Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> ভাবনা

মহামান্য, মাননীয় সমাচার

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৪৯
মহামান্য, মাননীয় সমাচার

সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করায় মাঝেমাঝেই কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। যেগুলো সংবাদমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব আলোচনার জন্ম দেয়। এবং অবধারিতভাবে দুটি পক্ষ কিছু দিন একে অপরের ওপর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে থাকেন। তারপর সব ঠান্ডা হয়ে যায়।

Advertisement

এমন এক প্রেক্ষাপটে গত বছরের ১৫ জুলাই বিবিসি বাংলা ‘স্যার’ সম্বোধনের সুলুক সন্ধান করেছিল। দীর্ঘ সেই আলোচনার এক জায়গায় বলা হয়, “জনপ্রশাসন বা সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার বা ম্যাডাম’ নামে সম্বোধনের রেওয়াজ বা রীতি যুগযুগ ধরে চলে এলেও ১৯৯০ সালে তা রদ করা হয়। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর সেই সময়ের সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. ফজলুল হকের স্বাক্ষরে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে সম্বোধনের জন্য ‘স্যার’-এর পরিবর্তে ‘জনাব’ ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়।”

বাংলাদেশে ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন সংক্রান্ত কোনো সরকারি আইন, বিধিমালা বা নীতিমালা নেই। এটি মূলত একটি প্রথাগত বা সামাজিক রীতি, যা শিক্ষা, প্রশাসন এবং করপোরেট জগতে বহুদিন ধরে চলে আসছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের দাপ্তরিকভাবে ‘মাননীয়’ সম্বোধন রীতি দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানে এই সম্বোধন বহুল প্রচলিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারিAdvisor-Cabinet

রাষ্ট্রাচার অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখন কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে, সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেন তার অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকার সময় ঘোষণা দেওয়া হয়। তারপর বাজে বিউগল। এরপর অনুষ্ঠানের ঘোষক সবার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’ সম্বোধন করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ানোর পর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথের দিন গত মঙ্গলবার এসব নিয়ম মানা হয়। তবে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রপতিকে যখন ‘মাননীয়’ সম্বোধন করলেন তখন অভ্যস্ত কানে একটু খটকা লাগল। পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি রাষ্ট্রপতিকে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করেছেন।

রাষ্ট্রাচারে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না সেটা খুঁজতে শুরু করলে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা এবং আইনের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন জানালেন, সম্বোধন সংক্রান্ত কোনো আইনের কথা তাদের জানা নেই।

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (বর্তমানে জেলবন্দী) কাজী হাবিবুল আউয়াল ২০২১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে একটি নিবন্ধে লেখেন, “রাষ্ট্রপতি পদবির পূর্বে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীগণের পদবির পূর্বে ‘মাননীয়’ সম্ভাষণ ব্যবহারের সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও বিষয়টি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত রীতি।”

এই রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’ সম্বোধন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই রীতি না মানলে আইনিভাবে কিছু বলার হয়ত নেই। কিন্তু সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের একটি বিধান বলছে, “‘আইন’ অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি।”

মির্জা আব্বাস ডাক পাননি, মন্ত্রিসভায় নেই বিএনপির যেসব হেভিওয়েটphoto-collage

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি নিয়ে নানা কথা-আন্দোলন হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে অপসারণেরও দাবি উঠেছিল। ওই সময় বিএনপি কোনো ধরনের ‘সাংবিধানিক সংকট’ যাতে না হয় সেজন্য রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিপক্ষে ছিল। ব্যক্তির জায়গায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে ওই সময় বিএনপি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন।

গত বছরের জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করার নিয়ম বাতিল করে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা থেকে নেওয়া অন্য অতিরঞ্জিত প্রটোকল নির্দেশিকা সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। জ্বালানি, সড়ক ও রেলপথ বিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। ‘অতিরঞ্চিত প্রটোকল নির্দেশিকা’ সংশোধন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় তা নিয়ে পরে কোনো খবর আসেনি।

মন্ত্রিপরিষদ কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কি না তাও জানা যায়নি। হয়ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে, না হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কেন আইনের ‘সমান’ রীতি বদলে রাষ্ট্রপতির সম্বোধন পরিবর্তন করলেন? কারণ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রীয় এসব আচার তিনি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রাচার, রীতি এমন মেনে চলবেন এটা আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিপরিষদরাষ্ট্রপতিসরকাররাষ্ট্রমতামত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ২

    সৌদিতে হামলা চালাতে রাশিয়ার স্যাটেলাইটের তথ্য নিচ্ছে হুতিরা?

  • ৩

    ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের প্রাণহানি

  • ৪

    শত্রু হামলা চালালে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ‘মৃত্যুফাঁদ’, তেহরানের হুঁশিয়ারি

  • ৫

    বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সেবা চালু

সম্পর্কিত
  • ভোটার তালিকা: ভারতের বিরোধীরা কি দ্বিচারিতায় ভুগছে?

    ভোটার তালিকা: ভারতের বিরোধীরা কি দ্বিচারিতায় ভুগছে?

    মুসলিম সম্প্রদায়ের বাইরেও অন্যান্য ভোটাররা যে এখন ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছেন, তা সুরক্ষাকবচের দাবিকে আরও জোরালো করে তোলে। কিন্তু এই সুরক্ষাকবচ আসলে কাদের রক্ষা করার জন্য?

  • রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    রাষ্ট্র যখন আত্মসংযম দেখাচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে?

    মানবাধিকার সংগঠন এমএসএফের (মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন) অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি পরস্পরবিরোধী চিত্র তুলে ধরেছে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনে আহতের ঘটনা শূন্যে নেমেছে, কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে।

  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্