চরচা ডেস্ক

শেষ ৫ ওভারে হাতে সাত উইকেট থাকায় বড় স্কোর খুব সম্ভব ছিল জিম্বাবুয়ের। তবে সফরের শেষ ম্যাচে বোলাররা দেখালেন অসাধারণ পারফরম্যান্স। পেস-স্পিন দুই বিভাগ থেকেই আসল ধারাবাহিক ভালো বোলিং। তাতে সহজ টার্গেটই পেল বাংলাদেশ।
তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ১৪৪ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজে সমতা ১-১ ব্যবধানে।
প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেতে পারতেন তাসকিন আহমেদ। তবে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান শুন্য রানে থাকা ব্রায়ান ব্রেনেট। অন্যপ্রান্তে মাহেদি নিজের প্রথম ওভারেই ফেরান মারুমানিকে। জীবন পেয়ে বোলারদের ওপর চড়াও হন ব্রেনেট।
মাহেদিকে টানা তিন চার মেরে আগ্রাসনের আভাস দেন তিনি। তবে এরপর কিছুটা কমে যায় রানের গতি। আবদুল গাফফার সাকলাইন আক্রমনে এসে অবশ্য সেই চাপ কমিয় দেন। দুই ওভারের দেন ২৭ রান।
ফিফটির পথে থাকা ব্রেনেটকে ৪৭ রানে সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রথম তিন ওভারে ১৫ রান দেওয়া রিশাদ শেষ ওভারে ডিওন মায়ার্সের কাছে পরপর দুই বলে চারের পর ছক্কা হজম করেন। সিকান্দার রাজাকে অবশ্য একই ওভারে আউট করেন এই লেগ স্পিনার।
১৫ ওভারে জিম্বাবুয়ের রান ছিল ৩ উইকেটে ১০৯। এই অবস্থান থেকে ১৬০-১৭০ করাটাই ছিল দলটির লক্ষ্য। তবে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান করতেই বেগ পেতে হয় জিম্বাবুয়েকে। এক মায়ার্সই যা লড়াই করেন।
তবে অন্য ব্যাটসম্যানরা তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন। ফলে মাত্র ৫৩ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেও দলকে ভালো স্কোর এনে দিতে পারেননি মায়ার্স। থামতে হয় ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে।

শেষ ৫ ওভারে হাতে সাত উইকেট থাকায় বড় স্কোর খুব সম্ভব ছিল জিম্বাবুয়ের। তবে সফরের শেষ ম্যাচে বোলাররা দেখালেন অসাধারণ পারফরম্যান্স। পেস-স্পিন দুই বিভাগ থেকেই আসল ধারাবাহিক ভালো বোলিং। তাতে সহজ টার্গেটই পেল বাংলাদেশ।
তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ১৪৪ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজে সমতা ১-১ ব্যবধানে।
প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেতে পারতেন তাসকিন আহমেদ। তবে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান শুন্য রানে থাকা ব্রায়ান ব্রেনেট। অন্যপ্রান্তে মাহেদি নিজের প্রথম ওভারেই ফেরান মারুমানিকে। জীবন পেয়ে বোলারদের ওপর চড়াও হন ব্রেনেট।
মাহেদিকে টানা তিন চার মেরে আগ্রাসনের আভাস দেন তিনি। তবে এরপর কিছুটা কমে যায় রানের গতি। আবদুল গাফফার সাকলাইন আক্রমনে এসে অবশ্য সেই চাপ কমিয় দেন। দুই ওভারের দেন ২৭ রান।
ফিফটির পথে থাকা ব্রেনেটকে ৪৭ রানে সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রথম তিন ওভারে ১৫ রান দেওয়া রিশাদ শেষ ওভারে ডিওন মায়ার্সের কাছে পরপর দুই বলে চারের পর ছক্কা হজম করেন। সিকান্দার রাজাকে অবশ্য একই ওভারে আউট করেন এই লেগ স্পিনার।
১৫ ওভারে জিম্বাবুয়ের রান ছিল ৩ উইকেটে ১০৯। এই অবস্থান থেকে ১৬০-১৭০ করাটাই ছিল দলটির লক্ষ্য। তবে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান করতেই বেগ পেতে হয় জিম্বাবুয়েকে। এক মায়ার্সই যা লড়াই করেন।
তবে অন্য ব্যাটসম্যানরা তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন। ফলে মাত্র ৫৩ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেও দলকে ভালো স্কোর এনে দিতে পারেননি মায়ার্স। থামতে হয় ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে।