চরচা প্রতিবেদক

আর চারটা রান করতেই পারলেই রেকর্ডের পাতায় চলে যেতেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর পারেননি তার। এই একটি হতাশা থাকলেও এই দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যে ব্যাটিংটা করলেন, সেটা গোটা সফরে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স। সঙ্গে শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় একটা স্কোরই পেয়ে গেল বাংলাদেশ।
বুলাওয়েতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাইফ ও তানজিদের ফিফটিতে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান করেছে বাংলাদেশ।
তবে এই রানটা আরও বেশি হতে পারত, যদি মাঝের ওভারে ব্যাটসম্যানরা খেই না হারাতেন। বিনা উইকেটে ১২০ রান করে ফেলার পর পরের ২১ রান তুলতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফের ব্যাটিং ধসের শঙ্কা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেটা হতে দেননি সাইফউদ্দিন ও ইয়াসির আলি।
প্রথম ম্যাচেও শুরুতে ঝড় তুলেছিলেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান জুটি। সেই ধারায় এদিনও তারা প্রথম থেকেই প্রতিপক্ষের বোলারদের চাপে ফেলার চেষ্টা চালান। তানজিদ সেই কাজে সফল হলেও সাইফ একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। ৮, ১৭ ও ১৯ রানের মধ্যেই পেয়ে যান তিনটি ‘জীবন’।
এরপরও একটা বড় ইনিংস না খেললে ভীষণ চাপেই পড়ে যেতেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তবে অন্যপ্রান্তে তানজিদ ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে বজায় রাখেন রানের চাকা। ষষ্ঠ ওভারেই হয়ে যায় দলীয় ফিফটি।
সাইফ সেভাবে তাল মেলাতে পারেননি অবশ্য তার সঙ্গে। ওয়ানডে মেজাজে প্রায় একশ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং চালিয়ে যান। আর ৩৩ বলে পঞ্চাশে পা রাখেন তানজিদ। একই ওভারে আরেকবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সাইফ।
সিকান্দার রাজার বলে বোল্ড হওয়ার আগে সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করতে সমর্থ হন। তাদের ১২০ রানের এই জুটি এখন এই ফরম্যাটে ওপেনিং জুটিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সাইফের বিদায়ের পর রিচার্ড এনগারাভার এক ওভারেই ফেরেন তানজিদ (৫৮) ও তাওহীদ (৬)।
এরপর তিন বলের ব্যবধানে সাজঘরের পথ ধরেন পারভেজ হোসেন (১) ও নুরুল হাসান (৪)। ১৬০ রান করাটাই তখন চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছিল। তবে ত্রাতা হিসেবে হাজির হন ইয়াসির ও সাইফউদ্দিন।
১২ বলে ২২ করেন ইয়াসির। তবে মূল ঝড়টা তোলেন সাইফউদ্দিন। পেস বোলিং এই অলরাউন্ডার শেষ ওভারে টানা চার ছক্কা সহ ৩১০ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ১০ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন। আর জুটি ছিল ১৯ বলে ৪৫ রানের।

আর চারটা রান করতেই পারলেই রেকর্ডের পাতায় চলে যেতেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর পারেননি তার। এই একটি হতাশা থাকলেও এই দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যে ব্যাটিংটা করলেন, সেটা গোটা সফরে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স। সঙ্গে শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় একটা স্কোরই পেয়ে গেল বাংলাদেশ।
বুলাওয়েতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাইফ ও তানজিদের ফিফটিতে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান করেছে বাংলাদেশ।
তবে এই রানটা আরও বেশি হতে পারত, যদি মাঝের ওভারে ব্যাটসম্যানরা খেই না হারাতেন। বিনা উইকেটে ১২০ রান করে ফেলার পর পরের ২১ রান তুলতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফের ব্যাটিং ধসের শঙ্কা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেটা হতে দেননি সাইফউদ্দিন ও ইয়াসির আলি।
প্রথম ম্যাচেও শুরুতে ঝড় তুলেছিলেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান জুটি। সেই ধারায় এদিনও তারা প্রথম থেকেই প্রতিপক্ষের বোলারদের চাপে ফেলার চেষ্টা চালান। তানজিদ সেই কাজে সফল হলেও সাইফ একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। ৮, ১৭ ও ১৯ রানের মধ্যেই পেয়ে যান তিনটি ‘জীবন’।
এরপরও একটা বড় ইনিংস না খেললে ভীষণ চাপেই পড়ে যেতেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তবে অন্যপ্রান্তে তানজিদ ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে বজায় রাখেন রানের চাকা। ষষ্ঠ ওভারেই হয়ে যায় দলীয় ফিফটি।
সাইফ সেভাবে তাল মেলাতে পারেননি অবশ্য তার সঙ্গে। ওয়ানডে মেজাজে প্রায় একশ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং চালিয়ে যান। আর ৩৩ বলে পঞ্চাশে পা রাখেন তানজিদ। একই ওভারে আরেকবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সাইফ।
সিকান্দার রাজার বলে বোল্ড হওয়ার আগে সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করতে সমর্থ হন। তাদের ১২০ রানের এই জুটি এখন এই ফরম্যাটে ওপেনিং জুটিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সাইফের বিদায়ের পর রিচার্ড এনগারাভার এক ওভারেই ফেরেন তানজিদ (৫৮) ও তাওহীদ (৬)।
এরপর তিন বলের ব্যবধানে সাজঘরের পথ ধরেন পারভেজ হোসেন (১) ও নুরুল হাসান (৪)। ১৬০ রান করাটাই তখন চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছিল। তবে ত্রাতা হিসেবে হাজির হন ইয়াসির ও সাইফউদ্দিন।
১২ বলে ২২ করেন ইয়াসির। তবে মূল ঝড়টা তোলেন সাইফউদ্দিন। পেস বোলিং এই অলরাউন্ডার শেষ ওভারে টানা চার ছক্কা সহ ৩১০ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ১০ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন। আর জুটি ছিল ১৯ বলে ৪৫ রানের।

আর চারটা রান করতেই পারলেই রেকর্ডের পাতায় চলে যেতেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর পারেননি তার। এই একটি হতাশা থাকলেও এই দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যে ব্যাটিংটা করলেন, সেটা গোটা সফরে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স। সঙ্গে শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় একটা স্কোরই প

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিএনপি যদি দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে চায়, তাহলে তাদের উচিত সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা, শপথ গ্রহণ করা এবং গণভোটের রায় মেনে, যা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান করেছে, সেই জুলাই সনদের আলোকে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা।”