চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। যিনি ‘ক্যাসিন সেলিম’ নামে পরিচিত।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট গুলশানের নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মো. তৌহিদ মিয়া। বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলায় এজাহারনামীয় ৮৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলেন, আসামি সেলিম প্রধান বিগত সরকারের সক্রিয় নেতা ও অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করার জন্য গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধর ও সুপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সরাসরি উসকানি এবং আর্থিক সহায়তার তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। যিনি ‘ক্যাসিন সেলিম’ নামে পরিচিত।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট গুলশানের নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মো. তৌহিদ মিয়া। বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলায় এজাহারনামীয় ৮৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলেন, আসামি সেলিম প্রধান বিগত সরকারের সক্রিয় নেতা ও অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করার জন্য গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধর ও সুপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সরাসরি উসকানি এবং আর্থিক সহায়তার তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।