চরচা ডেস্ক

আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় এ খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে তেহরান।
ইরানের এই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইসলামাবাদে আলোচকদের পাঠাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। তারা আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।”
এদিকে, ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টাকালে এতে হামলা চালানো হয় বলে জানান ট্রাম্প।
ইরানের আধা–সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা জানানো হয়, জাহাজটি চীন থেকে আসছিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী খুব শিগগিরই মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই সশস্ত্র জলদস্যুতার জবাব দেবে এবং এর চরম প্রতিশোধ নেবে।”
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই ঘটনায় কারণে আলোচকরা পাকিস্তানে আবার বৈঠকে বসার আগেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরানি সরকারি সংবাদমাধ্যম রোববার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাতে জানায়, “ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা এ মুহূর্তে ইরানের নেই।”
দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত দাবি, অবাস্তব প্রত্যাশা, অবস্থানের ঘন ঘন পরিবর্তন, বারবার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং চলমান নৌ অবরোধের কারণে তারা ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান।
অন্যদিকে, ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আমরা অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ তারা যদি তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।”

আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যায় এ খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে তেহরান।
ইরানের এই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইসলামাবাদে আলোচকদের পাঠাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। তারা আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।”
এদিকে, ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টাকালে এতে হামলা চালানো হয় বলে জানান ট্রাম্প।
ইরানের আধা–সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা জানানো হয়, জাহাজটি চীন থেকে আসছিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী খুব শিগগিরই মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই সশস্ত্র জলদস্যুতার জবাব দেবে এবং এর চরম প্রতিশোধ নেবে।”
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই ঘটনায় কারণে আলোচকরা পাকিস্তানে আবার বৈঠকে বসার আগেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরানি সরকারি সংবাদমাধ্যম রোববার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাতে জানায়, “ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা এ মুহূর্তে ইরানের নেই।”
দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত দাবি, অবাস্তব প্রত্যাশা, অবস্থানের ঘন ঘন পরিবর্তন, বারবার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং চলমান নৌ অবরোধের কারণে তারা ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান।
অন্যদিকে, ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আমরা অত্যন্ত ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ তারা যদি তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।”