চরচা ডেস্ক

মার্কিন বিচার বিভাগে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতি ও ঘুষের ফৌজদারি মামলাটি প্রত্যাহারের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জানা যায়, তিনি দেশটিতে বিনিয়োগ করার কারণেই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পথে হাঁটছে তারা।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বিচার বিভাগ জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শুরু হওয়া এই হাই-প্রোফাইল মামলাটি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।
এরই মধ্যে আমেরিকার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের করা একটি দেওয়ানি মামলা আদানির পক্ষ থেকে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি ও তার ভাতিজা ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছেন। যদিও তারা কোনো দোষ স্বীকার করেননি। আদানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই মামলার কোনো শক্ত ভিত্তি বা সঠিক বিচারিক এখতিয়ার নেই।
আদানির আইনজীবী রবার্ট জিউফ্রা গত মাসে বিচার বিভাগকে জানিয়েছিলেন, এই মামলা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে আদানির ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
এই রবার্ট জিউফ্রা আবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও ব্যক্তিগত আইনজীবী।
২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ ছিল, আদানি গ্রুপ ভারতে একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প পেতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। তিনি বিনিয়োগকারীদের কাছে এই তথ্য গোপন করে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ সংগ্রহ করেছিলেন।
এবার আদানির অব্যাহতির খবরটি সামনে আসার পর ভারতের শেয়ার বাজারে আদানি এন্টারপ্রাইজেসের শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। যদিও গ্রুপের অন্যান্য কিছু কোম্পানির শেয়ারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মামলাটি বন্ধ হলেও ভারতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘সেবি’র অধীনে এখনো বেশ কিছু অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।

মার্কিন বিচার বিভাগে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতি ও ঘুষের ফৌজদারি মামলাটি প্রত্যাহারের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জানা যায়, তিনি দেশটিতে বিনিয়োগ করার কারণেই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পথে হাঁটছে তারা।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বিচার বিভাগ জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শুরু হওয়া এই হাই-প্রোফাইল মামলাটি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।
এরই মধ্যে আমেরিকার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের করা একটি দেওয়ানি মামলা আদানির পক্ষ থেকে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি ও তার ভাতিজা ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছেন। যদিও তারা কোনো দোষ স্বীকার করেননি। আদানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই মামলার কোনো শক্ত ভিত্তি বা সঠিক বিচারিক এখতিয়ার নেই।
আদানির আইনজীবী রবার্ট জিউফ্রা গত মাসে বিচার বিভাগকে জানিয়েছিলেন, এই মামলা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে আদানির ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
এই রবার্ট জিউফ্রা আবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও ব্যক্তিগত আইনজীবী।
২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ ছিল, আদানি গ্রুপ ভারতে একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প পেতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। তিনি বিনিয়োগকারীদের কাছে এই তথ্য গোপন করে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ সংগ্রহ করেছিলেন।
এবার আদানির অব্যাহতির খবরটি সামনে আসার পর ভারতের শেয়ার বাজারে আদানি এন্টারপ্রাইজেসের শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। যদিও গ্রুপের অন্যান্য কিছু কোম্পানির শেয়ারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মামলাটি বন্ধ হলেও ভারতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘সেবি’র অধীনে এখনো বেশ কিছু অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র