চরচা ডেস্ক

ইরানে আবারও শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে শুক্রবার আরও বিস্তৃত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সেতু ও একটি বিমানবন্দর। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে আমেরিকান মেরিন সেনারা একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়েছে। একই সময়ে আরেকটি জাহাজে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক বিমান হামলার হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের উপকূল বা দ্বীপাঞ্চলে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করেননি। আমেরিকান কর্মকর্তারা বলেছেন, দক্ষিণ ইরানে হামলার একটি উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্পের সামনে বিভিন্ন সামরিক বিকল্প খোলা রাখা।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ ইরানকে আরও পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উসকে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে অথবা ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের জাহাজ চলাচল আরও ব্যাহত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সর্বশেষ হামলায় যে লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহের বেশি সময় পর ‘সামরিক সরবরাহ অবকাঠামো’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে আপাতত হামলাগুলো মূলত দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল, যেগুলো গত কয়েক দিন ধরেই ব্যাপকভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত পাঁচটি সেতুতে হামলা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বন্দর খামিরে সেতুতে হামলায় সাতজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে রেলস্টেশনেও হামলা হয়েছে। এ ছাড়া, পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন একটি বিমানবন্দরেও হামলার খবর জানানো হয়েছে।
রয়টার্স এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসে এক হামলায় এক নারী নিহত এবং তার সন্তান আহত হওয়ার খবরও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “ইরানে আমরা বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করছি। খুব শিগগিরই আপনারা এর ফল দেখতে পাবেন।”

ইরানে আবারও শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে শুক্রবার আরও বিস্তৃত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সেতু ও একটি বিমানবন্দর। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে আমেরিকান মেরিন সেনারা একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়েছে। একই সময়ে আরেকটি জাহাজে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক বিমান হামলার হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের উপকূল বা দ্বীপাঞ্চলে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করেননি। আমেরিকান কর্মকর্তারা বলেছেন, দক্ষিণ ইরানে হামলার একটি উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্পের সামনে বিভিন্ন সামরিক বিকল্প খোলা রাখা।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ ইরানকে আরও পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উসকে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে অথবা ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের জাহাজ চলাচল আরও ব্যাহত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সর্বশেষ হামলায় যে লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহের বেশি সময় পর ‘সামরিক সরবরাহ অবকাঠামো’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে আপাতত হামলাগুলো মূলত দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল, যেগুলো গত কয়েক দিন ধরেই ব্যাপকভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত পাঁচটি সেতুতে হামলা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বন্দর খামিরে সেতুতে হামলায় সাতজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে রেলস্টেশনেও হামলা হয়েছে। এ ছাড়া, পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন একটি বিমানবন্দরেও হামলার খবর জানানো হয়েছে।
রয়টার্স এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসে এক হামলায় এক নারী নিহত এবং তার সন্তান আহত হওয়ার খবরও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “ইরানে আমরা বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করছি। খুব শিগগিরই আপনারা এর ফল দেখতে পাবেন।”

আর চারটা রান করতেই পারলেই রেকর্ডের পাতায় চলে যেতেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর পারেননি তার। এই একটি হতাশা থাকলেও এই দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যে ব্যাটিংটা করলেন, সেটা গোটা সফরে বাংলাদেশের সেরা পারফরম্যান্স। সঙ্গে শেষের দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় একটা স্কোরই প

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিএনপি যদি দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে চায়, তাহলে তাদের উচিত সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা, শপথ গ্রহণ করা এবং গণভোটের রায় মেনে, যা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান করেছে, সেই জুলাই সনদের আলোকে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা।”