
এখানেই ভবিষ্যতের বড় প্রশ্নটি তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির ভিত্তি দুর্বল করে, তাহলে চীন সেই শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ পাবে। চীনের আইনি ব্যবস্থা পশ্চিমা ধাঁচের উদার গণতান্ত্রিক আইনব্যবস্থার মতো না হলেও, বৈশ্বিক ক্ষমতার জন্য সেটি হওয়া আবশ্যক নয়।

জুনে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের নির্বাহী আদেশ বাতিল করে। যদিও তার প্রশাসন যুক্তি দিয়েছিল, জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব অবৈধ অভিবাসন এবং জন্ম পর্যটনকে উৎসাহিত করে।

আরাঘচি পুনর্ব্যক্ত করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে একটি সমঝোতা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে। তবে এই সমঝোতার মাধ্যমে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না।

অ্যাক্সিওস দুই আঞ্চলিক সূত্র ও যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের সম্মতিতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করতে চীন থেকে ৪০০টি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের এই চুক্তির আওতায় আগামী কয়েক

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মশার বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ডেঙ্গু, জিকা ও ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের মতো মশাবাহিত রোগের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। তাই কীটনাশক ব্যবহার না করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে মশার সংখ্যা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় ৬ লাখ

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প বৈঠকে ইরান সংঘাত ছাড়াও ইসরায়েল-লেবানন উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করবেন। গত সপ্তাহেই তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্টকে হোয়াইট হাউসে আতিথ্য দিয়েছিলেন।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি সোমবার ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং মঙ্গলবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াতেও অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলজুড়ে বয়ে যাওয়া বিপজ্জনক তাপপ্রবাহে স্বাধীনতা দিবস (৪ জুলাই) উদ্যাপনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। প্রচণ্ড গরমের কারণে রাজধানী ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন স্থানে কর্তৃপক্ষ ডজনখানেক কুচকাওয়াজ, কনসার্ট এবং আতশবাজির অনুষ্ঠান বাতিল বা স্থগিত করেছে।

সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার পর প্রথম আশুরা ইরানে। দিনটি উপলক্ষে তেহরানের এঙ্গেল্যাব স্কোয়ারে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটেছে। শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাধারণ ইরানিরা ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা নিয়ে তাদের তীব্র ক্ষোভ ও অনাস্থা প্রকাশ করেন।

মস্কোর ‘হায়ার স্কুল অব ইকোনমিক্স’-এর অধ্যাপক দিমিত্রি ট্রেনিনের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি বিশ্বমঞ্চে মার্কিন একাধিপত্যের এক বড় পরাজয়। ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল তাদের মূল সামরিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন অপরাজেয় আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের চরম উত্তেজনা ও বিশ্বযুদ্ধের হুমকি থেকে শিক্ষা নিয়ে জন্ম হয়েছিল ঐতিহাসিক হটলাইন ব্যবস্থার। দুর্ঘটনাবশত বা ভুল বোঝাবুঝি থেকে পারমাণবিক যুদ্ধ এড়াতে ১৯৬৩ সালের ২০ জুন প্রথমবার ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে এই চুক্তি সই হয়। স্নায়ুযুদ্ধের আদি ধারণা আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে

ওমান উপকূলে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি তেল ট্যাংকারে মার্কিন সামরিক অভিযানে তিন ভারতীয় নাবিক নিহ*ত হয়েছেন। ওয়াশিংটনের অবরোধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চালানো এই হামলায় নি*হতদের মধ্যে উত্তর প্রদেশের শিবানন্দ চৌরাসিয়াও রয়েছেন, যার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি ট্রাম্পের বুড়ো আঙুল দেখানো আসলে ১৯ শতকের মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট রিচার্ড ওলনির সেই ঘোষণার এক ২১ শতকীয় প্রতিধ্বনি, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে ওয়াশিংটন ‘এই মহাদেশে কার্যত সার্বভৌম।’

গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে যখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি, সামরিক হুমকি এবং তেহরান, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের মধ্যকার আলোচনা একটি মাত্র সংখ্যার ওপর থমকে আছে–যা হলো ইরানের ৪৫০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত।

আর্জেন্টিনা উপকূলে শত শত চীনা মাছ ধরার ট্রলারের রহস্যময় আনাগোনা কি কেবলই স্কুইড শিকার, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? আর্জেন্টিনার গোয়েন্দা সংস্থা এবং ওয়াশিংটনের দাবি, মাছ ধরার আড়ালে চলছে সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্রায়ন এবং গোয়েন্দাগিরি।

ইরানের পক্ষ থেকে আসা অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাব এবং আলোচনার ধীরগতিতে হতাশ হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতা নিয়ে ওয়াশিংটনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধছে।

সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বে কি ফাটল ধরেছে? গত কয়েক বছরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আমূল বদলে গেছে। ওয়াশিংটনের থিঙ্কট্যাঙ্কগুলো মনে করেছিল বিপদে পড়লে সৌদি আরব আবারও আমেরিকার নিরাপত্তা বলয়ে ফিরে আসবে। কিন্তু যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) প্রমাণ করেছেন, রিয়াদ এখন আর কারো অনুগত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের দেওয়া ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ওয়াশিংটন। তেহরান তা পর্যালোচনা করছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।