চরচা প্রতিবেদক

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের জনবল সংকট রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে দ্রুত এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শূন্য পদ পূরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় ৪৫তম বিসিএসে ৪৫০ জন, ৪৬তম বিসিএসে ১ হাজার ৬৮২ জন, ৪৭তম বিসিএসে ১ হাজার ৩৩১ জন ও ৫০তম বিসিএসে ৬৫০ জন সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।”
মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুমোদিত মোট পদ ৪১ হাজার ৮০৬টি হলেও বর্তমানে শূন্য রয়েছে ৯ হাজার ৪০৭টি। নার্সদের ক্ষেত্রেও রয়েছে ঘাটতি। অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৮৭৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৪৫ হাজার ৩০২ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ৪ হাজার ৫৭৭টি পদ।
মন্ত্রী আরও জানান, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের ক্ষেত্রে সংকট আরও বেশি। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনুমোদিত ৬৫ হাজার ২৩০টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ৪৬ হাজার ২৮৩ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ১৮ হাজার ৯৪৭টি পদ। এর মধ্যে পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ) পদের সংখ্যা ২৩ হাজার ৫০০টি হলেও কর্মরত আছেন ১৫ হাজার ২০৭ জন। শূন্য রয়েছে ৮ হাজার ২৯৩টি পদ।
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
নার্স নিয়োগেও অগ্রগতি রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সিনিয়র স্টাফ নার্সদের শূন্য পদ পূরণে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দশম গ্রেডের মিডওয়াইফ পদে নিয়োগের জন্য গত ১৯ এপ্রিল পিএসসি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে। বর্তমানে নির্বাচিতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলেই পদায়নের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।”

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের জনবল সংকট রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে দ্রুত এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শূন্য পদ পূরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় ৪৫তম বিসিএসে ৪৫০ জন, ৪৬তম বিসিএসে ১ হাজার ৬৮২ জন, ৪৭তম বিসিএসে ১ হাজার ৩৩১ জন ও ৫০তম বিসিএসে ৬৫০ জন সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।”
মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুমোদিত মোট পদ ৪১ হাজার ৮০৬টি হলেও বর্তমানে শূন্য রয়েছে ৯ হাজার ৪০৭টি। নার্সদের ক্ষেত্রেও রয়েছে ঘাটতি। অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৮৭৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৪৫ হাজার ৩০২ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ৪ হাজার ৫৭৭টি পদ।
মন্ত্রী আরও জানান, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের ক্ষেত্রে সংকট আরও বেশি। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনুমোদিত ৬৫ হাজার ২৩০টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ৪৬ হাজার ২৮৩ জন। ফলে শূন্য রয়েছে ১৮ হাজার ৯৪৭টি পদ। এর মধ্যে পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ) পদের সংখ্যা ২৩ হাজার ৫০০টি হলেও কর্মরত আছেন ১৫ হাজার ২০৭ জন। শূন্য রয়েছে ৮ হাজার ২৯৩টি পদ।
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
নার্স নিয়োগেও অগ্রগতি রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সিনিয়র স্টাফ নার্সদের শূন্য পদ পূরণে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দশম গ্রেডের মিডওয়াইফ পদে নিয়োগের জন্য গত ১৯ এপ্রিল পিএসসি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে। বর্তমানে নির্বাচিতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলেই পদায়নের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।”

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।