চরচা ডেস্ক

ইরানে টানা ষষ্ঠ রাতের মত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় ইরানের বেসরকারি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। অন্যদিকে জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে ইরান।
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের চলমান লড়াইয়ের মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও দুর্বল করে দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা এই অভিযান চালাচ্ছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় আঘাত হেনেছে। হরমুজগান প্রদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাসের পশ্চিমে অবস্থিত একটি সেতুতে হামলার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে বিবিসি।
এদিকে, ইরান দাবি করেছে, ইরানের ইরানশাহর বিমানবন্দর, উপকূলীয় শহর বান্দার খামিরের রেলস্টেশন এবং বন্দরনগরীর পাঁচটি সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর তারা জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যে ইরান যদি পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না বসে, তাহলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, দেশের জন্য উপকারী নয় এমন কোনো চুক্তি মেনে চলার কারণ নেই। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।

ইরানে টানা ষষ্ঠ রাতের মত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় ইরানের বেসরকারি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। অন্যদিকে জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে ইরান।
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের চলমান লড়াইয়ের মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও দুর্বল করে দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা এই অভিযান চালাচ্ছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় আঘাত হেনেছে। হরমুজগান প্রদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাসের পশ্চিমে অবস্থিত একটি সেতুতে হামলার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে বিবিসি।
এদিকে, ইরান দাবি করেছে, ইরানের ইরানশাহর বিমানবন্দর, উপকূলীয় শহর বান্দার খামিরের রেলস্টেশন এবং বন্দরনগরীর পাঁচটি সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর তারা জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যে ইরান যদি পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় না বসে, তাহলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, দেশের জন্য উপকারী নয় এমন কোনো চুক্তি মেনে চলার কারণ নেই। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।

ইরানে টানা ষষ্ঠ রাতের মত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় ইরানের বেসরকারি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। অন্যদিকে জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে ইরান।