চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভারত ইরান থেকে তেল কেনার বদলে ভেনেজুয়েলার তেল কিনবে।
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটা চুক্তি করেছি, চুক্তির কাঠামো তৈরি করেছি।” চীনও চাইলে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে পারে বলেও জানান ট্রাম্প।
এর আগে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দেওয়া হবে বলে জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকান জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এরপর আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে আমেরিকার হাতে।
রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক, এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
গত ৩ জানুয়ারি কারাকাসে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় আমেরিকান বাহিনী। এরপর থেকেই ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার চাপ দিয়ে আসছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
পরে গত শুক্রবার তেল খাত বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খুলে দিতে একটি সংস্কার আইনে সই করেছে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
রদ্রিগেজ সংস্কার আইনে সই করার পরই ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দেয়, তারা ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।
আমেরিকান ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার সরকার ও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ-এর জন্য সীমিত লেনদেনের অনুমতি দেবে।
এর ফলে ভেনেজুয়েলায় উৎপাদিত তেলের উত্তোলন, রপ্তানি, পুনঃরপ্তানি , বিক্রি, পুনর্বিক্রি, সরবরাহ, সংরক্ষণ, বিপণন, ক্রয়, সরবরাহ প্রক্রিয়া বা পরিবহন, এমনকি ওই তেল পরিশোধনের মতো কার্যক্রমও পরিচালনার সুযোগ পাবে একটি আমেরিকান সংস্থা।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভারত ইরান থেকে তেল কেনার বদলে ভেনেজুয়েলার তেল কিনবে।
স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটা চুক্তি করেছি, চুক্তির কাঠামো তৈরি করেছি।” চীনও চাইলে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে পারে বলেও জানান ট্রাম্প।
এর আগে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দেওয়া হবে বলে জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও আমেরিকান জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এরপর আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে আমেরিকার হাতে।
রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক, এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
গত ৩ জানুয়ারি কারাকাসে হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় আমেরিকান বাহিনী। এরপর থেকেই ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার চাপ দিয়ে আসছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
পরে গত শুক্রবার তেল খাত বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খুলে দিতে একটি সংস্কার আইনে সই করেছে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
রদ্রিগেজ সংস্কার আইনে সই করার পরই ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দেয়, তারা ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে।
আমেরিকান ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার সরকার ও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ-এর জন্য সীমিত লেনদেনের অনুমতি দেবে।
এর ফলে ভেনেজুয়েলায় উৎপাদিত তেলের উত্তোলন, রপ্তানি, পুনঃরপ্তানি , বিক্রি, পুনর্বিক্রি, সরবরাহ, সংরক্ষণ, বিপণন, ক্রয়, সরবরাহ প্রক্রিয়া বা পরিবহন, এমনকি ওই তেল পরিশোধনের মতো কার্যক্রমও পরিচালনার সুযোগ পাবে একটি আমেরিকান সংস্থা।