
গান হলো আত্মার খোরাক। কিন্তু এটি কেবল বিনোদন নয়, একটি শক্তিশালী থেরাপিও। চারপাশের অস্থিরতায় আমাদের মন যখন বিষণ্ণতায় ভরে ওঠে, তখন এক চিলতে প্রশান্তি এনে দিতে পারে গান।

নারীদের বেশি ঘুমের প্রয়োজন কোনো অলসতা নয়, বরং এটি একটি জৈবিক চাহিদা। সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর রাতে গড়ে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুমের প্রয়োজন। নারীদের ঘুমের এই বিশেষ চাহিদাকে সম্মান জানানো উচিৎ।

এটি কোনো দুর্ঘটনা, ভয়ংকর সহিংসতা, প্রিয়জনের মৃত্যু কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে। এ ধরনের ঘটনার পর নিজেকে সামলে নেওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।

আমরা কী খাই, সেটি সরাসরি প্রভাব ফেলে সেরোটোনিন, ডোপামিনের মতো ‘ফিল-গুড’ নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। তাই মন খারাপ, ক্লান্তি বা অস্থিরতার সময়ে কিছু খাবার সত্যিই মুড বদলে দিতে পারে।

সবসময় নিঃসঙ্গ থাকা খারাপ নয়, যদি তা হয় নিজের পছন্দে এবং ভারসাম্যের সঙ্গে। একা থাকা মানে সমাজবিমুখ হওয়া নয়; বরং নিজের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা।

প্রথম পরিচয়, দু’একটা সুন্দর মুহূর্ত বা সামান্য যত্ন দেখলেই মনে হয়, ‘এই তো সেই মানুষ!’ শুনতে রোমান্টিক লাগলেও, বাস্তবে ইমোফিলিয়া-র রয়েছে বেশ কিছু কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক দিক।

শরীর ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর কম ঘুমালে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যই নয়, মানসিক পুনরুদ্ধারেও অসাধারণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস বা ট্রমার প্রভাব বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যায়াম হতে পারে এক শক্তিশালী কিন্তু স্বাভাবিক থেরাপি।

নিজের যত্ন বা সেল্ফ কেয়ারের দুনিয়া দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রতি মাসে বা সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আসছে নতুন নতুন ট্রেন্ড। নিজের যত্নের বেশিরভাগ ধারাগুলো আসছে জেন জি’দের হাত ধরে।

পুরুষ নিজের সমস্যাগুলো চেপে রাখে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি বা ক্রোধের মতো সমস্যায় রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে পুরুষদের ‘চাপ সহ্য করার ক্ষমতা’ নিয়ে একটি অতিরিক্ত প্রত্যাশা থাকে।

মানসিক দুর্বলতা আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করতে পারে। সেইসঙ্গে একজন ব্যক্তি হিসেবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠা থেকে বিরত রাখতে পারে। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভালো। কিন্তু মানসিকভাবে দুর্বল যদি হন তাহলে নিজেকে চিনুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অতিরিক্ত রাগের ফলে কমতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। অতিরিক্ত রেগে গেলে নার্ভের ওপর চাপ পড়ে, যা রক্তনালি প্রদাহের জন্য দায়ী ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।