Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

জেন জি’দের নতুন ট্রেন্ড ‘বেড রটিং’: এর ভালো কী, মন্দ কী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৬: ০০
জেন জি’দের নতুন ট্রেন্ড ‘বেড রটিং’: এর ভালো কী, মন্দ কী

নিজের যত্ন বা সেল্ফ কেয়ারের দুনিয়া দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রতি মাসে বা সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আসছে নতুন নতুন ট্রেন্ড। নিজের যত্নের বেশিরভাগ ধারাগুলো আসছে জেন জি’দের হাত ধরে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মানসিক চাপে ভরা আজকের জীবনে তরুণ প্রজন্ম নিজেদের রিচার্জ করার জন্য খুঁজে বেড়াচ্ছে নতুন উপায়। সেই তালিকায় সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ট্রেন্ড হলো ‘বেড রটিং’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে এই অভ্যাসকে ‘উপকারী বিশ্রাম’, কেউ আবার ‘আলসেমির গ্ল্যামারাইজেশন’ বলেও সমালোচনা করছেন। কিন্তু বেড রটিং আসলে কী?

বেড রটিং কী?

সহজ কথায়, বেড রটিং মানে হলো বিছানায় দীর্ঘ সময় ধরে থাকা, প্রয়োজনীয় কাজগুলো এড়িয়ে গিয়ে শরীর ও মনের বিশ্রাম নেওয়া। এটি সাধারণ বিশ্রাম নয়। এখানে কেউ বিছানায় শুয়ে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, অনেক সময় ফোন স্ক্রল করে, সিরিজ দেখে, বই পড়ে। আবার কেউ সম্পূর্ণ নীরব পরিবেশে শুয়ে থাকে কোনোকিছু না ভেবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বেড রটিং কারো কাছে “উপকারী বিশ্রাম”, কেউ আবার “আলসেমির গ্ল্যামারাইজেশন” বলেও সমালোচনা করছেন। ছবি: ফ্রিপিক
বেড রটিং কারো কাছে “উপকারী বিশ্রাম”, কেউ আবার “আলসেমির গ্ল্যামারাইজেশন” বলেও সমালোচনা করছেন। ছবি: ফ্রিপিক

জেন জি এই বিষয়টিকে দেখছে এক ধরনের ‘মাইক্রো-রিকভারি রিচ্যুয়াল’ হিসেবে। অর্থাৎ ছোট ছোট বিরতিতে নিজের মানসিক শক্তি ফেরত আনার উপায়।

এটি জনপ্রিয় হলো কেন?

জেন জি’দের জীবনযাত্রা, অনলাইন উপস্থিতি, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ, ভবিষ্যত-দুশ্চিন্তা, একাডেমিক চাপ, সম্পর্কের জটিলতা এসব মিলিয়ে এক ধরনের ‘অবিরাম চাপ’ তৈরি করে। তারা এমন একটি সেল্ফ কেয়ার চেয়েছে যেখানে বাড়তি এনার্জি লাগে না, তাদের কেউ না বুঝে জাজ বা বিচার করে না এবং নিজের জায়গায় থেকে নিরাপদ অনুভব করা যায়। এই বিছানা তাদের কাছে হয়ে উঠছে এক ধরনের ‘ইমোশনাল সেফ স্পেস’।

বেড রটিং-এর ভালো দিক: মানসিক বিরতি নেওয়ার সুযোগ

যখন দিনভর ব্যস্ততা বা চাপ জমে যায়, তখন হঠাৎ কিছু না করে শুয়ে থাকা মস্তিষ্কের জন্য বিশাল বিরতি। এই সময়টাতে শরীর রিল্যাক্স হয়, মানসিক গতি কমে এবং কর্টিসল লেভেল স্বাভাবিক হতে পারে।

নিজেকে পুনর্গঠনের সুযোগ

অনেকেই বলেন, বিছানায় ‘রট’ করার সময় তারা চিন্তা করেন না; বরং কিছু না করেই নিজের অনুভূতিগুলো ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যায়। ব্রেন ওভারলোড থেকে বের হয়ে আসার মতো একটি বিরতি এটি।

বেড রটিং অনেকের জন্য সহজলভ্য ও ব্যয়হীন সেল্ফ কেয়ার। ছবি: ফ্রিপিক
বেড রটিং অনেকের জন্য সহজলভ্য ও ব্যয়হীন সেল্ফ কেয়ার। ছবি: ফ্রিপিক

