
গৃহস্থের রান্নাঘর থেকে শুরু করে হোটেল-রেঁস্তোরাতে একবার কড়াইয়ে তেল ঢেলে তাতে বারবার রান্নার দৃশ্য কিন্তু খুবই সাধারণ। তবে রান্নার এই পদ্ধতি খাবারের মানের অবনতিসহ স্বাস্থ্যেরও ব্যাপক ক্ষতি করে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সুস্থ থাকতে ভালো ডায়েটের বিকল্প নেই। কিন্তু এজন্য সারাদিন খাবারের ক্যালরি মাপার চক্করে নাজেহাল থাকাও কাম্য নয়। এর একটি সহজ সমাধান হিসেবে কয়েক বছর ধরে লাইফস্টাইল ট্রেন্ড রাজত্ব করছে ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’।

ঘি বা পরিশোধিত মাখন দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নোনতা ও মিষ্টি স্বাদের বহু খাবারেই এটি ব্যবহার করা হয়। ঘিয়ের আলাদা স্বাদ ও সুগন্ধ সাধারণ খাবারকেও বিশেষ মাত্রা দেয়।

বর্তমানে মানুষ যেকোনো কাজে শর্টকাট আর সহজলভ্য উপায় খোঁজে। তবে সবসময় কিন্তু এ পদ্ধতি কার্যকরী নাও হতে পারে। বিশেষত রান্নাঘরের কাজ সহজ করে দিতে পারে কিংবা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা হয় এমন কিছু উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চেন্নাইভিত্তিক এক সার্জন।

অনেকেই আলো নিভতেই মুহূর্তের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। আবার কেউ দীর্ঘ সময় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কোনো এক অজানা চিন্তায় ডুব দেন, তারপর ঘুম আসে। দুই অবস্থাই আপনার ঘুমের মান নিয়ে ইঙ্গিত দিতে পারে। বিষয়টি আসলে ‘স্লিপ ল্যাটেন্সি’ বা ঘুম আসতে যে সময় লাগে, তার সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশেষ কোভিড মহামারির সময় থেকে মানুষ ইন্সট্যান্ট নুডলস দিয়ে নানা ধরনের নিরীক্ষাধর্মী রেসিপি ফুড ট্রেন্ডের শীর্ষে চলে আসে। তবে এই খাবারটি আমাদের ক্ষুধা মেটালেও এটি শরীরের জন্য কতটা উপকারী বা অপকারী, তা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলছে।

১১:১১ কেবল একটি সময় নয়, অনেকের কাছে এটি এক ধরনের ঘটনা। বিশ্বাস করা হয়, এই সংখ্যা বারবার দেখা মানে মহাবিশ্বের কোনো বার্তা বা আধ্যাত্মিক সামঞ্জস্যের ইঙ্গিত।

যারা আলো জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন, তাদের শরীরে এই ভারসাম্যটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের স্ট্রেস রেসপন্স সক্রিয় অবস্থায় ছিল, যা হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ইনসুলিনের প্রতি পেশির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

কাজের ফাঁকে কিংবা ক্লাসরুমে অতিরিক্ত ঝিমুনি লাগলে চট করে মাথায় আসে এক কাপ ব্ল্যাক কফি। আর দুধ-চা বা মিল্ক কফির বদলে ব্ল্যাক কফি খেলে কিন্তু শরীরে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন চোখে পড়ে। ঝিমুনিটা কিছুটা কম অনুভূত হয়। এ ছাড়াও কিন্তু নানা পরিবর্তন হতে পারে শরীরে।

ক্লান্তিবোধ বা নিজের জন্য সময় চাওয়া বা কারো ক্ষতি না করে নিজের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করা কোনো অপরাধ নয় যে, তার জন্য আদালতে দাঁড়িয়ে প্রমাণ পেশ করতে হবে।

দুপুর ২-৩টার ঝিমুনি অলসতা নয়, এটা শরীরের স্বাভাবিক সংকেত। মাত্র ১০ থেকে ২০ মিনিটের এই বিশ্রাম আপনার মস্তিষ্ককে এমনভাবে বুস্ট করে যা অন্য কিছুতে সম্ভব নয়। এজন্যই তো একে বলে ‘পাওয়ার ন্যাপ’। তবে বাঙালিদের ভাতঘুমের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেললেই বিপদ!

সন্ধ্যা ৭টায় রাতের খাবার খেয়ে যদি রাত ১টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, তবে আবার ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। তখন অনেকেই দ্বিতীয় দফা খাবার খেয়ে ফেলেন। এই অভ্যাসটি হালকা মনে করলেও ধীরে ধীরে এটি ক্ষুধার সংকেত, ঘুমের মান এবং এমনকি ওজনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত জুপিটার হাসপাতালের পরিচালক (ইন্টারনাল মেডিসিন) ডা. অমিত সারাফ জানান, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরেও অনেকের ওজন না কমার পেছনে বড় কারণ হতে পারে অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস।

কখনো নিজেকে প্রশ্ন করেছেন যে আমি কেন বেশি খাচ্ছি? আমরা প্রায় সবাই মাঝেমধ্যে বেশি খাই। এটি একটি সাধারণ ঘটনা হলেও এই প্রবণতা অস্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়াতে এবং খাবারের অনিয়ম তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

কখনো নিজেকে প্রশ্ন করেছেন যে আমি কেন বেশি খাচ্ছি? আমরা প্রায় সবাই মাঝেমধ্যে বেশি খাই। এটি একটি সাধারণ ঘটনা হলেও এই প্রবণতা অস্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়াতে এবং খাবারের অনিয়ম তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।