চরচা ডেস্ক

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দুঃশাসন ও গণতান্ত্রিক সংকটের পর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দেশে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। বাসস জানায়, আজ মঙ্গলবার সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ ধারায় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও দেশের জনগণ এখনো প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক অধিকার পুরোপুরি পায়নি। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচিত সরকার থাকলেও ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একাধিক সরকারের আমলে সংবিধানের মূল চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জনগণের ভোটের মূল্য অনেক ক্ষেত্রে নস্যাৎ করা হয়েছে।
শফিকুর রহমান ২০০৯ সালের পরবর্তী দীর্ঘ সময়ের শাসনকালকে ‘দুঃশাসনের সময়’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ সময়ে বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, এখনো ২৩৫ জন গুম হওয়া ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন এবং ২ হাজার ৬৬২ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ক্ষোভ জমা হচ্ছিল, যার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে। ছাত্র-যুবকদের নেতৃত্বে কৃষক, শ্রমিক, নারী, শিশু ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই আন্দোলন একটি সর্বজনীন গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে ন্যায়, সমতা ও গণতন্ত্রভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা আরও জোরালো হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির জারি করা আদেশ ভবিষ্যৎ সংবিধান সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে একটি কার্যকর, গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দুঃশাসন ও গণতান্ত্রিক সংকটের পর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দেশে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। বাসস জানায়, আজ মঙ্গলবার সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ ধারায় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও দেশের জনগণ এখনো প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক অধিকার পুরোপুরি পায়নি। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচিত সরকার থাকলেও ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একাধিক সরকারের আমলে সংবিধানের মূল চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জনগণের ভোটের মূল্য অনেক ক্ষেত্রে নস্যাৎ করা হয়েছে।
শফিকুর রহমান ২০০৯ সালের পরবর্তী দীর্ঘ সময়ের শাসনকালকে ‘দুঃশাসনের সময়’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ সময়ে বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, এখনো ২৩৫ জন গুম হওয়া ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন এবং ২ হাজার ৬৬২ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ক্ষোভ জমা হচ্ছিল, যার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে। ছাত্র-যুবকদের নেতৃত্বে কৃষক, শ্রমিক, নারী, শিশু ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই আন্দোলন একটি সর্বজনীন গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে ন্যায়, সমতা ও গণতন্ত্রভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা আরও জোরালো হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির জারি করা আদেশ ভবিষ্যৎ সংবিধান সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে একটি কার্যকর, গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।