সহজলভ্য ও ব্যয়হীন সেল্ফ কেয়ার

কেউ জিমে যেতে বাধ্য নয়, কারো সাথে দেখা করতে হবে না, ব্যয়বহুল থেরাপি লাগবে না- শুধু নিজের ঘরে গিয়ে শান্তভাবে শুয়ে থাকা। তাই এটি অনেকের জন্য সহজ।

‘ওভার প্রডাক্টিভিটি’র চাপ ভাঙার সুযোগ

‘সবসময় ব্যস্ত থাকো’, ‘প্রডাক্টিভ হও’, এমন সামাজিক চাপের বিরুদ্ধে বেড রটিং হয়ে উঠেছে জেন জি’দের একধরনের নীরব প্রতিবাদ করছে। তারা বলছে, ‘বিশ্রামও কাজের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।’

বেড রটিং-এর মন্দ দিক: দীর্ঘমেয়াদে এনার্জি কমে যেতে পারে

অতিরিক্ত সময় বিছানায় থাকার ফলে শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ কমে যেতে পারে। এতে অলসতা বাড়ে, শরীর ঢিলে হয়ে যায়, এমনকি দিনের কাজে মনোযোগ কমতে পারে।

অভ্যাস হয়ে গেলে ক্লান্তি বাড়তে পারে

যারা নিয়মিত দিনের পর দিন বেড রটিং করেন, তাদের মধ্যে সিদ্ধান্তহীনতা, বিলম্ব করা বা কাজ পিছিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ফলে নতুন চাপ তৈরি হয়।

ঘুমের রুটিন নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি

বিছানা সাধারণত ঘুমের জন্য নির্ধারিত একটি জায়গা। সেখানে অকারণে অনেক সময় কাটালে মস্তিষ্ক ঘুম-সংকেত সঠিকভাবে বোঝে না। ফলে ঘুমের মান খারাপ হতে পারে।

অনেক সময় বেড রটিং আসলে গভীর ক্লান্তি, উদ্বেগ বা মানসিক সমস্যার একটি “লক্ষণ” হতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক
অনেক সময় বেড রটিং আসলে গভীর ক্লান্তি, উদ্বেগ বা মানসিক সমস্যার একটি “লক্ষণ” হতে পারে। ছবি: ফ্রিপিক

মানসিক সমস্যাকে ঢেকে রাখার ঝোঁক

অনেক সময় বেড রটিং আসলে গভীর ক্লান্তি, উদ্বেগ বা মানসিক সমস্যার একটি ‘লক্ষণ’ হতে পারে। ব্যক্তি সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার বদলে বিছানায় আশ্রয় নেয়। এতে মূল সমস্যাটি থেকে যায়।

তাহলে বেড রটিং কি ভালো, না খারাপ?

যদি মাঝেমধ্যে করা হয় যেমন সপ্তাহে একদিন দুই ঘণ্টা বিছানায় শুয়ে থাকা তাহলে এটি সত্যিই প্রশান্তিদায়ক হতে পারে। কিন্তু যদি প্রতিদিন দীর্ঘ সময় বিছানায় কাটাতে হয়, কাজ করতে ইচ্ছা না করে, অনুভূতি ভারী লাগে- তাহলে এটি একটি বিপদ সংকেত হতে পারে।

সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হলো ভারসাম্য। বিশ্রাম নিন, কিন্তু জীবন থেকেও পালিয়ে না গিয়ে।

তথ্যসূত্র: ভাইস, থ্রেড, ওয়েব এমডি

বিষয়: অভ্যাসমানসিক সমস্যামানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাতরুণজেনারেশন জেডলাইফস্টাইল
সর্বশেষ
  • ১

    গ্যাসের ওপর ভাসা থেকে গ্যাস সংকটের দেশ: পোড়া দেশলাই কাঠির ট্র্যাজেডি

  • ২

    ‘ছড়িয়ে পড়া’ চিরকুট কি এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের?

  • ৩

    রাবি শিক্ষার্থীকে পিটুনি: রেলের ৪ কর্মী বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি

  • ৪

    নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি প্রত্যাখ্যান ওলির

  • ৫

    নগদ অ্যাপে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবার সমঝোতা চুক্তি

সম্পর্কিত
  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

  • শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।