Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

বহিষ্কৃত সেনাসদস্যদের ব্যবহার করে ‘হামলার পরিকল্পনায়’ দুই সংগঠন

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২: ০০
বহিষ্কৃত সেনাসদস্যদের ব্যবহার করে ‘হামলার পরিকল্পনায়’ দুই সংগঠন

রাজধানীসহ সারাদেশে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিষিদ্ধ ঘোষিত দুই উগ্রবাদী সংগঠনের সমন্বয়ে একটি সংগঠিত চক্র রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) লক্ষ্য করে হামলার ছক তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, বহিষ্কৃত দুই সেনাসদস্যের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে কেপিআইতে হামলার পরিকল্পনা ছিল ওই চক্রের।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পুলিশ সদর দপ্তর, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের কনফিডেনশিয়াল শাখা থেকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও জেলা পুলিশ সুপারদের পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত উগ্রবাদী সদস্য ইশতিয়াক আহম্মেদ ওরফে সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে চাকরিচ্যুত দুই সেনাসদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য মিলেছে।

চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়, তারা জাতীয় সংসদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনা, উপাসনালয়, শাহবাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। এমনকি অস্ত্রাগার লক্ষ্য করেও হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে ওই চিঠিতে বলা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি, এসবি, এটিইউ ও সিটিটিসিসহ দেশের সব পুলিশ সুপারকে নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইশতিয়াক আহম্মেদ ওরফে সামী, যিনি সংগঠনে আবু বক্কর ও আবু মোহাম্মদ নামেও পরিচিত গত বছর গ্রেপ্তার হন। নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সক্রিয় সদস্য এবং আনসার আল ইসলামের (এবিটি) সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। সামী এই চক্রের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন।

সিটিটিসির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সামী দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এবং গোপনে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারে কাজ করছিলেন। বিশেষ করে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে একটি ‘ইনসাইড নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলেন।

রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ভূ-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশtarek-rahman

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, সামীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কৃত জেসিও মোহাম্মদ সিরাজ এবং মোহাম্মদ আল আমিন। এই দুইজন উগ্রবাদী মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে সংগঠনের পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছিলেন।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সাবেক সামরিক সদস্যদের যুক্ত করার মাধ্যমে চক্রটি কৌশলগত সুবিধা নিতে চাইছিল। এতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং অস্ত্রাগার সম্পর্কিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই চক্র দেশের বিভিন্ন কেপিআই লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করছিল। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থাপনা, শাহবাগ এলাকা, বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় এবং জনবহুল বিনোদন কেন্দ্রে হামলার ছক করেছে তারা। মূলত হিযবুত তাহরীর ও আনসার আল ইসলামের মতাদর্শে তারা ছোট ছোট কয়েকটি দল গঠন করেছে। এই দলগুলো দিয়ে তারা দেশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছে।

একযোগে একাধিক কেন্দ্রে বা স্থাপনায় বোমা হামলা করে জনসাধারণের মধ্যে ভীতি তৈরির চেষ্টা করছে। এমন একটি পরিকল্পনার নকশাও জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সিটিটিসি জানায়, তারা জুমার নামাজের পর জনসমাগমকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের আশঙ্কাও ছিল।

‘স্লিপার সেল’ ও অনলাইন নেটওয়ার্ক

গোয়েন্দা নজরদারিতে উঠে এসেছে, চক্রটি ‘স্লিপার সেল’ পরিচালনা করছে। ছোট ছোট গোপন দলে বিভক্ত হয়ে সদস্যরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। তারা মূলত এনক্রিপ্টেড কিছু অ্যাপ, বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

সিটিটিসির সাইবার ইন্টেলিজেন্স টিম এরই মধ্যে এই নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ শুরু করেছে। ডিএমপির গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ছদ্মনাম ব্যবহার করে অনলাইনে প্রচার চালানো এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রাজনীতি: পঞ্চাশ বছর পর কোন পথে বাংলাদেশ?bd map

