
তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ১৪৪ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজে সমতা ১-১ ব্যবধানে।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়ে বুলাওয়েতে জিতেছে ৩৪ রানে। ১৮৭ রানের টার্গেটে জিম্বাবুয়ে গুটিয়ে গেছে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানেই।

আর চারটা রান করতেই পারলেই রেকর্ডের পাতায় চলে যেতেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর পারেননি তার। এই একটি হতাশা থাকলেও এই দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যে ব্যাটিংটা করলেন, সেটা গোটা সফরে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স। সঙ্গে শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় একটা স্কোরই প

৮তম ওভারে পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে নাহিদ আশা জাগিয়েছিলেন ১৬০ রানের মধ্যে আটকে দেওয়ার। তবে শেষ ওভারে তিনি নিজেই খরুচে বোলিং করে দেন ১৮ রান।

দ্বিতীয় দিন শেষেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ঘুরে দাঁড়াতে দরকার ছিল ব্যাটসম্যানদের বিশেষ কিছু করার। তবে প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ টপ অর্ডার। তিন দিনেই তাই ইনিংস পরাজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মাত্র ১৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে ৩৫০ করে লিড নিয়েছে ২১০ রানের।

১ উইকেটে ১৩৬ রান দিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল হক বলেছিলেন, লিড ১০০ রানের মধ্যে রাখতে চান তারা। তবে সফরকারীদের হতাশ করে দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতির আগপর্যন্ত জিম্বাবুয়ের রান ২ উইকেটে ২৪৯, লিড ১০৯ রানের।
দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় (৩ রান) ও অমিত হাসানও (৪ রান) পারেননি চাপ সামাল দিতে। দুই প্রান্ত থেকে জিম্বাবুয়ে পেসারদের অসাধারণ বোলিংয়ে মাত্র ২৭ রান তুলতেই শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি সাদমান ইসলাম। তার জায়গায় খেলা তানজিদ হাসান খুব একটা খারাপ করেননি। তবে ওপেনিং নিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংকট আবার ফিরে আসল হারারে টেস্টের প্রথম দিনে। শুরুতেই সাজঘরে ফিরেছেন একাদশে ফেরা সাদমান ও মাহমুদুল হাসান।

মিরাজের ফেরা বাদে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দল থেকে আর কোনো পরিবর্তন নেই দলে। তৃতীয় ম্যাচে তার জায়গায় ডাক পাওয়া শেখ মাহেদি হাসান বাদ পড়েছেন।

শতক পূর্ণ হতেই সেই খ্যাপাটে উদযাপন। এক হাতে ব্যাট ঘুরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে কী যেন বললেন। এরপর ‘কাম অন’ চিৎকারে পাকিস্তানের অসহায় বোলারদের যেন আরও কুঁকড়ে দিতে চাইলেন।