চরচা ডেস্ক

শরীরের স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে পানি অপরিহার্য। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ১.৫-২ লিটার পানি প্রয়োজন হয়। কিন্তু যদি কেউ প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করে, তখন শরীর ধীরে ধীরে এক ধরনের ‘ক্রনিক ডিহাইড্রেশন’-মোডে চলে যায়। এ অবস্থায় যে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলি দেখা দেয়, তা সময়ের সঙ্গে আরও গুরুতর হতে পারে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে কিডনিতে। পানি কম পেলে কিডনি মূত্রের মাধ্যমে বর্জ্য বের করতে সমস্যায় পড়ে। মূত্রের ঘনত্ব বেড়ে যায়, রঙ গাঢ় হয়, পাথর (কিডনি স্টোন) তৈরির ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘসময় পানি কম খেলে কিডনির পরিস্রাবণ বা ফিল্টারিং ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
ত্বকও পানির ঘাটতির দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি শরীরের স্বাভাবিক হাইড্রেশন বজায় রাখতে যথেষ্ট নয়। ফলে ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। ফাইন লাইন, চুলকানি ও একজিমার মতো সমস্যা তৈরিও সহজ হয়। ঠোঁট ফাটে, চোখের নিচের অংশ শুষ্ক দেখায়।
এর পাশাপাশি মস্তিষ্কও পানি কমে যাওয়ার প্রভাব অনুভব করে। ডিহাইড্রেশন হলে রক্ত সামান্য ঘন হয়, ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যেতে পারে। এর ফলাফল- মাথাব্যথা, মনোযোগ কমে যাওয়া, ক্লান্তি ও বিরক্তি। অনেকের আবার হালকা মাথা ঘোরে (হেড রাশ), বিশেষ করে দাঁড়ানোর সময়।
পানি কম পান করলে হজমপ্রক্রিয়াও ধীর হয়ে যায়। পানি খাবার ভেঙে হজম করতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রে নরম মল তৈরি করে। প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেবে, পেট ভার ভার লাগবে এবং গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে হজমে জটিলতা, অ্যাসিডিটির প্রবণতাও বাড়ে।
পানির ঘাটতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় রক্ত সঞ্চালন ও শক্তি উৎপাদনে। ডিহাইড্রেশন হলে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, ফলে হৃদপিণ্ডকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। হাঁটাহাঁটি, সিঁড়ি ভাঙা–সবকিছুতেই তখন ক্লান্তি বাড়ে। শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে পানি প্রয়োজন হয়। পানি কম হলে গরমে হিট এক্সহস্টশন বা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি খাওয়ার আরেকটি খারাপ প্রভাব হলো হরমোনের ভারসাম্যের ব্যাঘাত। এজন্য কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) বেড়ে যায়, ঘুম কম হয়, মুড সুইং হয়, উদ্বেগ বাড়ে।
প্রতিদিন মাত্র আধা লিটার পানি শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এভাবে দীর্ঘদিন চললে কিডনি, ত্বক, মস্তিষ্ক, হজম ও হৃদ্যন্ত্র- সবই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই শীত হোক বা গরম, প্রতিদিন অন্তত ৬–৮ গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য অনিবার্য।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শরীরের স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে পানি অপরিহার্য। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ১.৫-২ লিটার পানি প্রয়োজন হয়। কিন্তু যদি কেউ প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করে, তখন শরীর ধীরে ধীরে এক ধরনের ‘ক্রনিক ডিহাইড্রেশন’-মোডে চলে যায়। এ অবস্থায় যে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলি দেখা দেয়, তা সময়ের সঙ্গে আরও গুরুতর হতে পারে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে কিডনিতে। পানি কম পেলে কিডনি মূত্রের মাধ্যমে বর্জ্য বের করতে সমস্যায় পড়ে। মূত্রের ঘনত্ব বেড়ে যায়, রঙ গাঢ় হয়, পাথর (কিডনি স্টোন) তৈরির ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘসময় পানি কম খেলে কিডনির পরিস্রাবণ বা ফিল্টারিং ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
ত্বকও পানির ঘাটতির দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি শরীরের স্বাভাবিক হাইড্রেশন বজায় রাখতে যথেষ্ট নয়। ফলে ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। ফাইন লাইন, চুলকানি ও একজিমার মতো সমস্যা তৈরিও সহজ হয়। ঠোঁট ফাটে, চোখের নিচের অংশ শুষ্ক দেখায়।
এর পাশাপাশি মস্তিষ্কও পানি কমে যাওয়ার প্রভাব অনুভব করে। ডিহাইড্রেশন হলে রক্ত সামান্য ঘন হয়, ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যেতে পারে। এর ফলাফল- মাথাব্যথা, মনোযোগ কমে যাওয়া, ক্লান্তি ও বিরক্তি। অনেকের আবার হালকা মাথা ঘোরে (হেড রাশ), বিশেষ করে দাঁড়ানোর সময়।
পানি কম পান করলে হজমপ্রক্রিয়াও ধীর হয়ে যায়। পানি খাবার ভেঙে হজম করতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রে নরম মল তৈরি করে। প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেবে, পেট ভার ভার লাগবে এবং গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে হজমে জটিলতা, অ্যাসিডিটির প্রবণতাও বাড়ে।
পানির ঘাটতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় রক্ত সঞ্চালন ও শক্তি উৎপাদনে। ডিহাইড্রেশন হলে রক্তের পরিমাণ কমে যায়, ফলে হৃদপিণ্ডকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। হাঁটাহাঁটি, সিঁড়ি ভাঙা–সবকিছুতেই তখন ক্লান্তি বাড়ে। শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে পানি প্রয়োজন হয়। পানি কম হলে গরমে হিট এক্সহস্টশন বা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি খাওয়ার আরেকটি খারাপ প্রভাব হলো হরমোনের ভারসাম্যের ব্যাঘাত। এজন্য কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) বেড়ে যায়, ঘুম কম হয়, মুড সুইং হয়, উদ্বেগ বাড়ে।
প্রতিদিন মাত্র আধা লিটার পানি শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এভাবে দীর্ঘদিন চললে কিডনি, ত্বক, মস্তিষ্ক, হজম ও হৃদ্যন্ত্র- সবই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই শীত হোক বা গরম, প্রতিদিন অন্তত ৬–৮ গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য অনিবার্য।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রতিদিন চুল ধোয়া উচিত কিনা সৌন্দর্য সচেতনদের মধ্যে এই বিতর্ক অনেকদিনের। বয়োজ্যেষ্ঠদের তেল দেওয়ার অভ্যাস আর ইনস্টাগ্রামের নানা হেয়ারকেয়ার টিপসের মাঝখানে এই ধারণা অনেকটা সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আসলে কি প্রতিদিন চুল ধোয়া চুলের ক্ষতি করে? নাকি এটা শুধু একটি প্রচলিত ভুল ধারণা?

উইরাইড ও কিটার গল্প একই সুতোয় বাঁধা। উইরাইড চীনে এখনো নগদ খরচ করে যাচ্ছে। তারপরেও মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালনাগত মুনাফা অর্জন করেছে। কিটা মেইতুয়ানের দেশীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিমার্জিত অপারেশনাল অবকাঠামো ও ডেলিভারি লজিস্টিক্স মোতায়েন করে মাত্র কয়েক মাসে সৌদি বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করেছে।