‘মার্চ ফর খিলাফত’

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, সংগঠনটি ‘মার্চ ফর খিলাফত’ নামে প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং এবং ছোট পরিসরের সমাবেশের মাধ্যমে তারা জনমত তৈরির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হচ্ছে।

গোয়েন্দাদের মতে, এই প্রচারণার আড়ালে সংগঠনটি তাদের সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠন এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ৭ মার্চ হিযবুত তাহরীর একই নামে একটি কর্মসূচি ডেকেছিল। পুলিশি বাধায় সেই কর্মসূচি পণ্ড হয়।

গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠির পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং সিটিটিসি যৌথভাবে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সশস্ত্র পাহারার পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপির সিটিটিসি বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, “এই মুহূর্তে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে যেকোনো সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি।”

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রের আরো বেশ কয়েকজন সদস্য এখনো পলাতক। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে।

২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের সময় হওয়া সহিংসতায় বিভিন্ন কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, জঙ্গিসহ প্রায় ২২০০ বন্দি পালিয়ে যায়, যার মধ্যে ৭০০ জন এখনো ধরা পড়েনি। তাদের মধ্যে কয়েকজন জঙ্গিও রয়েছে। সে সময় কারারক্ষীদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুটের ঘটনাও ঘটে। কারাগারগুলো থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বিষয়:

গোয়েন্দা সংস্থানিরাপত্তাপুলিশসেনাবাহিনীঅভ্যুত্থানঅন্তর্বর্তী সরকাররাজধানী
১

জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন চলছে

২

এনআরবি ব্যাংক-হলিডে ইনের মধ্যে চুক্তি সই

৩

মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে তেহরানে যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

৪

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৯ বার পেছাল

৫

যুক্তরাষ্ট্র: চিরস্থায়ী শত্রু নয়, দরকার বাস্তব কূটনীতি

সম্পর্কিত

রংপুরে ৪ খুন যেভাবে সামনে এল, প্রতিবেশীরা কি জেনেও চুপ ছিল?

রংপুরে ৪ খুন যেভাবে সামনে এল, প্রতিবেশীরা কি জেনেও চুপ ছিল?

গত শনিবার রাতে রংপুরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার হয়। কিন্তু হত্যাকাণ্ড

খুলনায় ডেঙ্গু নিয়ে মুখোমুখি বিএনপি-কেসিসি

খুলনায় ডেঙ্গু নিয়ে মুখোমুখি বিএনপি-কেসিসি

সারাদেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিনই প্রাণহানিসহ আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। খুলনার অবস্থাও বেশ নাজুক। এমন পরিস্থিতির জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে নগর বিএনপি। গতকাল সোমবার এক সভায় এমনটা বললেও আজ মঙ্গলবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে নগর বিএনপি।

প্রবাসী শ্রমিকদের টাকার খবর রাখে সবাই, মনের খবর রাখে কে?

প্রবাসী শ্রমিকদের টাকার খবর রাখে সবাই, মনের খবর রাখে কে?

রুমা ও সেলিম- দুজনই সরকারি ও বৈধভাবে প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে পাড়ি দিয়েছিলেন বিদেশে। কিন্তু দেশে ফেরার পর তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা কেউই বিবেচনা করেনি। বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) সহায়তায় তারা এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

বাদ্যযন্ত্র কেনা ‘কমে গেছে’, ব্যবসা লাটে ওঠার শঙ্কা

বাদ্যযন্ত্র কেনা ‘কমে গেছে’, ব্যবসা লাটে ওঠার শঙ্কা

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সাংস্কৃতিক পরিসর অনেকটাই সংকুচিত হয়েছে বলে দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এর প্রভাবে ভাটা পড়েছে সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রধান অনুষঙ্গ বাদ্যযন্ত্র ব্যবসায়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি, বাদ্যযন্ত্র বিক্রি কমে গেছে ৫০% এরও বেশি।