Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৯ অক্টোবর, ২০২৬
১৯ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৯ অক্টোবর, ২০২৬
১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা
ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য উইক-কে নাহিদ ইসলাম

নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৪০
নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন দলের রাজনীতিক, জুলাই আন্দোলনের নেতা, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক। গুরুত্ব বিবেচনায় পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারগুলোর অনুবাদ প্রকাশ করছে চরচা।

Advertisement

দ্য উইক: আসন্ন নির্বাচনে জামায়াত–এনসিপি জোটের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?

নাহিদ ইসলাম: আমরা এই জোটের অংশ হিসেবে ৩০টি আসনে নির্বাচন করছি। এনসিপি কতটি আসন পাবে, তা বলা কঠিন–কারণ আমাদের আগে কোনো নির্বাচনী অভিজ্ঞতা নেই এবং আমরা একটি নতুন দল। তবে আমরা আশাবাদী যে এনসিপি ও পুরো জোট ভালো করবে এবং নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।

দ্য উইক: এই জোট কি কেবলই নির্বাচনী, নাকি এর কোনো আদর্শিক ভিত্তিও আছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নাহিদ ইসলাম: এই সমঝোতাটি মূলত নির্বাচনের জন্যই–আসনভিত্তিক সমন্বয়ের মাধ্যমে। তবে আমাদের কিছু অভিন্ন ইস্যুও রয়েছে। এর মধ্যে একটি বড় বিষয় হলো বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার। এ লক্ষ্যে একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে গণভোট হবে। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাব। সরকার গঠন করতে পারলে যৌথভাবে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করব। সংস্কার আমাদের প্রধান কর্মসূচিগুলোর একটি।

দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি বিরোধিতা ও সুশাসন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সার্বভৌমত্ব এবং বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর আধিপত্যবাদের বিরোধিতা। আমরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি চাই। এসব বিষয়ে আমাদের একটি যৌথ কর্মসূচি রয়েছে।

দ্য উইক: আপনাদের জোট যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কি তা ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাবে?

নাহিদ ইসলাম: জামায়াত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা উদার নীতির মধ্যেই থাকবে। যদি একটি জোট সরকার গঠিত হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে রূপ নেবে না। এটি হবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়গুলো অবশ্যই গুরুত্ব পাবে। এটি আমাদের মৌলিক অঙ্গীকার এবং এনসিপির অন্তর্ভুক্তিমূলক আদর্শের কেন্দ্রীয় অংশ।

দ্য উইক: শাসন পরিচালনায় অভিজ্ঞতার অভাব নিয়ে যে সমালোচনা রয়েছে, তার জবাব কী?

জামায়াত বহুত্ববাদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে অঙ্গীকারাবদ্ধshafikul neww

নাহিদ ইসলাম: বাংলাদেশের মানুষ নতুন ও তরুণ নেতৃত্ব চায়। বিএনপির মতো তথাকথিত অভিজ্ঞ দলগুলো অতীতে খুব ভালো শাসন দিতে পারেনি। মানুষ এবার ভিন্ন কিছু দেখতে চায়।

দ্য উইক: জামায়াতকে চরম ডানপন্থী আদর্শের প্রতিনিধি বলা হয়। সংখ্যালঘুদের বিষয়ে এই উদ্বেগকে কীভাবে দেখছেন?

নাহিদ ইসলাম: জোট এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। নির্বাচনী সহযোগিতা ও নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রয়োজন হলে এসব বিষয় ইশতেহারে প্রতিফলিত হবে। বর্তমানে আমাদের আলাদা আলাদা ইশতেহার রয়েছে। জামায়াত তাদের আগের অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছে এবং জানিয়েছে যে তারা তাদের পুরনো মূল আদর্শের ভিত্তিতে সরকার গঠন করবে না। তারা এখন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি এমনকি জাতীয় সরকারের কথাও বলছে।

তবে আমাদের মূল অবস্থান, বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে– যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এই জোট আর টিকে থাকবে না।

দ্য উইক: ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড কি বৃহত্তর জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে?

নাহিদ ইসলাম: ওসমান হাদীর হত্যার পর আমরা এই সিদ্ধান্ত নিই, কারণ আমরা দেখেছি বাংলাদেশে আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো ষড়যন্ত্র করছে এবং হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জুলাইয়ের নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে। শুরুতে আমরা এককভাবে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদর্শগত বিচ্ছিন্নতা বজায় রাখার চেয়ে এই শক্তিগুলোর মোকাবিলা করা এখন বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।

দ্য উইক: যারা এনসিপির কাছ থেকে স্বাধীন রাজনীতির প্রত্যাশা করেছিলেন, তাদের কাছে এই জোটকে কীভাবে ব্যাখ্যা করছেন?

নাহিদ ইসলাম: এটি বাস্তব প্রয়োজন থেকে গড়ে ওঠা একটি নির্বাচনী জোট। আমরা যদি আমাদের মিত্রদের সঙ্গে যৌথভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে তা দেশের জন্যই উপকারী হবে। যদি আমাদের আদর্শিক অবস্থান পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আমরা পুনর্বিবেচনা করব। কিন্তু এই মুহূর্তে জুলাইয়ের শক্তিগুলোর সংসদে প্রবেশ করা এবং নির্বাচনী রাজনীতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন কোনো জাতীয় সরকারে জামায়াত থাকবে নাmirza-fokhrul-islam

দ্য উইক: এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এনসিপির ভেতরে কি মতবিরোধ ছিল?

