Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন কেন জরুরি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫: ০৬
পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন কেন জরুরি

সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যের আলোচনায় পুরুষের অবস্থান কিছুটা আড়ালে থাকে। কারণ বহু সংস্কৃতিতেই ‘পুরুষ মানেই শক্ত’, ‘পুরুষরা কাঁদে না’, ‘সমস্যা নিজেরাই সামলাতে হয়’- এই ধরনের ধারণা গভীরভাবে বসে আছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মানসিক স্বাস্থ্য লিঙ্গভেদে আলাদা নয়। পুরুষের মানসিক সুস্থতা পরিবার, কর্মক্ষেত্র এবং সমাজ- সব ক্ষেত্রেই গভীর প্রভাব ফেলে।

অনুভূতি প্রকাশের সীমাবদ্ধতা পুরুষদের মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে। সামাজিকভাবে পুরুষদের এমনভাবে বড় করা হয় যে তারা ভয়, দুঃখ, দুর্বলতা বা উদ্বেগ প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করে। ফলে তারা নিজের সমস্যাগুলো চেপে রাখে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি বা ক্রোধের মতো সমস্যায় রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে পুরুষদের ‘চাপ সহ্য করার ক্ষমতা’ নিয়ে একটি অতিরিক্ত প্রত্যাশা থাকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
পরিবারের স্তম্ভ হিসেবে চাপ মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা রাখে। ছবি: ফ্রিপিক
পরিবারের স্তম্ভ হিসেবে চাপ মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা রাখে। ছবি: ফ্রিপিক

পরিবারের স্তম্ভ হিসেবে চাপ মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকা রাখে। পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সন্তানদের ভবিষ্যৎ- সব কিছুর দায় অনেক সময় পুরুষের ওপর এসে পড়ে। এই অতিরিক্ত দায়বদ্ধতার চাপ তারা মুখে বলুক বা না বলুক, এগুলো ভিতরে ভিতরে মানসিক ক্লান্তি তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা প্রায়ই কর্মজীবন, সম্পর্ক বা আত্মপরিচয় নিয়ে উদ্বেগে ভোগেন, কিন্তু সাহায্য নেওয়া বা কাউন্সেলিংয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকেন।

সম্পর্কের টানাপোড়েন পুরুষদের মানসিক স্থিতি নাড়া দেয়। দাম্পত্য সমস্যা, আত্মসম্মানবোধে আঘাত, বিশ্বাসঘাতকতা বা আবেগিক দূরত্ব- এসব বিষয় পুরুষদের ক্ষেত্রেও গভীর মানসিক আঘাত সৃষ্টি করে। তবে তাদের কষ্ট বোঝার মতো সহানুভূতিশীল পরিবেশ সবসময় তৈরি হয় না। ফলে অনেক পুরুষ নানা সময়ে নীরব হয়ে যান, নিজেকে গুটিয়ে ফেলেন বা আচরণগত পরিবর্তন দেখান।

মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ প্রকাশে পার্থক্য রয়েছে। গবেষণা বলছে, পুরুষরা শব্দে অনুভূতি প্রকাশে দুর্বল হলেও আচরণে তাদের মানসিক সমস্যাগুলো অনেক বেশি স্পষ্ট হয়। রাগ, বিরক্তি, মাদকাসক্তি, অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়া বা সামাজিকভাবে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এই লক্ষণগুলোকে অনেকেই ‘ব্যক্তিত্ব’ বা ‘মুড’ হিসেবে দেখেন, কিন্তু আসলেই এগুলো মানসিক চাপের ইঙ্গিত হতে পারে।

সুস্থ পুরুষ মানেই সুস্থ পরিবার- এটা বোঝা জরুরি। একজন পুরুষ যদি আবেগিকভাবে স্থিতিশীল হন, তিনি পরিবারে নিরাপত্তা, সংযোগ এবং সৌহার্দ্য আনতে পারেন। শিশুরা তাদের বাবার আচরণ দেখে শেখে। তারা সহানুভূতি, আবেগ প্রকাশ এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের শিক্ষা অনেকটাই বাবার কাছ থেকে পায়। ফলে একজন পুরুষের মানসিক সুস্থতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক ও আবেগিক বিকাশে প্রভাব ফেলে।

সুস্থ পুরুষ মানেই সুস্থ পরিবার। ছবি: ফ্রিপিক
সুস্থ পুরুষ মানেই সুস্থ পরিবার। ছবি: ফ্রিপিক

সমাধান হিসেবে জরুরি হলো পুরুষদের জন্য নিরাপদ এবং বিচারহীন (নন-জাজমেন্টাল) পরিবেশ তৈরি করা, যাতে তারা নিজেদের অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে পারে। পরিবার, বন্ধু বা সঙ্গী- সবারই উচিত পুরুষের মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া। পাশাপাশি কাউন্সেলিং, থেরাপি এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা পুরুষদের জীবনমান উন্নত করতে পারে।

পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্য শুধু একজন ব্যক্তির নয়-একটি পরিবার, একটি সমাজ, একটি প্রজন্মের সুস্থতার ভিত্তি। তাই তাদের কষ্ট, চাপ এবং অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এজন্য পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের এগিয়ে আসতে হবে।

তথ্যসূত্র: ইউনিভার্সিটি হসপিটালস

বিষয়:

মানসিক সমস্যামানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাসম্পর্কপুরুষগবেষণালাইফস্টাইল
১

ছুটির সকালে বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী

২

‘হইতা যদি দেশের দেশি, সোনার যৌবন করতাম দান’

৩

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কতটা স্বাধীনতা পাবে?

৪

‘কালা চামড়ায় সাদা পালিশ করিলেই কি বেশি লাভ হয়?’

৫

ইরানের অর্থনীতিকে গলা টিপে ধরতে চাইছেন ট্রাম্প

সম্পর্কিত

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