হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এনসিপির বেশকয়েকজন নেতাকর্মী।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে এই হামলার বিষয়টি জানানো হয়।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘‘হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। হামলায় সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘কারো হাত ভেঙে গেছে, কারো মাথা ফেটে গেছে। ক্যামেরা, ফোন—সব ওই জিকে গউসের ছাত্রদল ও যুবদলের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গেছে। আমাদের এক ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে গুঁতো দেওয়া হয়েছে, এতে তার চোখ বের হয়ে আসার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে। আরেকজনের মুখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই ভাইদের বাঁচাতে গেলে রড দিয়ে এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা সেক্রেটারির কনুই ভেঙে দেওয়া হয়।’’
হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ বলেন, ‘‘এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি শুনেছি, সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে দেখেছি, তবে এর সাথে ছাত্রদল-যুবদলের কেউ জড়িত না।’’
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার ওমর ফারুল বলেন, ‘‘আমরা খুবই ব্যস্ত, থানার সকল ফোর্স ঘটনাস্থলে প্রেরণ করা হয়েছে, পরিস্থিতি পরে জানানো হবে।’’