চরচা প্রতিবেদক

সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে এখনও চক্রান্তের এক বিরাট জাল বিস্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুধু নয়, মব কালচার তৈরি করা হচ্ছে।
আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচতলায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিক্সা ভ্যান অটোচালক দল।
রিজভী বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে এখন পর্যন্ত সেটা হচ্ছে কর্মসংস্থানের সরকার, বেকার তৈরি করার সরকার না। বিএনপি বেকার তৈরি করেনি, বিএনপি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই যে আজকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশে কোটির বেশি লোক সেখানে কাজ করে, এই কোটির বেশি লোকের কর্মসংস্থানের মূল নায়ক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই থেকে শুরু হয়েছে বিদেশি কর্মসংস্থান।”
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের এই দেশে কেউ বেকার থাকবে না উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “নানা সেক্টরে নানা উদ্যোগে চাকরি ব্যবস্থা করা হবে। হকার উচ্ছেদ করা হলেও তাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে। কারণ তাদের সন্তান ও পরিবারকে দেখার দায়িত্ব সরকারের।”
আওয়ামী লীগের ৭২ থেকে ৭৫- শাসন আমলের পরিস্থিতি তুলে ধরে রিজভী বলেন, শেখ মুজিবের শাসনামলে রংপুর-কুড়িগ্রাম অঞ্চলে শাড়ি না পেয়ে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জা নিবারণ করেছে বাসন্তী। বাসন্তীর ছবি উঠেছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তার মানে কাপড় নেই, খাওয়া নেই, জীবনযাপনের কোনো ঠাঁই নেই—এই পরিস্থিতি ছিল ৭২ থেকে ৭৫-এ। তারা সাড়ে তিন বছর যেভাবে বাংলাদেশে দুঃশাসন চালিয়ে, অপশাসন চালিয়ে গোটা জাতিকে কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল এবং তার প্রভুদের কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, জনগণের টাকা বিভিন্ন প্রজেক্টের মাধ্যমে পাচার করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা ১৬ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা, তার আত্মীয়-স্বজনরা, তার দলের লোকরা পাচার করেছে।
জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে রিজভী বলেন, “তারা বলে আমরা ওদের (আওয়ামী লীগ) সব ক্ষমা করে দেব। ক্ষমা করলে কি আপনাদের বাঁচাবে? আপনারা বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের সাথে ৯৪, ৯৫, ৯৬-এ, তার পরিণতি কি হয়েছে? তার পরিণতি হয়েছে আপনাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়ে দিয়েছে। এই গায়ে পড়ে পিরিত করার পরিণাম কত ভয়াবহ হয়েছে?”
মব কালচারকে ভয়ঙ্কর প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, “আজকে যদি কোনো ছিদ্রপথে পুরনো ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে, আপনারা কিন্তু কেউ রক্ষা পাবেন না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব তো যাবেই, গণতন্ত্র তো গোরস্তানে চলে যাবে। তারপরে কী ভয়াবহ পরিণতি হয়, সেটা আপনারা টের পাবেন। সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হওয়া সবচাইতে ভালো।”

সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে এখনও চক্রান্তের এক বিরাট জাল বিস্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুধু নয়, মব কালচার তৈরি করা হচ্ছে।
আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচতলায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিক্সা ভ্যান অটোচালক দল।
রিজভী বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে এখন পর্যন্ত সেটা হচ্ছে কর্মসংস্থানের সরকার, বেকার তৈরি করার সরকার না। বিএনপি বেকার তৈরি করেনি, বিএনপি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই যে আজকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশে কোটির বেশি লোক সেখানে কাজ করে, এই কোটির বেশি লোকের কর্মসংস্থানের মূল নায়ক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই থেকে শুরু হয়েছে বিদেশি কর্মসংস্থান।”
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের এই দেশে কেউ বেকার থাকবে না উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “নানা সেক্টরে নানা উদ্যোগে চাকরি ব্যবস্থা করা হবে। হকার উচ্ছেদ করা হলেও তাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে। কারণ তাদের সন্তান ও পরিবারকে দেখার দায়িত্ব সরকারের।”
আওয়ামী লীগের ৭২ থেকে ৭৫- শাসন আমলের পরিস্থিতি তুলে ধরে রিজভী বলেন, শেখ মুজিবের শাসনামলে রংপুর-কুড়িগ্রাম অঞ্চলে শাড়ি না পেয়ে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জা নিবারণ করেছে বাসন্তী। বাসন্তীর ছবি উঠেছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তার মানে কাপড় নেই, খাওয়া নেই, জীবনযাপনের কোনো ঠাঁই নেই—এই পরিস্থিতি ছিল ৭২ থেকে ৭৫-এ। তারা সাড়ে তিন বছর যেভাবে বাংলাদেশে দুঃশাসন চালিয়ে, অপশাসন চালিয়ে গোটা জাতিকে কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল এবং তার প্রভুদের কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, জনগণের টাকা বিভিন্ন প্রজেক্টের মাধ্যমে পাচার করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা ১৬ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা, তার আত্মীয়-স্বজনরা, তার দলের লোকরা পাচার করেছে।
জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে রিজভী বলেন, “তারা বলে আমরা ওদের (আওয়ামী লীগ) সব ক্ষমা করে দেব। ক্ষমা করলে কি আপনাদের বাঁচাবে? আপনারা বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের সাথে ৯৪, ৯৫, ৯৬-এ, তার পরিণতি কি হয়েছে? তার পরিণতি হয়েছে আপনাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়ে দিয়েছে। এই গায়ে পড়ে পিরিত করার পরিণাম কত ভয়াবহ হয়েছে?”
মব কালচারকে ভয়ঙ্কর প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, “আজকে যদি কোনো ছিদ্রপথে পুরনো ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে, আপনারা কিন্তু কেউ রক্ষা পাবেন না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব তো যাবেই, গণতন্ত্র তো গোরস্তানে চলে যাবে। তারপরে কী ভয়াবহ পরিণতি হয়, সেটা আপনারা টের পাবেন। সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হওয়া সবচাইতে ভালো।”

আব্দুস সালাম বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত মানবিক। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চালিয়ে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের উচ্ছেদ করা যাবে না। তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।”

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আদালত।