চরচা ডেস্ক

টানা তিনদিনের উত্তেজনার পর পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় সময় আগামীকাল মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছে দুই দেশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সব বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হবে। আপাতত উভয়পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। মঙ্গলবার কাতারের দোহায় আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৭ জুন যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তা সত্ত্বেও একে-অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে কয়েক দিন ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রাখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
গতকাল রোববার ভোরে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে না চললে ইরানের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যেতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করার পর থেকেই মূলত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে এখন আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল জানায়, রোববার তারা আবারও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার লেবাননের সঙ্গে নতুন যুদ্ধবিরতির পর শনিবারও একই ধরনের আরেকটি হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, সমঝোতা কার্যকর রাখতে হলে লেবাননের সংঘাতও বন্ধ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৪ দফার অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির লক্ষ্য ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান খোঁজা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করাও এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে দফায় দফায় হামলার কারণে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

টানা তিনদিনের উত্তেজনার পর পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় সময় আগামীকাল মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছে দুই দেশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সব বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হবে। আপাতত উভয়পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। মঙ্গলবার কাতারের দোহায় আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৭ জুন যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তা সত্ত্বেও একে-অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে কয়েক দিন ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রাখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
গতকাল রোববার ভোরে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে না চললে ইরানের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যেতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করার পর থেকেই মূলত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে এখন আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল জানায়, রোববার তারা আবারও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার লেবাননের সঙ্গে নতুন যুদ্ধবিরতির পর শনিবারও একই ধরনের আরেকটি হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, সমঝোতা কার্যকর রাখতে হলে লেবাননের সংঘাতও বন্ধ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৪ দফার অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির লক্ষ্য ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান খোঁজা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করাও এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে দফায় দফায় হামলার কারণে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।