চরচা ডেস্ক

ভালো ঘুম আমাদের শরীর ও মনের পুনর্গঠনের মূল চাবিকাঠি। কিন্তু ব্যস্ত জীবন, মানসিক চাপ, বা অনিয়মিত রুটিনের কারণে অনেকেই নিয়মিতভাবে পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারেন না।
আমেরিকার সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুম থেকে বঞ্চিত। ফলে কেউ ঘুমের ওষুধের দিকে ঝুঁকছেন, কেউ আবার ঘুম মাপার অ্যাপ ব্যবহার করছেন শুধু একটু ভালো ঘুমের আশায়।
তাই ভালো ঘুমের জন্য সবার আগে বুঝতে হবে নিজের ঘুমের ধরণ। খেয়াল করুন, আপনি কি ঘুমাতে পারেন না? নাকি একটু পরপর আপনার ঘুম ভেঙে যায়? আপনি কি কম ঘুমিয়েও ঠিক থাকেন? নাকি ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্ত বোধ করেন?

পিএলওএস বায়োলজি নামের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ভালো ঘুম’ বা ‘খারাপ ঘুম’ বলে ঘুমের ভাগ করা যথেষ্ট নয়। বরং আমাদের প্রত্যেকের ঘুম ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচে গঠিত, যা আমাদের মানসিক অবস্থা, দৈনন্দিন জীবন ও মস্তিষ্কের কার্যক্রমের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। গবেষণায় ২২ থেকে ৩৬ বছর বয়সী ৭০০-রও বেশি প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের অভ্যাস, মানসিক স্বাস্থ্য, স্মৃতি ও মস্তিষ্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে পাঁচটি আলাদা ঘুমের ধরন শনাক্ত করা হয়।

এই পাঁচটি ধরন আমাদের মনে করিয়ে দেয় ঘুমের সমস্যা একরকম নয়, তাই সমাধানও এক নয়। কারও জন্য ঘুমের সময় বাড়ানোই যথেষ্ট, আবার কারও জন্য প্রয়োজন মানসিক প্রশান্তি বা চিকিৎসা সহায়তা। ঘুম বিষয়ে গবেষণা করা ড. লিয়ানা ওয়েন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ভালো ঘুম মানে শুধু ঘন্টার হিসাব নয়। এটি মানসিক অবস্থা, শারীরিক স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন অভ্যাসের সমন্বয়।’
ভালো ঘুমের জন্য কিছু সাধারণ পরামর্শও দিয়েছেন লিয়ানা ওয়েন। তিনি বলেন, অনেক সময় ঘুমের সমস্যা হয় কারণ আমরা পর্যাপ্ত সময় বিছানায় কাটাই না। যদি সাত ঘণ্টা ঘুমের লক্ষ্য থাকে, তাহলে অন্তত আট ঘণ্টা বিছানায় থাকার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জাগার অভ্যাসও জরুরি। ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। শীতল, নীরব ও অন্ধকার ঘর গভীর ঘুমে সহায়ক। ঘুমানোর আগে ফোন, টিভি বা ট্যাবলেটের পর্দা থেকে দূরে থাকা উচিত, কারণ এর আলো মেলাটোনিন নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত করে। দিনে দীর্ঘ সময় ঘুমানো থেকে বিরত থাকলেও রাতের ঘুম সহজ হয়।
এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম বা যোগব্যায়ামও ভালো ঘুমে সাহায্য করে। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো উপায়। চিকিৎসকেরা সম্ভাব্য শারীরিক কারণ চিহ্নিত করতে এবং সঠিক ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: সিএনএন হেলথ

ভালো ঘুম আমাদের শরীর ও মনের পুনর্গঠনের মূল চাবিকাঠি। কিন্তু ব্যস্ত জীবন, মানসিক চাপ, বা অনিয়মিত রুটিনের কারণে অনেকেই নিয়মিতভাবে পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারেন না।
আমেরিকার সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুম থেকে বঞ্চিত। ফলে কেউ ঘুমের ওষুধের দিকে ঝুঁকছেন, কেউ আবার ঘুম মাপার অ্যাপ ব্যবহার করছেন শুধু একটু ভালো ঘুমের আশায়।
তাই ভালো ঘুমের জন্য সবার আগে বুঝতে হবে নিজের ঘুমের ধরণ। খেয়াল করুন, আপনি কি ঘুমাতে পারেন না? নাকি একটু পরপর আপনার ঘুম ভেঙে যায়? আপনি কি কম ঘুমিয়েও ঠিক থাকেন? নাকি ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্ত বোধ করেন?

পিএলওএস বায়োলজি নামের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ভালো ঘুম’ বা ‘খারাপ ঘুম’ বলে ঘুমের ভাগ করা যথেষ্ট নয়। বরং আমাদের প্রত্যেকের ঘুম ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচে গঠিত, যা আমাদের মানসিক অবস্থা, দৈনন্দিন জীবন ও মস্তিষ্কের কার্যক্রমের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। গবেষণায় ২২ থেকে ৩৬ বছর বয়সী ৭০০-রও বেশি প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের অভ্যাস, মানসিক স্বাস্থ্য, স্মৃতি ও মস্তিষ্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে পাঁচটি আলাদা ঘুমের ধরন শনাক্ত করা হয়।

এই পাঁচটি ধরন আমাদের মনে করিয়ে দেয় ঘুমের সমস্যা একরকম নয়, তাই সমাধানও এক নয়। কারও জন্য ঘুমের সময় বাড়ানোই যথেষ্ট, আবার কারও জন্য প্রয়োজন মানসিক প্রশান্তি বা চিকিৎসা সহায়তা। ঘুম বিষয়ে গবেষণা করা ড. লিয়ানা ওয়েন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ভালো ঘুম মানে শুধু ঘন্টার হিসাব নয়। এটি মানসিক অবস্থা, শারীরিক স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন অভ্যাসের সমন্বয়।’
ভালো ঘুমের জন্য কিছু সাধারণ পরামর্শও দিয়েছেন লিয়ানা ওয়েন। তিনি বলেন, অনেক সময় ঘুমের সমস্যা হয় কারণ আমরা পর্যাপ্ত সময় বিছানায় কাটাই না। যদি সাত ঘণ্টা ঘুমের লক্ষ্য থাকে, তাহলে অন্তত আট ঘণ্টা বিছানায় থাকার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জাগার অভ্যাসও জরুরি। ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। শীতল, নীরব ও অন্ধকার ঘর গভীর ঘুমে সহায়ক। ঘুমানোর আগে ফোন, টিভি বা ট্যাবলেটের পর্দা থেকে দূরে থাকা উচিত, কারণ এর আলো মেলাটোনিন নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত করে। দিনে দীর্ঘ সময় ঘুমানো থেকে বিরত থাকলেও রাতের ঘুম সহজ হয়।
এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম বা যোগব্যায়ামও ভালো ঘুমে সাহায্য করে। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো উপায়। চিকিৎসকেরা সম্ভাব্য শারীরিক কারণ চিহ্নিত করতে এবং সঠিক ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: সিএনএন হেলথ