নাহিদ ইসলাম: এই সিদ্ধান্তের পক্ষে দলের ভেতরে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন ছিল। কিছু মানুষ দ্বিমত পোষণ করেছিলেন। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন দল ছেড়ে গেছেন, তাদের ধারণা ছিল এই সিদ্ধান্ত তাদের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা তাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং এখনো তাদের স্বাগত জানাই। এটি ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠের নেওয়া একটি যৌথ সিদ্ধান্ত এবং দলের অধিকাংশ সদস্য এতে সমর্থন দিয়েছেন।

দ্য উইক: এনসিপির সাবেক কিছু নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

নাহিদ ইসলাম: আমরা তাদের মঙ্গল কামনা করি। জুলাইয়ের নেতাদের সবাইকে এক দলে থাকতে হবে–এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কেউ যদি স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়াতে চান, তা তিনি করতেই পারেন।

দ্য উইক: আপনি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

নাহিদ ইসলাম: একটি বড় সাফল্য হলো সংস্কার-সংক্রান্ত গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া। সরকার অর্থনীতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জন-আকাঙ্ক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ হয়েছে। তবুও সংকটকালে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জাতি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি, যা পুরোপুরি পূরণ হয়নি। পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্র ও অভিজাত অলিগার্ক গোষ্ঠীগুলো খুব দ্রুত পুনর্গঠিত হয়ে সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তারা পুরোনো ব্যবস্থাই টিকিয়ে রাখতে চায়। এই লড়াই গণতান্ত্রিক পথে এবং অর্থনৈতিক ন্যায়ের জন্য চালিয়ে যেতে হবে।

দ্য উইক: বিএনপি যদি পরবর্তী সরকার গঠন করে, তাহলে এনসিপির অবস্থান কী হবে?

নাহিদ ইসলাম: জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে গঠিত যেকোনো সরকার আমরা মেনে নেব। যদি সংস্কার-সংক্রান্ত গণভোট পাস হয় এবং সরকার তা বাস্তবায়ন করে, তাহলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সহযোগিতা করব। প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে, সেগুলো পুনর্গঠন করতে হবে। কে ক্ষমতায় আছে, তার চেয়ে ঐক্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দ্য উইক: ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে কীভাবে দেখছেন?

নাহিদ ইসলাম: আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও কার্যকর সম্পর্ক চাই। তবে ভারতকে বাংলাদেশ নীতি বদলাতে হবে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড, পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধ এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হবে। যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে রায় দেওয়া হয়েছে–শেখ হাসিনাসহ তাদের ফেরত দিলে ভালো সম্পর্ক সম্ভব। অন্যথায় সম্পর্ক জটিল হয়ে উঠতে পারে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দ্য উইকের দিল্লি ব্যুরোর প্রধান নম্রতা বিজি আহুজা।

বিষয়: বিএনপিজাতীয় নাগরিক পার্টিনির্বাচনএনসিপিনাহিদ ইসলামজুলাই সনদগণভোটজুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচননির্বাচন কমিশনওসমান হাদিরাজনীতিভারতঅন্তর্বর্তী সরকার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ইশরাককে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের নির্দেশ? যা জানা গেল

  • ২

    হবিগঞ্জে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

  • ৩

    ফ্রান্সের আন্দোলন এত সহিংস হলো কীভাবে?

  • ৪

    ‘ঢাকা বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনাও ডিপি ওয়ার্ল্ডের মতো কাউকে দিয়ে দিক’

  • ৫

    ‘হামলায় ইরানের ক্ষতি হয়েছে কিন্তু আপনি কি বেঁচেছেন?’

সম্পর্কিত
  • মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কি রিপাবলিকানদের জন্য অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে?

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কি রিপাবলিকানদের জন্য অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে?

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করতেই হয়। তিনি ডেমোক্র্যাটদের ক্ষুব্ধ করেছেন, নিরপেক্ষ ভোটারদের দূরে ঠেলে দিয়েছেন, আর এখন—সব মিলিয়ে—রিপাবলিকানদেরও বিরক্ত করে তুলেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি থাকতে, এটি খুব একটা বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক কৌশল নয়।

  • জয়তু দেবী দুর্গা

    জয়তু দেবী দুর্গা

    বাংলাদেশে মাতৃপূজার যে বিচিত্র রূপ আছে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে মাতৃদেবীর মধ্যে বহু যুগের বহু ধারা এসে মিশেছে। অনেক প্রাচীন ধারা মূল আমরা বেদের মধ্যেই লক্ষ্য করতে পারি।

  • ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফরাসি ভাষায় এর একটি চমৎকার শব্দ আছে: ‘আন অঁগ্রেনাজ’। যার অর্থ এক দুষ্টচক্র বা ক্রমাগত অবনতির ঘূর্ণিপাক। ফ্রান্স ঠিক এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এখানে বেশ কয়েকটি সংকট দীর্ঘ সময় ধরে দানা বাঁধছিল; এখন প্রতিটি সংকট অন্যগুলোকে আরও ত্বরান্বিত করে তোলার হুমকি সৃষ্টি করছে।

  • গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    বেওয়ারিশ কুকুরের মতন ঢাকা শহরের এই সব আকাকিরা তাহলে কোথায় যাবে? তারাও কি ফুটপাথে বা রাস্তায় সিগারেট ফুঁকতে-ফুঁকতে বা মোবাইলে কথা বলতে-বলতে চলতে থাকা মধ্যবিত্তদের পথ রোধ করে পেটে বা গলায় ছুরি ধরে বলবে, ‘দে শালা! যা আছে, দিয়ে যা! নইলে ফুটা করে দেব’?