Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

মহামান্য, মাননীয় সমাচার

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৪৯
মহামান্য, মাননীয় সমাচার

সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করায় মাঝেমাঝেই কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। যেগুলো সংবাদমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব আলোচনার জন্ম দেয়। এবং অবধারিতভাবে দুটি পক্ষ কিছু দিন একে অপরের ওপর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে থাকেন। তারপর সব ঠান্ডা হয়ে যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এমন এক প্রেক্ষাপটে গত বছরের ১৫ জুলাই বিবিসি বাংলা ‘স্যার’ সম্বোধনের সুলুক সন্ধান করেছিল। দীর্ঘ সেই আলোচনার এক জায়গায় বলা হয়, “জনপ্রশাসন বা সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার বা ম্যাডাম’ নামে সম্বোধনের রেওয়াজ বা রীতি যুগযুগ ধরে চলে এলেও ১৯৯০ সালে তা রদ করা হয়। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর সেই সময়ের সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. ফজলুল হকের স্বাক্ষরে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে সম্বোধনের জন্য ‘স্যার’-এর পরিবর্তে ‘জনাব’ ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়।”

বাংলাদেশে ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন সংক্রান্ত কোনো সরকারি আইন, বিধিমালা বা নীতিমালা নেই। এটি মূলত একটি প্রথাগত বা সামাজিক রীতি, যা শিক্ষা, প্রশাসন এবং করপোরেট জগতে বহুদিন ধরে চলে আসছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের দাপ্তরিকভাবে ‘মাননীয়’ সম্বোধন রীতি দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানে এই সম্বোধন বহুল প্রচলিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারিAdvisor-Cabinet

রাষ্ট্রাচার অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখন কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে, সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেন তার অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকার সময় ঘোষণা দেওয়া হয়। তারপর বাজে বিউগল। এরপর অনুষ্ঠানের ঘোষক সবার উদ্দেশে রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’ সম্বোধন করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ানোর পর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথের দিন গত মঙ্গলবার এসব নিয়ম মানা হয়। তবে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রপতিকে যখন ‘মাননীয়’ সম্বোধন করলেন তখন অভ্যস্ত কানে একটু খটকা লাগল। পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি রাষ্ট্রপতিকে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করেছেন।

রাষ্ট্রাচারে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না সেটা খুঁজতে শুরু করলে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা এবং আইনের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন জানালেন, সম্বোধন সংক্রান্ত কোনো আইনের কথা তাদের জানা নেই।

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (বর্তমানে জেলবন্দী) কাজী হাবিবুল আউয়াল ২০২১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে একটি নিবন্ধে লেখেন, “রাষ্ট্রপতি পদবির পূর্বে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীগণের পদবির পূর্বে ‘মাননীয়’ সম্ভাষণ ব্যবহারের সাংবিধানিক বা সংবিধিবদ্ধ কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও বিষয়টি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত রীতি।”

এই রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে ‘মহামান্য’ সম্বোধন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই রীতি না মানলে আইনিভাবে কিছু বলার হয়ত নেই। কিন্তু সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের একটি বিধান বলছে, “‘আইন’ অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি।”

মির্জা আব্বাস ডাক পাননি, মন্ত্রিসভায় নেই বিএনপির যেসব হেভিওয়েটphoto-collage

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি নিয়ে নানা কথা-আন্দোলন হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে অপসারণেরও দাবি উঠেছিল। ওই সময় বিএনপি কোনো ধরনের ‘সাংবিধানিক সংকট’ যাতে না হয় সেজন্য রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিপক্ষে ছিল। ব্যক্তির জায়গায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে ওই সময় বিএনপি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন।

গত বছরের জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করার নিয়ম বাতিল করে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা থেকে নেওয়া অন্য অতিরঞ্জিত প্রটোকল নির্দেশিকা সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। জ্বালানি, সড়ক ও রেলপথ বিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। ‘অতিরঞ্চিত প্রটোকল নির্দেশিকা’ সংশোধন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় তা নিয়ে পরে কোনো খবর আসেনি।

মন্ত্রিপরিষদ কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কি না তাও জানা যায়নি। হয়ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে, না হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কেন আইনের ‘সমান’ রীতি বদলে রাষ্ট্রপতির সম্বোধন পরিবর্তন করলেন? কারণ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রীয় এসব আচার তিনি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রাচার, রীতি এমন মেনে চলবেন এটা আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রিপরিষদরাষ্ট্রপতিসরকাররাষ্ট্রমতামত
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া