চরচা ডেস্ক

শক্তিশালী টাইফুন নউল দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের স্থলভাগে আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে আগামী দুই দিন দক্ষিণ চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ রোববার ভোরে টাইফুনটি গুয়াংডং প্রদেশে আঘাত হানার আগে প্রবল দমকা হাওয়ায় গুয়াংডং ও প্রতিবেশী হংকংকে বিপর্যস্ত করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন নউলের কারণে গুয়াংডং প্রদেশে ৭ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি প্রদেশে আকস্মিক বন্যার সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে চীন।
প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২তম ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় এবং এ মাসে চীনে আঘাত হানা তৃতীয় ঘূর্ণিঝড় নউল রোববার ভোর প্রায় ৩টা ৫০ মিনিটে হুইদং কাউন্টির উপকূলে আঘাত হানে। কোরীয় ভাষায় নউল শব্দের অর্থ সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের আভা।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় টাইফুনটি জিয়াংসি ও হুনানসহ আশপাশের প্রদেশগুলোতে প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাত ঘটাবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণ চীনের অধিকাংশ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় অতি ভারী থেকে রেকর্ডমাত্রার বর্ষণও হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকারগুলোকে পাহাড়ি এলাকা, নদীতীর, নির্মাণাধীন স্থান, উপত্যকা ও সেতুর মতো বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
হংকং আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, স্থলভাগে প্রবেশ করায় টাইফুনটি ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছে। তবে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আসা প্রবল দমকা হাওয়া এখনো এশিয়ার এই আর্থিক কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানছে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিকেলে টাইফুন সতর্কতা সংকেত ৮ থেকে কমিয়ে ৩ নম্বরে নামিয়ে আনা হয়েছে।
ঝড়টি রাতের মধ্যে হংকংয়ের ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) দূরত্বের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে।
হংকং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় অধিকাংশ ফ্লাইট স্থগিত থাকার পর আজ রোববার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

শক্তিশালী টাইফুন নউল দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের স্থলভাগে আঘাত হেনেছে। এর প্রভাবে আগামী দুই দিন দক্ষিণ চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ রোববার ভোরে টাইফুনটি গুয়াংডং প্রদেশে আঘাত হানার আগে প্রবল দমকা হাওয়ায় গুয়াংডং ও প্রতিবেশী হংকংকে বিপর্যস্ত করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন নউলের কারণে গুয়াংডং প্রদেশে ৭ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি প্রদেশে আকস্মিক বন্যার সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে চীন।
প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২তম ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় এবং এ মাসে চীনে আঘাত হানা তৃতীয় ঘূর্ণিঝড় নউল রোববার ভোর প্রায় ৩টা ৫০ মিনিটে হুইদং কাউন্টির উপকূলে আঘাত হানে। কোরীয় ভাষায় নউল শব্দের অর্থ সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের আভা।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় টাইফুনটি জিয়াংসি ও হুনানসহ আশপাশের প্রদেশগুলোতে প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাত ঘটাবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণ চীনের অধিকাংশ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় অতি ভারী থেকে রেকর্ডমাত্রার বর্ষণও হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকারগুলোকে পাহাড়ি এলাকা, নদীতীর, নির্মাণাধীন স্থান, উপত্যকা ও সেতুর মতো বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।
হংকং আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, স্থলভাগে প্রবেশ করায় টাইফুনটি ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছে। তবে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আসা প্রবল দমকা হাওয়া এখনো এশিয়ার এই আর্থিক কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানছে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বিকেলে টাইফুন সতর্কতা সংকেত ৮ থেকে কমিয়ে ৩ নম্বরে নামিয়ে আনা হয়েছে।
ঝড়টি রাতের মধ্যে হংকংয়ের ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) দূরত্বের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে।
হংকং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় অধিকাংশ ফ্লাইট স্থগিত থাকার পর আজ রোববার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা আছে, প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে দেখি নাই।”

বরিশালের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মো. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং তার অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি শেষে তারা সিভিল সার্জনের নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে দেন।