
শীতকাল শুরু হতেই একটি সমস্যা দেখা দেয়, সেটি হলো পানি খাওয়ার অনীহা। এ সময় ত্বকও শুষ্ক হয়ে ওঠে। সাধারণভাবে মনে করা হয়, গরমকালেই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা হলো, শীতকালেও নীরবে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে।

পাউরুটি অনেকেরই পছন্দ, বিশেষত সকালের নাস্তায় অনেকেই এটা রাখেন। না ভেবেই প্রতিদিনই অভ্যাসবশত সকালের খাবারে এক টুকরো রুটি খেয়ে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, সেটি অনেকেরই অজানা।

ব্যায়াম করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে যেহেতু ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে, তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, শীতের সময় ব্যায়াম করা কি ঝুঁকিপূর্ণ? সংক্ষেপে উত্তর হলো, হ্যাঁ। শরীর প্রস্তুত না থাকলে ঠান্ডা আবহাওয়ায় ব্যায়াম করলে পেশিতে টান, জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, এমনকি গুরুতর আঘাতের ঝুঁকিও বাড়ে।

ডা. আগরওয়াল বলেন, ‘’যদি কেউ নিয়মিত দুপুর পর্যন্ত ঘুমান এবং তারপরও সারাদিন ক্লান্ত থাকে বা মনোযোগ দিতে না পারে, তবে এটি ‘হাইপারসমনিয়া’ নামের ঘুমজনিত সমস্যা হতে পারে। এ অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।”

যারা প্রতিদিন দুই হাজার কদম হাঁটেন তাদের তুলনায় যারা সাত হাজার কদম হাঁটেন তাদের ক্যানসারে মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৭% কমে যায়। পাশাপাশি টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪%, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৩৮%, বিষণ্ণতা ২২% এবং উদ্বেগের ঝুঁকি ২৮% কমে যায়।

ভালো ঘুমের জন্য সবার আগে বুঝতে হবে নিজের ঘুমের ধরণ। খেয়াল করুন, আপনি কি ঘুমাতে পারেন না? নাকি একটু পরপর আপনার ঘুম ভেঙে যায়? আপনি কি কম ঘুমিয়েও ঠিক থাকেন? নাকি ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্ত বোধ করেন?

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা থেকে মেটাবলিক ডিসফাংশন, স্থূলতা এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিস হতে পারে।

পাকস্থলী খালি থাকলে অ্যানাস্থেশিয়া দেওয়া বেশি নিরাপদ হয় এবং অস্ত্রোপচারও সঠিকভাবে শেষ করা যায়। এ কারণেই সব ধরনের অস্ত্রোপচারের আগেই চিকিৎসকরা এই নিয়মটি মেনে চলেন।