চরচা ডেস্ক

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরে কর্মরত মেটার কর্মীরা ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের নোটিশ পেতে শুরু করেছেন।
এদিকে রয়টার্সের হাতে আসা মেটার একটি অভ্যন্তরীণ বার্তার তথ্য অনুযায়ী, ব্যাপক এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রায় ৭ হাজার কর্মীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করেছে।
মেটার চিফ পিপল অফিসার জ্যানেল গেলের লেখা ওই নথিতে বেশ কিছু ব্যবস্থাপক পদ বিলুপ্ত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল যে, অর্থনৈতিক মন্দার এই সময়ে কোনো পদের কর্মীই সম্পূর্ণ নিরাপদ নন। ছাঁটাইয়ের বিষয়টি সাধারণত কোনো ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে চাকরি টিকিয়ে রাখতে এবং পেশাগত ও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে কর্মীরা কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি প্রফিটেরর প্রতিবেদনে চাকরি হারানোর ঝুঁকি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার ৫টি ব্যবহারিক উপায় দেওয়া হয়েছে।
এমন দক্ষতা অর্জন করুন যা কোম্পানি অবহেলা করতে পারবে না
কোম্পানি যখন কর্মী ছাঁটাই বা বড় কোনো পরিবর্তন করে, তখন তারা এমন কর্মীদের বেশি দাম দেয় যারা নিয়মিত নতুন নতুন কাজ শেখেন। যারা একসাথে কয়েক ধরনের দায়িত্ব সামলাতে পারেন কিংবা কোম্পানির সবচেয়ে জরুরি প্রজেক্টগুলোতে ভালো অবদান রাখেন, কোম্পানি সাধারণত তাদের চাকরি ধরে রাখার চেষ্টা করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বর্তমানে যেসব খাতের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে সেগুলোর ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত। যেমন–কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশন, ডাটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড কম্পিউটিং, প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ও পারফরম্যান্স গ্রোথ।

সিভি এবং লিঙ্কডইন প্রোফাইল সবসময় আপডেট রাখুন
অনেকেই চাকরি হারানোর পর সিভি আপডেট করার কথা ভাবেন। এতে সংকটকালীন নতুন সুযোগ পাওয়ার প্রক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সাফল্য, কাজের সুনির্দিষ্ট ফলাফল, বিভিন্ন সার্টিফিকেশন ও প্রজেক্টের বিবরণসহ সিভি সবসময় প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে লিঙ্কডইন প্রোফাইলেও বর্তমান কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বিষয়টি স্পষ্ট রাখা উচিত। কারণ, শক্তিশালী অনলাইন উপস্থিতি রয়েছে এমন প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়োগদাতারা নিজেরাই আগ বাড়িয়ে যোগাযোগ করেন।
উপার্জনের বিকল্প বা দ্বিতীয় উৎস খুঁজুন
ফ্রিল্যান্সিং, কনসালটেন্সি বা পরামর্শক এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্মগুলোর উত্থানের কারণে এখন আয়ের অতিরিক্ত উৎস তৈরি করা আগের চেয়ে অনেক সহজ। উপার্জনের এই দ্বিতীয় উৎসটি হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে মূল বেতনের বিকল্প হবে না। তবে অনিশ্চয়তার সময়ে এটি আর্থিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে।
ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখুন
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আপনি যদি সক্রিয়ভাবে নতুন চাকরি নাও খোঁজেন, তবুও ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখা একটি বুদ্ধিমানের কাজ। ছাঁটাইয়ের সময়ে চাকরির বাজার খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয়।
যেসব প্রার্থী মানসিক ও পেশাগতভাবে প্রস্তুত থাকেন, তারা একদম শূন্য থেকে শুরু করা প্রার্থীদের তুলনায় অনেক দ্রুত নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে যান।
একটি আর্থিক নিরাপত্তা তহবিল (ইমার্জেন্সি ফান্ড) গড়ে তুলুন
পর্যাপ্ত সঞ্চয় না থাকলে চাকরি হারানোর মানসিক চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। আর্থিক উপদেষ্টাদের মতে, প্রত্যেকেরই এমন একটি জরুরি তহবিল থাকা উচিত যা দিয়ে অন্তত ৬ থেকে ১২ মাসের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো সম্ভব। বিশেষ করে যেসব খাতে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীরগতির হয়ে পড়ে, সেখানে এই সঞ্চয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি মজবুত আর্থিক ভিত্তি থাকলে চাপের মুখে পড়ে প্রথম হাত বাড়িয়ে দেওয়া চাকরিতেই যোগ দিতে হয় না, বরং নিজের জন্য সঠিক সুযোগটি খুঁজে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় ও নমনীয়তা পাওয়া যায়।

