চরচা ডেস্ক

আফগানিস্তান সীমান্তে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রাতের ওই অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এক্সবার্তায় আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান এবং সিন্ধ প্রদেশে আফগান সন্ত্রাসীদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার জবাব দিতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এদিকে, আফগানিস্তান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের হামলায় নারী ও শিশুসহ কয়েক ডজন বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা এই কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানাই। এটিকে আমরা একটি অপরাধ ও নৃশংসতার শামিল বলে মনে করি।”
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতরা পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির সদস্য ছিল। কয়েক বছর আগেই টিটিপেকে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তানের সরকার।
সরকারিভাবে এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বলা হয় পাকিস্তানে। আতালউল্লাহ তারারও তার এক্সবার্তায় নিহতদের ফিৎনা আল খারিজির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন।
আগের দিন শনিবার রাতে সিন্ধু রাজ্যের রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে নিহত হয়েছিলেন রেঞ্জার্সের তিন কর্মকর্তা।
সেই হামলার পরেই রোববার এ অভিযান পরিচলনার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার রেঞ্জার্স সদস্যরাও পাল্টা হামলা করেছিলেন। তাদের হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১ জন। আহত সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ‘জামাতুল আখবার’ নামে একটি পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠীটি টিটিপিরই একটি শাখা গোষ্ঠী।

আফগানিস্তান সীমান্তে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রাতের ওই অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এক্সবার্তায় আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান এবং সিন্ধ প্রদেশে আফগান সন্ত্রাসীদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার জবাব দিতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এদিকে, আফগানিস্তান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের হামলায় নারী ও শিশুসহ কয়েক ডজন বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা এই কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানাই। এটিকে আমরা একটি অপরাধ ও নৃশংসতার শামিল বলে মনে করি।”
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতরা পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির সদস্য ছিল। কয়েক বছর আগেই টিটিপেকে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তানের সরকার।
সরকারিভাবে এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বলা হয় পাকিস্তানে। আতালউল্লাহ তারারও তার এক্সবার্তায় নিহতদের ফিৎনা আল খারিজির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন।
আগের দিন শনিবার রাতে সিন্ধু রাজ্যের রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে নিহত হয়েছিলেন রেঞ্জার্সের তিন কর্মকর্তা।
সেই হামলার পরেই রোববার এ অভিযান পরিচলনার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার রেঞ্জার্স সদস্যরাও পাল্টা হামলা করেছিলেন। তাদের হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১ জন। আহত সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ‘জামাতুল আখবার’ নামে একটি পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠীটি টিটিপিরই একটি শাখা গোষ্ঠী।