
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

মুখের যত্নের জন্যই নিয়মিত দাত ব্রাশ করতে হয়। দাঁতের যত্নে যেমন নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন, তেমনি দিনে দুবার ব্রাশ করাও জরুরি।
দাঁতকে ভালো রাখতে সকালে ও রাতে ব্রাশ করতে হবে। তবে সকালে নাস্তার আগে নাকি পরে দাঁত ব্রাশ করা ভালো সেটি নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছে আমেরিকার দাঁতের চিকিৎসার ক্লিনিক মার্শফিল্ড পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি।
তারা বলছে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নাশতার আগে দাঁত ব্রাশ করা কিছু ক্ষেত্রে বেশি উপকারী। কারণ রাতে ঘুমের মধ্যে আমাদের মুখে ব্যাকটেরিয়া বাড়ে। এতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখে বাজে গন্ধ হয়।
এই ব্যাকটেরিয়াই প্লাক তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এটি ক্ষতিকর স্তর, যা পরিষ্কার না করলে দাঁত ও মাড়ি উভয়েরই ক্ষতি করে। নাশতার আগে ব্রাশ করলে প্লাকের ওপর অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না।
এ ছাড়া, নাশতার আগে ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেলের ওপর একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি হয়, যা খাবারের অ্যাসিড থেকে দাঁতকে রক্ষা করে।
আর যদি কেউ নাশতার পরে ব্রাশ করতে পছন্দ করেন, তাহলে খাবার খাওয়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করতে হবে। এতে খাদ্যের অ্যাসিড এনামেলে আঘাত করার সুযোগ পায় না। এই নিয়ম শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। এই সময়টায় পানি পান বা চিনিমুক্ত চুইংগাম চিবানো যেতে পারে।
নাশতার আগে দাঁত ব্রাশ করলে লালার স্রাবও বেড়ে যায়, যা হজমে সাহায্য করে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া কমায়।
অবশ্য কখন ব্রাশ করা ভালো, সেটি ভিন্ন হতে পারে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা। কোনো বানান ভুল থাকলে ঠিক করো শুধু।

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।