Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

বিএনপির আমলের পোশাকেই ফিরছে পুলিশ?

আরমান ভূঁইয়া

আরমান ভূঁইয়া

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ০৫
বিএনপির আমলের পোশাকেই ফিরছে পুলিশ?

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগে পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ওই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার অংশ হিসেবে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করে ‘আয়রন গ্রে’ বা ‘গাঢ় ধূসর’ রং নির্ধারণ করে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে নতুন পোশাক কার্যকর করা হয়। তবে শুরু থেকেই পোশাকটি নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ছিল অসন্তোষ।

Advertisement

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আবারও পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের সময় ব্যবহৃত ইউনিফর্মে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে জোরালো আলোচনা চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছেরের মার্চে বাহিনীর ভেতরে একটি অভ্যন্তরীণ জরিপ চালানো হয়। সেখানে ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশ সদস্য ২০০১-২০০৬ সময়কার পোশাকে ফিরে যাওয়ার পক্ষে মত দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, “ইউনিফর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। অধিকাংশ সদস্য আগের (বিএনপি আমলে) পোশাকে ফিরে যেতে চেয়েছেন। আমরা সরকারকে সেই প্রস্তাব দিয়েছি।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, সে সময় ব্যবহৃত জামার রং কিছুটা কালচে ছিল, যা অনেক সদস্যের অপছন্দের তালিকায় রয়েছে। তাই পুরোনো ডিজাইন রেখে রঙে আংশিক পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নিজেই আইসিইউতেspecialized

বর্তমান নতুন ইউনিফর্মের সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এসেছে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের কাছ থেকে। তাদের অভিযোগ, বর্তমান পোশাকের কাপড় তুলনামূলক ভারী ও মোটা হওয়ায় দীর্ঘ সময় রোদে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এই পোশাক দীর্ঘক্ষণ পরে থাকা কষ্টের। বিশেষ করে গরমের সময় ঘাম জমে অস্বস্তি হয়। আবার রাতে গাড়ির আলো পড়লেও খুব একটা দৃশ্যমান হয় না।”

নতুন ইউনিফর্মের কাপড়ের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ সদস্যদের দাবি, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে শার্টের কাপড় চুক্তির শর্ত পূরণ করেনি। সুতার ঘনত্ব যেখানে ২০৫ জিএসএম (±৫) হওয়ার কথা ছিল, সেখানে পাওয়া গেছে ১৯৩ জিএসএম।

এ ছাড়া ‘উইকিং ক্যাপাসিটি’ বা ঘাম শোষণক্ষমতা চুক্তি অনুযায়ী ৬ থেকে ১০ সেন্টিমিটার হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় পাওয়া গেছে প্রায় ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ৬ সেন্টিমিটারের নিচে হলে তা দীর্ঘ সময় বাইরে দায়িত্বপালনের জন্য উপযোগী নয়। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয় এবং ক্লান্তি বাড়ে।

অবসর ভেঙে মাউশির ডিজি হচ্ছেন দুর্নীতির অভিযোগ থাকা ব্যক্তিই!maushi-director

নতুন পোশাক নিয়ে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন ইউনিফর্ম নির্বাচনের সময় সদস্যদের গায়ের রং, দেশের আবহাওয়া ও মাঠপর্যায়ের মতামত যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এছাড়া, নতুন পোশাকটি অন্যান্য সংস্থার ইউনিফর্মের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত করতেও সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে প্রবর্তিত পোশাক পুনর্বহালের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সে সময়ের কালো ধরনের শার্টটি অনেকের অপছন্দ হওয়ায় রঙে আংশিক পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে।

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, “পূর্বের পোশাকে ফেরার প্রস্তাব যেমন আছে, তেমনি শার্টে পরিবর্তনের কথাও ভাবা হচ্ছে। প্যান্ট ও শার্টে কন্ট্রাস্ট রঙ রাখা, দেশের মানুষের গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই ও তুলনামূলক উজ্জ্বল রঙ নির্বাচন এবং রাতে দৃশ্যমানতা বাড়ানোর বিষয়গুলো বিবেচনায় রয়েছে।”

রফিকুল ইসলাম আরও জানান, বর্তমান পোশাকের একটি বড় সমস্যা হলো—রাতে আলো পড়লেও রঙ স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে না। তাই এমন রঙ নির্বাচন করার চিন্তা করা হচ্ছে, যা অন্ধকারেও দৃশ্যমান হবে।

বিষয়: বিএনপিপোশাকপুলিশট্রাফিক পুলিশঅন্তর্বর্তী সরকার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

  • ২

    ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কী লাগে? ৫টি যোগ্যতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি?

  • ৩

    বাংলাদেশ লিড নেওয়ার আশায় বাধা রহমতের প্রতিরোধ

  • ৪

    কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

  • ৫

    দিল্লিতে লকডাউন পরিস্থিতি: ৬ হাজার আটক, সিজেপির আন্দোলন ‘চলবে’

সম্পর্কিত
  • দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

    চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক মানের এই অপারেটরের মাধ্যমে টার্মিনাল পরিচালিত হলে বাড়বে দক্ষতা, কমবে জাহাজের অবস্থানকাল এবং আয় বাড়বে বন্দরের।

  • বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    বার বার হয় দাম নির্ধারণ, তবু এলপি গ্যাস মেলে না কেন

    রাজধানীর দোকানে দোকানে ঘুরে এলপি গ্যাস পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কোনো দোকানে পাওয়া গেলে তার জন্য গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে দুই হাজার ৪০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ ছিল, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় এলপি গ্যাস। যদিও তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স

  • গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    গবেষণার নতুন নিয়মে আপত্তি কেন শিক্ষকদের?

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চলতি অর্থ-বছরের বাজেটে গবেষণায় কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। গবেষণায় বরাদ্দে নতুন নিয়ম করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এখন থেকে ইউজিসি গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা করে তহবিল দেবে।

  • ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় লাভ আসলে কেমন? নিয়ন্ত্রণ কার?

    রাজধানীর গলি থেকে আবাসিক সড়ক, বাজার, এমনকি প্রধান সড়কও এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। ‘অটোরিকশা’ নামেই বেশি পরিচিত এই রিকশাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিশাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।