চরচা ডেস্ক

আমরা প্রায়ই কাজ ফেলে রাখি এই ভেবে- ‘আরও কিছুক্ষণ পরে করব’, ‘এখন একটু বিশ্রাম নেই’, বা ‘মন বসছে না’। কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই সময় চলে যায়, কাজ জমে যায়, আর অপরাধবোধ গ্রাস করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, এই প্রবণতাই procrastination বা অলসতা বা গড়িমসি। এটি মূলত মনের একধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এর মোকাবিলায় কার্যকর একটি সহজ কৌশল হলো ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’।
এই নিয়মের মূল ধারণা খুব সহজ।
কোনো কাজ করার চিন্তা মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গে তিন সেকেন্ডের মধ্যে সেটির প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন, সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করার কথা ভাবলেন, সঙ্গে সঙ্গে ১...২...৩ গুনে উঠে পড়ুন।

কিংবা ডেস্কে বসে কাজ শুরু করতে চাইলেন, তখনই ল্যাপটপ খুলে ফেলুন। মানে চিন্তা আর কাজের মধ্যে ফাঁকা সময় যত কমবে, মস্তিষ্কের দ্বিধা বা অলসতা ততই হার মানবে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা যখন কোনো কাজ করার কথা ভাবি, তখন মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল করটেক্স নামের একটি অংশ সক্রিয় হয়, যা পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড দেরি হলেই লিম্বিক সিস্টেম (যা আরাম ও নিরাপত্তার দিকে টানে) প্রাধান্য নেয়, ফলে আমরা সেই কাজ এড়িয়ে যাই। ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’ আসলে এই মানসিক দ্বন্দ্বের আগেই মস্তিষ্ককে কর্মমুখী করে তোলে।
এই পদ্ধতি ব্যবহারে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন অভ্যাস তৈরি করে। যে অভ্যাসে কাজ ফেলে রাখার বদলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করার ঝোঁক বাড়ে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট ছোট সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া গেলে আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি দিনে মাত্র ২-৩টি সিদ্ধান্তে ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’ প্রয়োগ করা যায়, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
তবে শুরুতে সবসময় সফলতা দ্রুত নাও আসতে পারে। প্রথম কয়েকদিন মনে হতে পারে, নিজেকে জোর করে উঠতে হচ্ছে। কিন্তু নিয়মিত অনুশীলনে এটি একসময় স্বাভাবিক আচরণেই পরিণত হয়।
তথ্যসূত্র: মিডিয়াম ডট কম

আমরা প্রায়ই কাজ ফেলে রাখি এই ভেবে- ‘আরও কিছুক্ষণ পরে করব’, ‘এখন একটু বিশ্রাম নেই’, বা ‘মন বসছে না’। কিন্তু বুঝে ওঠার আগেই সময় চলে যায়, কাজ জমে যায়, আর অপরাধবোধ গ্রাস করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, এই প্রবণতাই procrastination বা অলসতা বা গড়িমসি। এটি মূলত মনের একধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এর মোকাবিলায় কার্যকর একটি সহজ কৌশল হলো ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’।
এই নিয়মের মূল ধারণা খুব সহজ।
কোনো কাজ করার চিন্তা মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গে তিন সেকেন্ডের মধ্যে সেটির প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন, সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করার কথা ভাবলেন, সঙ্গে সঙ্গে ১...২...৩ গুনে উঠে পড়ুন।

কিংবা ডেস্কে বসে কাজ শুরু করতে চাইলেন, তখনই ল্যাপটপ খুলে ফেলুন। মানে চিন্তা আর কাজের মধ্যে ফাঁকা সময় যত কমবে, মস্তিষ্কের দ্বিধা বা অলসতা ততই হার মানবে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, আমরা যখন কোনো কাজ করার কথা ভাবি, তখন মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল করটেক্স নামের একটি অংশ সক্রিয় হয়, যা পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড দেরি হলেই লিম্বিক সিস্টেম (যা আরাম ও নিরাপত্তার দিকে টানে) প্রাধান্য নেয়, ফলে আমরা সেই কাজ এড়িয়ে যাই। ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’ আসলে এই মানসিক দ্বন্দ্বের আগেই মস্তিষ্ককে কর্মমুখী করে তোলে।
এই পদ্ধতি ব্যবহারে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন অভ্যাস তৈরি করে। যে অভ্যাসে কাজ ফেলে রাখার বদলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করার ঝোঁক বাড়ে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট ছোট সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া গেলে আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি দিনে মাত্র ২-৩টি সিদ্ধান্তে ‘৩ সেকেন্ড নিয়ম’ প্রয়োগ করা যায়, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
তবে শুরুতে সবসময় সফলতা দ্রুত নাও আসতে পারে। প্রথম কয়েকদিন মনে হতে পারে, নিজেকে জোর করে উঠতে হচ্ছে। কিন্তু নিয়মিত অনুশীলনে এটি একসময় স্বাভাবিক আচরণেই পরিণত হয়।
তথ্যসূত্র: মিডিয়াম ডট কম