চরচা প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বছরব্যাপী আলোচনাকে ‘জাতির সঙ্গে প্রতারণামূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
ফখরুল বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব ও সুপারিশ থেকে বোঝা যায়, দীর্ঘ এক বছরব্যাপী জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের ধারাবাহিক আলোচনা মূলত অর্থহীন, সময় ও সম্পদের অপচয়মূলক, প্রহসনাত্মক এবং জাতির সঙ্গে প্রতারণামূলক ছিল।”
গত মঙ্গলবার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার জমা দেয় ঐকমত্য কমিশন। ওই সুপারিশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার ক্ষমতা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। যে কোনো আদেশ অবশ্যই রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত হতে হবে।
মির্জা ফখরুল ঐকমত্য কমিশনের ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ তুলে ধরে বলেন, “দফাসমূহের বিপরীতে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলসমুহের মতামত, ভিন্নমত, নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং সুপারিশ একপেশে ও জবরদস্তিমুলকভাবে জাতির উপরে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”
২৭০ দিনের মধ্যে গণভোট অনুমোতি সংবিধান বিল সম্পর্কে ফখরুল বলেন, “সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ২৭০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যদি সংস্কার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে গণভোটে অনুমোদিত সংবিধান সংস্কার বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হাস্যকর।”
“জাতীয় সংসদে অনুমোদনের পর যে কোন বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনপ্রাপ্তির পরই কেবল আইনে পরিণত হয়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই এবং তা গণতান্ত্রিক রীতি ও সংসদীয় সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।”
গণভোট প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০২৬ সনের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।”
“সময় স্বল্পতা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল অঙ্কের ব্যয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ব্যাপক লোকবল নিয়োগ এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মত বিশাল আয়োজনের বিবেচনায় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট অনুষ্ঠান অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং অবিবেচনাপ্রসূত।”

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বছরব্যাপী আলোচনাকে ‘জাতির সঙ্গে প্রতারণামূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
ফখরুল বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব ও সুপারিশ থেকে বোঝা যায়, দীর্ঘ এক বছরব্যাপী জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের ধারাবাহিক আলোচনা মূলত অর্থহীন, সময় ও সম্পদের অপচয়মূলক, প্রহসনাত্মক এবং জাতির সঙ্গে প্রতারণামূলক ছিল।”
গত মঙ্গলবার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার জমা দেয় ঐকমত্য কমিশন। ওই সুপারিশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার ক্ষমতা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। যে কোনো আদেশ অবশ্যই রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত হতে হবে।
মির্জা ফখরুল ঐকমত্য কমিশনের ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ তুলে ধরে বলেন, “দফাসমূহের বিপরীতে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলসমুহের মতামত, ভিন্নমত, নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং সুপারিশ একপেশে ও জবরদস্তিমুলকভাবে জাতির উপরে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।”
২৭০ দিনের মধ্যে গণভোট অনুমোতি সংবিধান বিল সম্পর্কে ফখরুল বলেন, “সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ২৭০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যদি সংস্কার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে গণভোটে অনুমোদিত সংবিধান সংস্কার বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হাস্যকর।”
“জাতীয় সংসদে অনুমোদনের পর যে কোন বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনপ্রাপ্তির পরই কেবল আইনে পরিণত হয়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই এবং তা গণতান্ত্রিক রীতি ও সংসদীয় সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।”
গণভোট প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০২৬ সনের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।”
“সময় স্বল্পতা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল অঙ্কের ব্যয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ব্যাপক লোকবল নিয়োগ এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মত বিশাল আয়োজনের বিবেচনায় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট অনুষ্ঠান অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং অবিবেচনাপ্রসূত।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।