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরে কর্মরত মেটার কর্মীরা ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের নোটিশ পেতে শুরু করেছেন।
এদিকে রয়টার্সের হাতে আসা মেটার একটি অভ্যন্তরীণ বার্তার তথ্য অনুযায়ী, ব্যাপক এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রায় ৭ হাজার কর্মীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করেছে।
মেটার চিফ পিপল অফিসার জ্যানেল গেলের লেখা ওই নথিতে বেশ কিছু ব্যবস্থাপক পদ বিলুপ্ত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল যে, অর্থনৈতিক মন্দার এই সময়ে কোনো পদের কর্মীই সম্পূর্ণ নিরাপদ নন। ছাঁটাইয়ের বিষয়টি সাধারণত কোনো ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে চাকরি টিকিয়ে রাখতে এবং পেশাগত ও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে কর্মীরা কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি প্রফিটেরর প্রতিবেদনে চাকরি হারানোর ঝুঁকি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার ৫টি ব্যবহারিক উপায় দেওয়া হয়েছে।
এমন দক্ষতা অর্জন করুন যা কোম্পানি অবহেলা করতে পারবে না
কোম্পানি যখন কর্মী ছাঁটাই বা বড় কোনো পরিবর্তন করে, তখন তারা এমন কর্মীদের বেশি দাম দেয় যারা নিয়মিত নতুন নতুন কাজ শেখেন। যারা একসাথে কয়েক ধরনের দায়িত্ব সামলাতে পারেন কিংবা কোম্পানির সবচেয়ে জরুরি প্রজেক্টগুলোতে ভালো অবদান রাখেন, কোম্পানি সাধারণত তাদের চাকরি ধরে রাখার চেষ্টা করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বর্তমানে যেসব খাতের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে সেগুলোর ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত। যেমন–কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশন, ডাটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড কম্পিউটিং, প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ও পারফরম্যান্স গ্রোথ।

সিভি এবং লিঙ্কডইন প্রোফাইল সবসময় আপডেট রাখুন
অনেকেই চাকরি হারানোর পর সিভি আপডেট করার কথা ভাবেন। এতে সংকটকালীন নতুন সুযোগ পাওয়ার প্রক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সাফল্য, কাজের সুনির্দিষ্ট ফলাফল, বিভিন্ন সার্টিফিকেশন ও প্রজেক্টের বিবরণসহ সিভি সবসময় প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে লিঙ্কডইন প্রোফাইলেও বর্তমান কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বিষয়টি স্পষ্ট রাখা উচিত। কারণ, শক্তিশালী অনলাইন উপস্থিতি রয়েছে এমন প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়োগদাতারা নিজেরাই আগ বাড়িয়ে যোগাযোগ করেন।
উপার্জনের বিকল্প বা দ্বিতীয় উৎস খুঁজুন
ফ্রিল্যান্সিং, কনসালটেন্সি বা পরামর্শক এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্মগুলোর উত্থানের কারণে এখন আয়ের অতিরিক্ত উৎস তৈরি করা আগের চেয়ে অনেক সহজ। উপার্জনের এই দ্বিতীয় উৎসটি হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে মূল বেতনের বিকল্প হবে না। তবে অনিশ্চয়তার সময়ে এটি আর্থিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে।
ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখুন
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আপনি যদি সক্রিয়ভাবে নতুন চাকরি নাও খোঁজেন, তবুও ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখা একটি বুদ্ধিমানের কাজ। ছাঁটাইয়ের সময়ে চাকরির বাজার খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয়।
যেসব প্রার্থী মানসিক ও পেশাগতভাবে প্রস্তুত থাকেন, তারা একদম শূন্য থেকে শুরু করা প্রার্থীদের তুলনায় অনেক দ্রুত নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে যান।
একটি আর্থিক নিরাপত্তা তহবিল (ইমার্জেন্সি ফান্ড) গড়ে তুলুন
পর্যাপ্ত সঞ্চয় না থাকলে চাকরি হারানোর মানসিক চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। আর্থিক উপদেষ্টাদের মতে, প্রত্যেকেরই এমন একটি জরুরি তহবিল থাকা উচিত যা দিয়ে অন্তত ৬ থেকে ১২ মাসের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো সম্ভব। বিশেষ করে যেসব খাতে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীরগতির হয়ে পড়ে, সেখানে এই সঞ্চয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি মজবুত আর্থিক ভিত্তি থাকলে চাপের মুখে পড়ে প্রথম হাত বাড়িয়ে দেওয়া চাকরিতেই যোগ দিতে হয় না, বরং নিজের জন্য সঠিক সুযোগটি খুঁজে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় ও নমনীয়তা পাওয়া যায়।

বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাতে নতুন করে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮ হাজার কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।