
সংবিধান সংস্কার পরিষদ ব্যর্থ হলে ২৭০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে গৃহীত হওয়ার সুপারিশকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন সালাহউদ্দিন।

কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে যেসব বিষয় সাংবিধানিক নয়, সেগুলো অধ্যাদেশ বা অফিস আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তাই সরকার যেন এই বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করে, সে অনুরোধ করা হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদ গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়। ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে অংশ নেওয়া ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এই দলিলে সই করেছেন।

এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, “জুলাই সনদ যেন একটা আইনি ভিত্তি পরিপূর্ণভাবে লাভ করতে পারে, সে কারণে আমরা দীর্ঘসময় ধরে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত না জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির জায়গা নিশ্চিত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এই চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর হয়।

নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, 'জামায়াতে ইসলামী পিআর পদ্ধতি নিয়ে যে তথাকথিত আন্দোলন শুরু করেছিল, আসলে সেটি ছিল এক সুচিন্তিত রাজনৈতিক প্রতারণা।

“কমিশনের লক্ষ্য হলো ১০ তারিখের মধ্যে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করা।”