চরচা ডেস্ক

স্ন্যাকস হিসেবে ড্রাইফ্রুট বা শুকনো ফলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তবে হৃদস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সব ধরনের শুকনো ফল সমান উপকারী নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত কিমস হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আমরিন শেখ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে চাইলে ড্রাইফ্রুট অবশ্যই বুঝেশুনে খাওয়া উচিত।
সঠিক ড্রাইফ্রুট বাছাই
আমরিন শেখ বলেন, “সব ড্রাইফ্রুট একরকম নয়। হৃদরোগীদের জন্য বাদামজাতীয় খাবার, যেমন: কাঠবাদাম, আখরোট ও পেস্তা বেছে নেওয়া উচিত। কারণ এগুলোতে স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো রাখতে সাহায্য করে।”
এই বিশেষজ্ঞ আরও জানান, এই খাবারগুলোতে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। পাশাপাশি, কিশমিশ ও ডুমুরের মতো প্রাকৃতিকভাবে শুকানো ফলও অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কারণ এতে রয়েছে আঁশ ও বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
তবে কোন পদ্ধতিতে খাবারগুলো শুকানো হচ্ছে, তা নিয়ে সতর্ক করেছেন এই পুষ্টিবিদ। তিনি বলেন, “অতিরিক্ত চিনি মেশানো, ক্যান্ডি করা বা লবণযুক্ত ড্রাইফ্রুট এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলো সোডিয়াম ও চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আমরিন শেখ সতর্ক করে বলেন, ড্রাইফ্রুটে প্রাকৃতিক চিনি ঘন অবস্থায় থাকে, তাই এটি বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা বিপাকজনিত সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া উচিত। এজন্য ড্রাইফ্রুট বাদামের সঙ্গে বা খাবারের পর খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এতে রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়ানো যায় বলে মনে করেন তিনি।
ড্রাইফ্রুট কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ উন্নত করতে পারে?
আমরিন শেখ বলেন, সঠিকভাবে খেলে ড্রাইফ্রুট কিছু উপকার দিতে পারে। বিশেষ করে আখরোট ও কাঠবাদামে হৃদস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে, যা সময়ের সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
পটাশিয়ামসমৃদ্ধ শুকনো ফলের কথাও উল্লেখ করেন এই পুষ্টিবিদ। তিনি বলেন, “কিশমিশ ও এপ্রিকটের মতো শুকনো ফলে পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এর উপকার পেতে হলে নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেতে হবে, অতিরিক্ত নয়।”
আমরিনের পরামর্শ, “সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারও অতিরিক্ত খেলে সমস্যা তৈরি করতে পারে। প্রতিদিন এক মুঠো বা ৫ থেকে ১০টি বাদাম বা এক থেকে দুই টেবিল চামচ শুকনো ফল হলো নিরাপদ পরিমাণ।”
এই পুষ্টিবিদ সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত খেলে ক্যালোরি বেশি হয়ে যেতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। আর ওজন বাড়া হৃদযন্ত্রের জন্য একটি পরিচিত ঝুঁকি।

স্ন্যাকস হিসেবে ড্রাইফ্রুট বা শুকনো ফলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তবে হৃদস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সব ধরনের শুকনো ফল সমান উপকারী নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত কিমস হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আমরিন শেখ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে চাইলে ড্রাইফ্রুট অবশ্যই বুঝেশুনে খাওয়া উচিত।
সঠিক ড্রাইফ্রুট বাছাই
আমরিন শেখ বলেন, “সব ড্রাইফ্রুট একরকম নয়। হৃদরোগীদের জন্য বাদামজাতীয় খাবার, যেমন: কাঠবাদাম, আখরোট ও পেস্তা বেছে নেওয়া উচিত। কারণ এগুলোতে স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো রাখতে সাহায্য করে।”
এই বিশেষজ্ঞ আরও জানান, এই খাবারগুলোতে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। পাশাপাশি, কিশমিশ ও ডুমুরের মতো প্রাকৃতিকভাবে শুকানো ফলও অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কারণ এতে রয়েছে আঁশ ও বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
তবে কোন পদ্ধতিতে খাবারগুলো শুকানো হচ্ছে, তা নিয়ে সতর্ক করেছেন এই পুষ্টিবিদ। তিনি বলেন, “অতিরিক্ত চিনি মেশানো, ক্যান্ডি করা বা লবণযুক্ত ড্রাইফ্রুট এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলো সোডিয়াম ও চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আমরিন শেখ সতর্ক করে বলেন, ড্রাইফ্রুটে প্রাকৃতিক চিনি ঘন অবস্থায় থাকে, তাই এটি বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা বিপাকজনিত সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া উচিত। এজন্য ড্রাইফ্রুট বাদামের সঙ্গে বা খাবারের পর খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এতে রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়ানো যায় বলে মনে করেন তিনি।
ড্রাইফ্রুট কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ উন্নত করতে পারে?
আমরিন শেখ বলেন, সঠিকভাবে খেলে ড্রাইফ্রুট কিছু উপকার দিতে পারে। বিশেষ করে আখরোট ও কাঠবাদামে হৃদস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে, যা সময়ের সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
পটাশিয়ামসমৃদ্ধ শুকনো ফলের কথাও উল্লেখ করেন এই পুষ্টিবিদ। তিনি বলেন, “কিশমিশ ও এপ্রিকটের মতো শুকনো ফলে পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এর উপকার পেতে হলে নিয়মিত ও পরিমিতভাবে খেতে হবে, অতিরিক্ত নয়।”
আমরিনের পরামর্শ, “সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারও অতিরিক্ত খেলে সমস্যা তৈরি করতে পারে। প্রতিদিন এক মুঠো বা ৫ থেকে ১০টি বাদাম বা এক থেকে দুই টেবিল চামচ শুকনো ফল হলো নিরাপদ পরিমাণ।”
এই পুষ্টিবিদ সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত খেলে ক্যালোরি বেশি হয়ে যেতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। আর ওজন বাড়া হৃদযন্ত্রের জন্য একটি পরিচিত ঝুঁকি।