
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ আসলে কেমন ঘুমায়? সকলের ঘুমের সময় এবং অভ্যাস কি একই রকম?
গেল বছর ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের ঘুমের অভ্যাসের একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া যায়, দেশভেদে মানুষের ঘুমের ধরনে বেশ পার্থক্য রয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, রাতে সবচেয়ে বেশি ঘুম হয় উত্তর ইউরোপের দেশ এবং ওশেনিয়া মহাদেশের মানুষের।এই অঞ্চলের মানুষেরা প্রতি রাতে গড়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা করে ঘুমান। ‘দ্য ইকোনমিস্টে’র তৈরি করা 'লাই-ইনডেক্স' সূচকে শীর্ষে থাকা দেশগুলো হলো, নিউজিল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড এবং এস্তোনিয়া।
বিশ্বব্যাপী ঘুমের মানের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে এশিয়ার দেশগুলো। এশিয়ার মানুষ গড়ে প্রতিদিন ৬.৫ ঘণ্টারও কম ঘুমায়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান কম ঘুমানো দেশগুলোর অন্যতম।
ঘুমের সময়কাল ও অভ্যাসের তারতম্যের পেছনে দেশীয় কাঠামো বেশ ভুমিকা রাখে। যেমন, দক্ষিণ আফ্রিকায় মানুষ তুলনামূলক তাড়াতাড়ি বিছানায় যায়। অন্যদিকে রাশিয়ানদের ঘুমাতে যেতে যেতে মাঝরাত পেরিয়ে যায়।
ভিক্টোরিয়া'স স্কুল অব নার্সিংয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. ক্রিস্টিন ওউ বিবিসি সায়েন্স ফোকাসকে বলেছেন, ‘মানুষের ঘুমকে প্রভাবিত করে আমাদের সংস্কৃতি, কাজের রুটিন, আবহাওয়া, আলো, সামাজিক নিয়ম এবং আরও অনেক কিছু।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দেশে যে পরিমাণ ঘুমকে “পর্যাপ্ত” মনে করা হয়, অন্য দেশে তা হয়তো খুব বেশি বা খুব কম মনে হতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়। পাশাপাশি মনোযোগের অভাব দেখা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুকি বাড়ে।’
ঘুমের এই ঘাটতি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলে না বরং এটি একটি দেশের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা এবং জনস্বাস্থ্যের জন্যও উদ্বেগের কারণ।
একজন ব্যক্তির ঘুমের অভাব তার কাজের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই কমে যাওয়া উৎপাদনশীলতার সম্মিলিত প্রভাবের ফলে প্রতি বছর বহু কর্মদিবস নষ্ট হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের এক রিপোর্টে দেখা যায়, আমেরিকাতে বছরে প্রায় ১২ লাখ কর্মদিবস নষ্ট হয়। সংখ্যাটি জাপানে প্রায় ৬ লাখ কর্মদিবসের কাছাকাছি। যার সরাসরি প্রভাব অর্থনীতিতে পরে। প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, আমেরিকায় বছরে প্রায় ৪১১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। যার ফলে আমেরিকান সরকার জিডিপি-র ২.২৮ শতাংশ হারায়। অপরদিকে, জাপানে বছরে প্রায় ১৩৮ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপি-র ২.৯২ শতাংশ হারায়।

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।