চরচা ডেস্ক
এক পর্যায়ে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১১৩। মুমিনুল হকের দারুণ এক ফিফটির পরও নাটকীয় ব্যাটিং ধসের শিকার হয়ে ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেল ইনিংস। জিম্বাবুয়ের সাঁড়াশি পেস আক্রমণের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ নাজমুলদের।
প্রথম সেশনেই ছিল বিপদের আভাস। তবে দুই অভিজ্ঞ মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন মিলে তা অনেকটাই সামাল দিয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয় সেশনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের টপ এবং মিডল অর্ডার। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি দুই অভিষিক্ত ব্যাটসম্যানও পারলেন না চাপের মুখে দলের ত্রাতা হতে।
এই সেশনের বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নিউম্যান নিয়ামহুরির এক ওভারে তিনটি চার হাঁকিয়ে মাত্র ৬৪ বলে ফিফটিতে পা রাখেন মুমিনুল। একই বোলারকে এরপর এক ওভারে দুই বাউন্ডারি মারেন নাজমুল।
রান পেলেও নাজমুল ক্রিজে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না। কয়েকবার লাইন মিস করে ‘বিট’ হন। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে মাঝে একবার এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদনে বেঁচে যান মুমিনুল।
দুজনের ৭৭ রানের জুটিতে দাঁড়িয়ে এক পর্যায়ে ভালো অবস্থানেই ছিল বাংলাদেশ। তবে ৬০ রানে মুমিনুলের বিদায়ের পর তাসের ঘরের মত ভেঙে যায় ইনিংস। নাজমুলের পর হতাশ করেন ১০৩তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকুর রহিম (৯ রান)।
দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় (৩ রান) ও অমিত হাসানও (৪ রান) পারেননি চাপ সামাল দিতে। দুই প্রান্ত থেকে জিম্বাবুয়ে পেসারদের অসাধারণ বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রান তুলতেই শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সফলতম বোলার নিয়ামহুরি।
এক পর্যায়ে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১১৩। মুমিনুল হকের দারুণ এক ফিফটির পরও নাটকীয় ব্যাটিং ধসের শিকার হয়ে ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেল ইনিংস। জিম্বাবুয়ের সাঁড়াশি পেস আক্রমণের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ নাজমুলদের।
প্রথম সেশনেই ছিল বিপদের আভাস। তবে দুই অভিজ্ঞ মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন মিলে তা অনেকটাই সামাল দিয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয় সেশনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের টপ এবং মিডল অর্ডার। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি দুই অভিষিক্ত ব্যাটসম্যানও পারলেন না চাপের মুখে দলের ত্রাতা হতে।
এই সেশনের বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নিউম্যান নিয়ামহুরির এক ওভারে তিনটি চার হাঁকিয়ে মাত্র ৬৪ বলে ফিফটিতে পা রাখেন মুমিনুল। একই বোলারকে এরপর এক ওভারে দুই বাউন্ডারি মারেন নাজমুল।
রান পেলেও নাজমুল ক্রিজে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না। কয়েকবার লাইন মিস করে ‘বিট’ হন। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে মাঝে একবার এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদনে বেঁচে যান মুমিনুল।
দুজনের ৭৭ রানের জুটিতে দাঁড়িয়ে এক পর্যায়ে ভালো অবস্থানেই ছিল বাংলাদেশ। তবে ৬০ রানে মুমিনুলের বিদায়ের পর তাসের ঘরের মত ভেঙে যায় ইনিংস। নাজমুলের পর হতাশ করেন ১০৩তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকুর রহিম (৯ রান)।
দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় (৩ রান) ও অমিত হাসানও (৪ রান) পারেননি চাপ সামাল দিতে। দুই প্রান্ত থেকে জিম্বাবুয়ে পেসারদের অসাধারণ বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রান তুলতেই শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সফলতম বোলার নিয়ামহুরি।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের গড় এইচএসসি শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর সমমানের। এই বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।