়ই সবচেয়ে বড়।

টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিকভাবে ৯ উইকেটে জয় পাওয়ায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।

‘অস্ট্রেলিয়া জয়’ কেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ঘটনা?
২০০০ সালের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর অনেক স্মরণীয় মুহূর্তই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল উপহার দিয়েছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে উড়িয়ে দিয়ে জেতাটাকেই সবার ওপরে রাখতে হবে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে ৯ উইকেটে হারানোর এই দিনটি—১৬ আগস্ট ২০২৬!

অজুহাত নেই কামিন্সের, সব কৃতিত্ব দিলেন নাজমুলদের
অস্ট্রেলিয়ান সামারের শুরুতে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ বলেই হয়ত কিছুটা গা-ছাড়া ভাব ছিল অস্ট্রেলিয়ার। মাঠের ক্রিকেটে সেই সুযোগ লুফে নিতে ভুল করেনি নাজমুল হোসেনের দল। চার দিন ধরে প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে তুলে নিয়েছে অবিশ্বাস্য এক জয়।


