
মস্তিষ্ককে তরুণ রাখতে কোনো জটিল চিকিৎসা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে কিছু ইতিবাচক শখই যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিকভাবে উদ্দীপক কাজ মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, দু-এক তলা সিঁড়িতে ওঠা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন-সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, স্মৃতিশক্তির উন্নতি এবং সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

শরীর ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এর কম ঘুমালে কী ধরনের প্রভাব পড়ে?

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে ‘ফ্রেন্ডস’ বা ‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’র বা আমাদের দেশের ‘বন্ধন’ বা ‘আজ রবিবার’-এর মতো টিভি সিরিজ পুনরায় দেখা কেবল অভ্যাসের চেয়েও বেশি কিছু। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন এটি এক ধরণের ‘সেল্ফ কেয়ার’।

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজ- সবকিছুই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ৩০ সেকেন্ডের শর্ট ভিডিওতে দেখা যায়। এগুলো ‘রিলস’ নামে পরিচিত। অতিরিক্ত রিলস দেখার কারণে মানুষের একদিকে মানুষের মনোযোগ কমে যাচ্ছে সেইসঙ্গে জ্ঞানগত দক্ষতারও অবনতি হচ্ছে।

কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় ঠিক এই বিষয়টিই অনুসন্ধান করা হয়েছে। গবেষণা পত্রে ২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর ওপর ৭২ ঘণ্টা ধরে স্মার্টফোন সীমাবদ্ধতার প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে।

যদি কেউ প্রতিদিন মাত্র ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করে, তখন শরীর ধীরে ধীরে এক ধরনের ‘ক্রনিক ডিহাইড্রেশন’ মোডে চলে যায়। এ অবস্থায় যে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলি দেখা দেয়, তা সময়ের সঙ্গে আরও গুরুতর হতে পারে।

এই পদ্ধতি ব্যবহারে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন অভ্যাস তৈরি করে। যে অভ্যাসে কাজ ফেলে রাখার বদলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করার ঝোঁক বাড়ে।

ক্লান্তি ভাব বা ঘুম কাটাতে অনেকে চা পান করেন। তবে কিছু চা আছে যা একদম বিপরীত কাজ করে।