চরচা ডেস্ক

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ‘অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট’ বা প্রদাহরোধী খাদ্যাভ্যাস এখন একটি বহুল আলোচিত বিষয়। এটি কেবল ওজন কমানোর কোনো সাময়িক মাধ্যম নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার একটি বিজ্ঞানসম্মত জীবনধারা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে অকাল বার্ধক্য রোধ, সবক্ষেত্রেই এই ডায়েটের কার্যকারিতা একে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন কী?
প্রদাহ মূলত শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যখন শরীরে কোনো আঘাত লাগে বা জীবাণু প্রবেশ করে, তখন শরীর তাকে সারাতে প্রদাহের সৃষ্টি করে। একে বলা হয় ‘অ্যাকিউট ইনফ্ল্যামেশন’। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন এই প্রদাহ দীর্ঘস্থায়ী হয় (ক্রনিক ইনফ্ল্যামেশন)। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব শরীরকে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের দিকে ঠেলে দেয়, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
জনপ্রিয়তার প্রধান কারণগুলো-

এই ডায়েটে যা থাকে
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবারের সমন্বয়। এর প্রধান উপাদানগুলো হলো-
অন্যদিকে, চিনিযুক্ত পানীয়, পরিশোধিত আটা-ময়দা, অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া স্ন্যাকস, প্যাকেটজাত খাবার যেমন- বিস্কুট, চানাচুর, চিপস এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন- বেকন, সালামি, সসেজ ইত্যাদি এই ডায়েটে বর্জন করা হয়।
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ হলো এটি কোনো ‘ক্রাশ ডায়েট’ নয়। এটি মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখায়। শুধুমাত্র ওষুধ নির্ভর না থেকে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে ভেতর থেকে সুস্থ থাকার এই বৈজ্ঞানিক উপায়টিই মানুষকে দিন দিন এর প্রতি আগ্রহী করে তুলছে।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন, জনস হপকিন্স মেডিসিন

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ‘অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট’ বা প্রদাহরোধী খাদ্যাভ্যাস এখন একটি বহুল আলোচিত বিষয়। এটি কেবল ওজন কমানোর কোনো সাময়িক মাধ্যম নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার একটি বিজ্ঞানসম্মত জীবনধারা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে অকাল বার্ধক্য রোধ, সবক্ষেত্রেই এই ডায়েটের কার্যকারিতা একে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন কী?
প্রদাহ মূলত শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যখন শরীরে কোনো আঘাত লাগে বা জীবাণু প্রবেশ করে, তখন শরীর তাকে সারাতে প্রদাহের সৃষ্টি করে। একে বলা হয় ‘অ্যাকিউট ইনফ্ল্যামেশন’। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন এই প্রদাহ দীর্ঘস্থায়ী হয় (ক্রনিক ইনফ্ল্যামেশন)। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব শরীরকে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের দিকে ঠেলে দেয়, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
জনপ্রিয়তার প্রধান কারণগুলো-

এই ডায়েটে যা থাকে
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবারের সমন্বয়। এর প্রধান উপাদানগুলো হলো-
অন্যদিকে, চিনিযুক্ত পানীয়, পরিশোধিত আটা-ময়দা, অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া স্ন্যাকস, প্যাকেটজাত খাবার যেমন- বিস্কুট, চানাচুর, চিপস এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন- বেকন, সালামি, সসেজ ইত্যাদি এই ডায়েটে বর্জন করা হয়।
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ হলো এটি কোনো ‘ক্রাশ ডায়েট’ নয়। এটি মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখায়। শুধুমাত্র ওষুধ নির্ভর না থেকে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে ভেতর থেকে সুস্থ থাকার এই বৈজ্ঞানিক উপায়টিই মানুষকে দিন দিন এর প্রতি আগ্রহী করে তুলছে।
তথ্যসূত্র: হেলথলাইন, জনস হপকিন্স মেডিসিন