
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

আজকাল ‘ফিট’ থাকা মানেই শুধু জিম বা কঠিন শরীরচর্চা নয়। নিয়মিত হাঁটার সহজ অভ্যাসটাই হতে পারে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। চিকিৎসক ও গবেষকরা বলছেন, টানা দুই মাস প্রতিদিন অন্তত সাত হাজার কদম হাঁটলে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন আসে যা ওষুধে পাওয়া কঠিন।
ল্যানসেট পাবলিক হেলথে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, যারা প্রতিদিন দুই হাজার কদম হাঁটেন তাদের তুলনায় যারা সাত হাজার কদম হাঁটেন তাদের ক্যানসারে মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৭% কমে যায়। পাশাপাশি টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪%, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৩৮%, বিষণ্ণতা ২২% এবং উদ্বেগের ঝুঁকি ২৮% কমে যায়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি ২৫% এবং সামগ্রিক মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৭% হ্রাস করতে পারে।

এখানে প্রথমেই বলতে হবে হৃদ্স্বাস্থ্যের উন্নতির কথা। নিয়মিত হাঁটা হার্টকে শক্তিশালী করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমায়। একই সঙ্গে বাড়ে ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল), যা রক্তনালীকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
দুই মাস ধরে প্রতিদিন প্রায় সাত হাজার কদম (পাঁচ কিলোমিটার) হাঁটলে শরীর থেকে ২৫০-৩০০ ক্যালরি পর্যন্ত খরচ হয়। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে গড়ে দুই থেকে আড়াই কেজি ওজন কমানো সম্ভব, যদি খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর থাকে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে পেট ও কোমরে। এখানে ফ্যাট জমে সবচেয়ে বেশি।
শরীরের পাশাপাশি মনেও আসে পরিবর্তন। হাঁটার সময় শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’ হিসেবে পরিচিত সেরোটোনিন ও এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়। ফলে স্ট্রেস ও উদ্বেগ কমে, মেজাজ ভালো থাকে, এমনকি ঘুমও গভীর হয়।

অনেকেই দেখেছেন, নিয়মিত হাঁটার পর সকালে ঘুম থেকে ওঠা সহজ হয় এবং সারাদিন এনার্জি থাকে বেশি।
হাঁটার অভ্যাস পেশি ও হাড়ের জন্যও বেশ কার্যকর। বিশেষ করে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশি শক্ত হয়, হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে। এতে বয়স বাড়লেও সহজে ব্যথা বা অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে যায়। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে, ফলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।