
সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!
মানসিক ট্রমা এমন এক অভিজ্ঞতা, যা শুধু মনে নয় শরীরেও গভীর দাগ রেখে যায়। ভয়, লজ্জা, অনিরাপত্তা, বারবার একই ঘটনার স্মৃতি ফিরে আসা- এসবই ট্রমার সাধারণ প্রতিক্রিয়া। তবে গবেষণা বলছে, নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যই নয়, মানসিক পুনরুদ্ধারেও অসাধারণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস বা ট্রমার প্রভাব বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যায়াম হতে পারে এক শক্তিশালী কিন্তু স্বাভাবিক থেরাপি।
শরীরের স্ট্রেস সিস্টেমকে ‘রিসেট’ করে
ট্রমার সময়ে শরীরের ভেতরে “ফাইট অর ফ্লাইট” মোড অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে যায়। ফলে অযথা হৃদস্পন্দন বাড়ে, মাংসপেশি সঙ্কোচন হয় এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। নিয়মিত ব্যায়াম এই অবস্থাগুলোকে ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। বিশেষ করে কার্ডিও ব্যায়াম- হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং শরীরকে “এখন বিপদ নেই”- এমন সংকেত দেয় যে। ফলে শরীর-মন দুটোই শান্ত হতে শুরু করে।

ডোপামিন ও সেরোটোনিনের মতো হরমোন বাড়ায়
ট্রমার কারণে অনেক মানুষের মুড বা মেজাজ অনিয়মিত হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে হঠাৎ দুঃখ, ক্লান্তি বা অস্থিরতা এসে পড়ে। ব্যায়াম প্রাকৃতিকভাবে ডোপামিন, সেরোটোনিন ও এন্ডোরফিন নিঃসরণ বাড়ায়, যা মস্তিষ্কের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এগুলো ভালো মুডে রাখতে, ভয় কমাতে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক 'অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট'- এর মতো কাজ করে যেখানে শরীর নিজেই নিজের হিলিং বা নিরাময় প্রক্রিয়া চালায়।
শরীরের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ তৈরি হয়
অনেক ট্রমা- সারভাইভারের সমস্যা হলো তারা নিজের শরীরকে “নিরাপদ জায়গা” মনে করতে পারেন না। ব্যায়াম ধীরে ধীরে সেই সংযোগ ফিরিয়ে আনে। যোগব্যায়াম, স্ট্রেচিং বা শ্বাসের অনুশীলন শরীরকে ধীরে ধীরে সচেতন করে তোলে। বুঝতে সাহায্য করে কোন জায়গায় টান আছে, কোথায় ব্যথা, কীভাবে শ্বাস চলাচল করছে। এই সচেতনতা শরীরকে আবার নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে এমন অনুভূতিতে ফিরিয়ে আনতে পারে।
অনিদ্রা ও দুশ্চিন্তা কমায়
অনেকেই ট্রমার পর রাতে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেন না। ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত করে না বরং সঠিক সময় ক্লান্ত হতে শেখায়। নিয়মিত নড়াচড়া ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনে, ফলে রাতের ঘুম গভীর ও আরামদায়ক হয়। ভালো ঘুম মানসিক পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সহায়ক।
নিয়ন্ত্রণবোধ ও আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে
ট্রমার পর অনেকের মনে হয় জীবনের ওপর তাদের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ব্যায়াম এই ধারণাকে বদলে দিতে পারে। যখন কেউ নিয়মিত ব্যায়াম করতে থাকে, শরীরের শক্তি বাড়ে, ভঙ্গি বদলায়, মনোযোগ বাড়ে এগুলো আত্মবিশ্বাসকে দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তন করে। ছোট ছোট অর্জন যেমন, আজ ৫ মিনিট বেশি হাঁটলাম, আজ একটু বেশি স্ট্রেচ করতে পারলাম- এসবই আবার নিজের ওপর বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে।

নিরাপদ রুটিন তৈরি করে
ট্রমা অনেক সময় জীবনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ব্যায়াম একটি স্থির, নিয়মিত রুটিন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা নিরাপত্তা ও স্থিতি অনুভব করায়। প্রতিদিন একই সময়ে ১০-২০ মিনিট হাঁটাও এক ধরনের নিরাপদ কাঠামো তৈরি করে যা মনকে স্থির রাখে।
ব্যায়াম ট্রমা “জাদুর মতো” সারিয়ে দেয় না কিন্তু এটি ট্রমা কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত এবং স্থিতিশীল করে। থেরাপি, সামাজিক সমর্থন, বিশ্রাম এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যায়াম হতে পারে মানসিক সুস্থতার এক শক্তিশালী স্তম্ভ। যতটুকু সম্ভব, ততটুকু ধীরে ধীরে শুরু করাই যথেষ্ট।
তথ্যসূত্র: বডি ডায়নামিকস, বোস্টন ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট
বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রথম বৈঠক কাল দিল্লিতে, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?
অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?
নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।